ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

ভোররাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০
  • / ৪৬৮ টাইম ভিউ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী মাপের একটি ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬। যদিও কম্পনের ফলে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) ভোররাতে পাপুয়া প্রদেশে কম্পনটি অনুভূত হয়। ৬ মাত্রার হওয়ায় এটিকে অত্যন্ত জোরালো ভূমিকম্পই বলা চলে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ছিল প্রাদেশিক রাজধানী জয়াপুরা থেকে প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার দূরে (৯৮ মাইল)। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার নিচে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ারে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই এমন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরের এক শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং সুনামির আঘাতে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশের প্রায় দুই লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।

পোস্ট শেয়ার করুন

ভোররাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

আপডেটের সময় : ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী মাপের একটি ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬। যদিও কম্পনের ফলে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) ভোররাতে পাপুয়া প্রদেশে কম্পনটি অনুভূত হয়। ৬ মাত্রার হওয়ায় এটিকে অত্যন্ত জোরালো ভূমিকম্পই বলা চলে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ছিল প্রাদেশিক রাজধানী জয়াপুরা থেকে প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার দূরে (৯৮ মাইল)। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার নিচে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ারে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই এমন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরের এক শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং সুনামির আঘাতে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশের প্রায় দুই লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।