ঢাকা , রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
পর্তুগাল এ ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি উন্মোচন লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা

মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে–আহমেদ আলী মুকিবের অভিনন্দন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • / ২৫৫ টাইম ভিউ

সৌদিআরব বিএনপির আহ্বায়ক আহমেদ আলী মুকিবের অভিনন্দন মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়াপারর্সন বেগম খালেদা জিয়াকে—-

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে অসামান্য অবদানের জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন, আপোসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস্ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন’ “মাদার অব ডেমোক্রেসি” সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল সৌদিআরব শাখার আহ্বায়ক মধ্যপ্রাচ্য সাংগঠনিক সমন্বয়ক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আহমেদ আলী মুকিব মধ্যপ্রাচ্য বিএনপির পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার “মাদার অব ডেমোক্রেসি” সম্মাননা বর্তমান বাংলাদেশে নিখোঁজ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুসংহতকরণ এবং সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকারসহ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।এই পুরস্কার প্রদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন মুকিব। সেইসাথে কানাডিয়ান মানবাধিকার সংস্থা সিএইচআরআইও’র উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি।মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এর অকাল প্রয়ানের পর ভুলুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর রাজপথের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯০ সালে ৬ ডিসেম্বর দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেন। ১৯৯১ সালে সুষ্ঠু, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভ করে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন এবং বাংলাদেশের মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য দেশবিরোধী চক্রের ষড়যন্ত্রের ফলে ১/১১ নামে কুখ্যাত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা সহ সকল অধিকার সংকুচিত করে। বর্তমান সরকারও তার ধারাবাহিকতায় আরো কর্তৃত্ববাদী আচরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্রহীনতায় নিয়ে গেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার তথা সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আপোষহীনভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে–আহমেদ আলী মুকিবের অভিনন্দন

আপডেটের সময় : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

সৌদিআরব বিএনপির আহ্বায়ক আহমেদ আলী মুকিবের অভিনন্দন মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়াপারর্সন বেগম খালেদা জিয়াকে—-

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে অসামান্য অবদানের জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন, আপোসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস্ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন’ “মাদার অব ডেমোক্রেসি” সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল সৌদিআরব শাখার আহ্বায়ক মধ্যপ্রাচ্য সাংগঠনিক সমন্বয়ক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আহমেদ আলী মুকিব মধ্যপ্রাচ্য বিএনপির পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার “মাদার অব ডেমোক্রেসি” সম্মাননা বর্তমান বাংলাদেশে নিখোঁজ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুসংহতকরণ এবং সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকারসহ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।এই পুরস্কার প্রদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন মুকিব। সেইসাথে কানাডিয়ান মানবাধিকার সংস্থা সিএইচআরআইও’র উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি।মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এর অকাল প্রয়ানের পর ভুলুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর রাজপথের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯০ সালে ৬ ডিসেম্বর দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেন। ১৯৯১ সালে সুষ্ঠু, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভ করে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন এবং বাংলাদেশের মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য দেশবিরোধী চক্রের ষড়যন্ত্রের ফলে ১/১১ নামে কুখ্যাত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা সহ সকল অধিকার সংকুচিত করে। বর্তমান সরকারও তার ধারাবাহিকতায় আরো কর্তৃত্ববাদী আচরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্রহীনতায় নিয়ে গেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার তথা সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আপোষহীনভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছেন।