ঢাকা , রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে বন্যায় ৫০ গ্রাম প্লাবিত

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০১৭
  • / ১২৭৩ টাইম ভিউ

হঠাৎ বন্যায় মৌলভীবাজারে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মনু নদের পর ধলাই নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় বসতবাড়ি, আউশ ধান ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। নদীর পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এদিকে ঝুঁকিতে রয়েছে মৌলভীবাজার পৌর শহরও। মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান জানান,  মনু নদীর পশ্চিম বাজার এলাকায় পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহ হতে শুরু করায় শহর নিয়ে দুশ্চিন্তা করা হচ্ছে।   মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম জানান, সোমবার পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি ছিলেন। সোমবার রাতে ও আজ মঙ্গলবার সকালে পানি কমে যাওয়ায় এই মুহূর্তে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি আছেন।তিনি জানান, এই মুহূর্তে রাজনগর উপজেলার কামার চাক ও টেংরা ইউনিয়নের বেশ কিছু জায়গায় পানি রয়েছে এবং কুলাউড়ার নিশ্চিন্তপুর কমলগঞ্জের আলে পুর এলাকা থেকে এখনো পানি নামেনি। তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের সহায়তা করা হবে। এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে কিছু ত্রাণ দেয়াও হচ্ছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারে বন্যায় ৫০ গ্রাম প্লাবিত

আপডেটের সময় : ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০১৭

হঠাৎ বন্যায় মৌলভীবাজারে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মনু নদের পর ধলাই নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় বসতবাড়ি, আউশ ধান ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। নদীর পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এদিকে ঝুঁকিতে রয়েছে মৌলভীবাজার পৌর শহরও। মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান জানান,  মনু নদীর পশ্চিম বাজার এলাকায় পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহ হতে শুরু করায় শহর নিয়ে দুশ্চিন্তা করা হচ্ছে।   মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম জানান, সোমবার পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি ছিলেন। সোমবার রাতে ও আজ মঙ্গলবার সকালে পানি কমে যাওয়ায় এই মুহূর্তে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি আছেন।তিনি জানান, এই মুহূর্তে রাজনগর উপজেলার কামার চাক ও টেংরা ইউনিয়নের বেশ কিছু জায়গায় পানি রয়েছে এবং কুলাউড়ার নিশ্চিন্তপুর কমলগঞ্জের আলে পুর এলাকা থেকে এখনো পানি নামেনি। তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের সহায়তা করা হবে। এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে কিছু ত্রাণ দেয়াও হচ্ছে।