ঢাকা , শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ভারত ও নেপালে বন্যায় মারা গেলেন ১৮৯ জন

দেশ দিগন্ত আন্তজার্তিক ডেক্স:
  • আপডেটের সময় : ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • / ৪৯৭ টাইম ভিউ

নেপাল ও ভারতের আসামে মৌসুমি বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গৃহহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় ৪ কোটি মানুষ। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে।

চীনের তিব্বত থেকে ভারত ও বাংলাদেশ হয় প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধির ফলে ফসল নষ্ট ও ভূমিধস হয়েছে এবং কয়েক কোটি মানুষ গৃহহারা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। আসামের এক রাজ্য কর্মকর্তা জানান, মে মাসের শেষ দিক হতে শুরু হওয়া তিন ধাপের বন্যায় ২৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৭৯ জনের।

এ ব্যাপারে আসামের পানি সম্পদমন্ত্রী কেশাব মহন্ত বলেন, বন্যা পরিস্থিতির এখনও অবনতি বিদ্যমান। বেশিরভাগ নদীর পানিই বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারতের এই রাজ্যটি এক সঙ্গে করোনা মহামারি ও বন্যার কবলে পড়েছে। ৩৩টি জেলার মধ্যে ২৫টিতে করোনা রোগী রয়েছে।

এদিকে, প্রতিবেশী দেশ নেপালের সরকার রবিবার জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। জুন থেকে শুরু হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক প্রাণহানি হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মুরারি ওয়াস্তি জানিয়েছেন, এখনও ৪৮ জন নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তল্লাশী ও উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুব কম।#

পোস্ট শেয়ার করুন

ভারত ও নেপালে বন্যায় মারা গেলেন ১৮৯ জন

আপডেটের সময় : ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

নেপাল ও ভারতের আসামে মৌসুমি বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গৃহহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় ৪ কোটি মানুষ। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে।

চীনের তিব্বত থেকে ভারত ও বাংলাদেশ হয় প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধির ফলে ফসল নষ্ট ও ভূমিধস হয়েছে এবং কয়েক কোটি মানুষ গৃহহারা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। আসামের এক রাজ্য কর্মকর্তা জানান, মে মাসের শেষ দিক হতে শুরু হওয়া তিন ধাপের বন্যায় ২৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৭৯ জনের।

এ ব্যাপারে আসামের পানি সম্পদমন্ত্রী কেশাব মহন্ত বলেন, বন্যা পরিস্থিতির এখনও অবনতি বিদ্যমান। বেশিরভাগ নদীর পানিই বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারতের এই রাজ্যটি এক সঙ্গে করোনা মহামারি ও বন্যার কবলে পড়েছে। ৩৩টি জেলার মধ্যে ২৫টিতে করোনা রোগী রয়েছে।

এদিকে, প্রতিবেশী দেশ নেপালের সরকার রবিবার জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। জুন থেকে শুরু হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক প্রাণহানি হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মুরারি ওয়াস্তি জানিয়েছেন, এখনও ৪৮ জন নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তল্লাশী ও উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুব কম।#