আপডেট

x


তোপের মূখে পড়েন সভাপতি প্রকৌশলী আশরাফ ও সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী মন্জু

যোগ্যতাহীন ব্যাক্তিকে কুয়েত কেন্দ্রীয় বি এন পি’র নেতৃত্বে দিলে তা মেনে নেওয়া হবে না

শনিবার, ১৭ জুন ২০১৭ | ২:১৩ অপরাহ্ণ | 2643 বার

যোগ্যতাহীন ব্যাক্তিকে কুয়েত কেন্দ্রীয় বি এন পি’র নেতৃত্বে দিলে তা মেনে নেওয়া হবে না
গত ১০ মে কুয়েত কেন্দ্রীয় বি এন পি’র ঐক্যবদ্ধ কমিটি গঠন কল্প নিয়ে আসেন বি এন পি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি তারেক রহমান এর আস্থাভাজন সৌদি বি এন পি’র সভাপতি কার্যনির্বাহী  কমিটির সদস্য আহম্মেদ আলী মুকিব ।
আহম্মেদ আলী মুকিবের ডাকে সারা দিয়ে মূল কমিটি থেকে বের হয়ে যাওয়া তিন অংশে বিভক্ত দের নিয়ে শুরু করেন একের পর এক তিন দিনের আলোচনা এবং ফলপ্রসূ হন তাদের আসস্হ করেন সুন্দর এবং যোগ্য একটি কমিটি উপহার দিবেন। আহম্মেদ আলী মুকিব বলেন নিজের নাক কেঠে অন্যর উপকার করতে আসবেন না , এমন কোন কাজ করা উচিত না .যেনো আওয়ামীলীগ আমাদের ক্ষতি করতে পারে ।
সেই থেকেই শুরু উৎসব মূখর আমেজে চলছে গ্রুপে গ্রুপে মধ্যরাত পর্যন্ত আলোচনা মতবিনিময় সভা ।
তারই ধারাবাহিকতায় ঐক্যবদ্ধভাবে পালন করা হয় শহীদ জিয়ার শাহদাৎ বার্ষিকী ইফতার ও দোয়া মাহফিল ,কিন্তু বাধসাধে মওদুদ আহমেদ বাডি্র উচ্ছেদ এর প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা নিয়ে বি এন পি’র সভাপতি প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী মন্জুরুল আলম নিজ থেকে সেলফোনে আহবান জানান অপর দুই অংশ কে প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণ করার জন্য .এক অংশ আসবে বলে নিরবতা পালন করলেও অপর অংশ পাশের একটি হোটেল নতুন আবির্ভাবে একটি অংগসংগঠনের ব্যানার করেন একই অনুষ্টান ।
IMG_6965শুরু হয়ে যায় তিক্তথা  বাড়তে থাকে দুরত্ব আবারও .এরই মাঝে চলে আসে জনগনের কাছে গুন্জন. কোনো ব্যক্তির নাম সাধারন সম্পাদক হিসেবে মুকিব সাহেব ঘোষনা করতে পারেন ।তাদের স্বগ্রুপে থাকা কর্মিদের দ্বারা প্রচারিত হতে থাকে সেই নাম। অন্যদিকে আতংকের মাঝে আছেন কুয়েত বি এন পি’র কেন্দ্রীয় নেতারা কর্মিরা. ডাকা হয় জরুরী সভা.আর তারই বহিপ্রকাশ ঘটে গতকাল ১৫ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা থেকে মধ্যে রাত ১:১৫ মিনিট পর্যন্ত উম্মুক্ত আলোচনা সভায়. জরুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন মূল অংশের সভাপতি প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন ও  সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী মন্জুরুল আলম পরিচালনায় উন্মুক্ত আলোচনায় সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ তৃণমূলকর্মিরা সরাসরি সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক কে দোষারূপ করে বলেন যারা দল থেকে বের হয়ে গিয়ে গ্রুপ সৃষ্টি করে. তারা যদি গ্রুপিং কারনে মূল নেতৃত্বে আসতে পারে . তাহলে আগামীতে ৩ থেকে ৯ ভাগে বিভক্ত হবে দল এবং তা অপরিহার্য । সিনিয়র নেতা ও কর্মিরা একই বাক্য বলেন আমরা ২০-২২ বৎসর ধরে অনেক চড়াই উৎরাই করে দলকে এমন অবস্হানরত নিয়ে এসেছি. আর এখন যে কেউ গ্রুপিং এর কারনে এসে বসে যাবে মূল নেতৃত্বে যোগ্যতা ছাড়া তা আমরা মেনে নেবো না।
সভাপতি আশরাফ ও সাধারন সম্পাদক কাজী মন্জু কে বলেন আপনাদের ব্যার্থতার কারনেই এমনটি হয়েছে।একটি রুপরেখা গঠন করে কেনো দেননি জনাব আহম্মেদ আলী মুকিব সাহেব কে।সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক অকপটে স্বীকার করেন তা তাদের ব্যার্থত এবং অবশ্যই তা উচিত ছিলো ।
বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি নুরুল ইসলাম মাষ্টার. সহসভাপতি সোয়েব আহমেদ .সহসভাপতি মাঈন উদ্দিন.যুগ্মসম্পাদক আক্তারুজামান. সাংগঠনিক সম্পাদক মায়মুন আহমেদ.সহ সাংগঠনিক তোহা মিলন. প্রচার সম্পাদক খোকন আহমেদ.মহানগর বি এন পি’র সভাপতি মোস্তফা আহমেদ . কেন্দ্রীয় বি এন পির সদস্য আনসারী সহ বিভিন্ন প্রাদেশিক কমিটির নেতৃবৃন্দরা । বক্তারা বলেন যদি কুয়েত কেন্দ্রীয় বি এন পি’র কমিটিতে অযোগ্য কাউকে চাপিয়ে দেওয়া হয়. তাহলে সেই কমিটিকে প্রত্যাকান করা হবে বলে হুসিয়ারী দেন নেতা কর্মিরা ।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments


deshdiganto.com © 2019 কপিরাইট এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

design and development by : http://webnewsdesign.com