ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারের মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে চলছে নি¤œমানের মেরামত!

দেশদিগন্ত ডেক্স
  • আপডেটের সময় : ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮
  • / ১১২৯ টাইম ভিউ

মৌলভীবাজারের মনু নদীর অধিক ঝুকিপূর্ন ২০টি স্থানের বাঁধ মেরামতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবী ছিল, প্যালাসাইটিং পিলার বসিয়ে ব্লক নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ মেরামত। কিন্তু ২০ টি পয়েন্টে বাঁশ ও চাটাই দিয়ে গড় বাধা হচ্ছে। যা সামান্য পানির ¯্রােতে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে।

জানা যায়, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা অংশে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ ১১ টি পয়েন্ট এবং রাজনগর উপজেলার ৯টিসহ মোট ২০টি পয়েন্টে কাজের জন্য ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে এমন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

আর পাউবো বলছে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিটি পয়েন্টে কাজের বিস্তারিত বর্ননা সংবলিত সাইনবোর্ড টানিয়ে দেবে। এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন সরেজমিন কুলাউড়া অংশের বাঁধ মেরামত কাজ পরিদর্শণ করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, মনু নদীর কুলাউড়া উপজেলা অংশে বেলেরতল-আলিনগর, রাজাপুর, কলিকোনা, আশ্রয়গ্রাম, জালালপুর, চাতলাপুর, তেলিবিল, মাতাবপুর, মিয়ারপাড়া, সন্দ্রাবাজ, বালিয়া এবং রাজনগর উপজেলায় চাটিকোনগাঁও, মেলাগড়, কাজিরচক, ভোলানগর, খাসপ্রেমনগর, প্রেমনগর, উজিরপুর, একামধুসহ ২০টি পয়েন্টে মেরামত কাজ চলছে।

পৃথিমপাশা ইউনিয়নের বেলেরতল-আলিনগর এলাকায় যে মেরামত কাজ চলছে, তাতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ইউপি মেম্বার আব্দুল মনাফ, ছাত্রনেতা ফয়জুল হক, জিয়াউর রহমান ফরিদ জানান, ঠিকাদারের লোকজন নামকাওয়াস্তে নি¤œমানের বাঁশ আর চাটাই দিয়ে প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ শেষ করতে চাইছে। এভাবে কাজ সম্পাদন করলে সামান্য পানির ¯্রােতে সবকিছু ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে। আমরা বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মতিনকে অবহিত করেছি। তিনি সরেজমিন মেরামত কাজ পরিদর্শণ করেছেন।

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়। বিষয়টি হলো এটা অস্থায়ী কাজ, ২০টি পয়েন্টে মেরামত কাজে বরাদ্ধ একদম কম আর চাহিদা ব্যাপক। এই স্বল্প বরাদ্ধ নিয়ে চেষ্টা করছি কাজ সম্পাদন করার। স্বচ্ছতার জন্য প্রতিটি পয়েন্টে কাজের বিবরণসহ সাইনবোর্ড লাগানোর নির্দেশনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সাইনবোর্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া মনুসহ ৩টি নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে স্থায়ী কাজ করানোর জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। নদী ড্রেজিংসহ প্রতিরক্ষা বাঁধে শিগগিরই কাজ করা হবে।#

পোস্ট শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে চলছে নি¤œমানের মেরামত!

আপডেটের সময় : ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮

মৌলভীবাজারের মনু নদীর অধিক ঝুকিপূর্ন ২০টি স্থানের বাঁধ মেরামতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবী ছিল, প্যালাসাইটিং পিলার বসিয়ে ব্লক নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ মেরামত। কিন্তু ২০ টি পয়েন্টে বাঁশ ও চাটাই দিয়ে গড় বাধা হচ্ছে। যা সামান্য পানির ¯্রােতে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে।

জানা যায়, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা অংশে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ ১১ টি পয়েন্ট এবং রাজনগর উপজেলার ৯টিসহ মোট ২০টি পয়েন্টে কাজের জন্য ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে এমন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

আর পাউবো বলছে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিটি পয়েন্টে কাজের বিস্তারিত বর্ননা সংবলিত সাইনবোর্ড টানিয়ে দেবে। এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন সরেজমিন কুলাউড়া অংশের বাঁধ মেরামত কাজ পরিদর্শণ করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, মনু নদীর কুলাউড়া উপজেলা অংশে বেলেরতল-আলিনগর, রাজাপুর, কলিকোনা, আশ্রয়গ্রাম, জালালপুর, চাতলাপুর, তেলিবিল, মাতাবপুর, মিয়ারপাড়া, সন্দ্রাবাজ, বালিয়া এবং রাজনগর উপজেলায় চাটিকোনগাঁও, মেলাগড়, কাজিরচক, ভোলানগর, খাসপ্রেমনগর, প্রেমনগর, উজিরপুর, একামধুসহ ২০টি পয়েন্টে মেরামত কাজ চলছে।

পৃথিমপাশা ইউনিয়নের বেলেরতল-আলিনগর এলাকায় যে মেরামত কাজ চলছে, তাতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ইউপি মেম্বার আব্দুল মনাফ, ছাত্রনেতা ফয়জুল হক, জিয়াউর রহমান ফরিদ জানান, ঠিকাদারের লোকজন নামকাওয়াস্তে নি¤œমানের বাঁশ আর চাটাই দিয়ে প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ শেষ করতে চাইছে। এভাবে কাজ সম্পাদন করলে সামান্য পানির ¯্রােতে সবকিছু ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে। আমরা বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মতিনকে অবহিত করেছি। তিনি সরেজমিন মেরামত কাজ পরিদর্শণ করেছেন।

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়। বিষয়টি হলো এটা অস্থায়ী কাজ, ২০টি পয়েন্টে মেরামত কাজে বরাদ্ধ একদম কম আর চাহিদা ব্যাপক। এই স্বল্প বরাদ্ধ নিয়ে চেষ্টা করছি কাজ সম্পাদন করার। স্বচ্ছতার জন্য প্রতিটি পয়েন্টে কাজের বিবরণসহ সাইনবোর্ড লাগানোর নির্দেশনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সাইনবোর্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া মনুসহ ৩টি নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে স্থায়ী কাজ করানোর জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। নদী ড্রেজিংসহ প্রতিরক্ষা বাঁধে শিগগিরই কাজ করা হবে।#