ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘বেহুলার বাসরঘরের দরজার ছিদ্রের কথা আওয়ামী লীগ ভুলে গেছে’

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯
  • / ৮৩১ টাইম ভিউ

আওয়ামী লীগ আকাশছোঁয়া অহংকারে ভুগছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অহংকারের কারণে তাদের পতন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। তারা নিজেদের ক্ষমতাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপদ মনে করলেও তারা বেহুলার বাসরঘরের দরজার ছিদ্রের কথা ভুলে গেছেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে শনিবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার সাড়ে ১০টায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তিতে সরকার বাধা সৃষ্টি কররে অভিযোগ করে মানববন্ধনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের নির্দেশে জামিনযোগ্য মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আটকিয়ে রেখে মুক্তিতে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারের বাধার কারণে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিহিংসার আগুনে দেশনেত্রীর জীবন এখন সংকটাপন্ন। আমররা দেশনেত্রীর অবনতিশীল শারীরিক অবস্থা নিয়ে বারবার তার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানালেও সরকার গায়ের জোরে সেই দাবিকে অগ্রাহ্য করছে।

”সরকারের অবহেলায় এবং প্রতিহিংসা পূরণের ফলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কোন ক্ষতি হলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে। আমি আবারও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।”

‘বেগম জিয়া বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেন না’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী আহমেদ বলেন, আসলেই আওয়ামী সরকারের ওপরেই নির্ভর করছে বেগম জিয়ার জীবন-মৃত্যু। তারা দেশনেত্রীর অসুস্থতা নিয়েও বিদ্রুপ করছেন। তারা এখন আকাশছোঁয়া অহংকারে ভুগছেন। অহংকারের কারণে তাদের পতন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। এসব বক্তব্য অমানবিক ও মনুষ্যত্বহীন। এরা নিজেদের ক্ষমতাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপদ মনে করলেও বেহুলার বাসর ঘরের দরজায় ছিদ্রের কথা ভুলে গেছেন।

মিছিলে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরজাহান ইয়াসমিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা ইয়াসমিন আতিকা, মহিলা দল নেত্রী মুকুল আক্তার অনা, শাহজাদী কহিনুর পাঁপড়ী, এলিজা মুন্নী, শাহিদা মির্জা, মুনমুন আক্তার, নীলুফার ইয়াসমিন, শিল্পী রেজা, রুমা আক্তার, আজমেরী আজিম, তানজীম ইসলাম লিলি, মম আক্তার, মাসুদা খান লতা, নাজিয়া হক রুনা, রুখসানা মির্জা প্রমুখ নেতাকর্মী অংশ নেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

‘বেহুলার বাসরঘরের দরজার ছিদ্রের কথা আওয়ামী লীগ ভুলে গেছে’

আপডেটের সময় : ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯

আওয়ামী লীগ আকাশছোঁয়া অহংকারে ভুগছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অহংকারের কারণে তাদের পতন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। তারা নিজেদের ক্ষমতাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপদ মনে করলেও তারা বেহুলার বাসরঘরের দরজার ছিদ্রের কথা ভুলে গেছেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে শনিবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার সাড়ে ১০টায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তিতে সরকার বাধা সৃষ্টি কররে অভিযোগ করে মানববন্ধনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের নির্দেশে জামিনযোগ্য মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আটকিয়ে রেখে মুক্তিতে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারের বাধার কারণে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিহিংসার আগুনে দেশনেত্রীর জীবন এখন সংকটাপন্ন। আমররা দেশনেত্রীর অবনতিশীল শারীরিক অবস্থা নিয়ে বারবার তার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানালেও সরকার গায়ের জোরে সেই দাবিকে অগ্রাহ্য করছে।

”সরকারের অবহেলায় এবং প্রতিহিংসা পূরণের ফলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কোন ক্ষতি হলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে। আমি আবারও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।”

‘বেগম জিয়া বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেন না’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী আহমেদ বলেন, আসলেই আওয়ামী সরকারের ওপরেই নির্ভর করছে বেগম জিয়ার জীবন-মৃত্যু। তারা দেশনেত্রীর অসুস্থতা নিয়েও বিদ্রুপ করছেন। তারা এখন আকাশছোঁয়া অহংকারে ভুগছেন। অহংকারের কারণে তাদের পতন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। এসব বক্তব্য অমানবিক ও মনুষ্যত্বহীন। এরা নিজেদের ক্ষমতাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপদ মনে করলেও বেহুলার বাসর ঘরের দরজায় ছিদ্রের কথা ভুলে গেছেন।

মিছিলে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরজাহান ইয়াসমিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা ইয়াসমিন আতিকা, মহিলা দল নেত্রী মুকুল আক্তার অনা, শাহজাদী কহিনুর পাঁপড়ী, এলিজা মুন্নী, শাহিদা মির্জা, মুনমুন আক্তার, নীলুফার ইয়াসমিন, শিল্পী রেজা, রুমা আক্তার, আজমেরী আজিম, তানজীম ইসলাম লিলি, মম আক্তার, মাসুদা খান লতা, নাজিয়া হক রুনা, রুখসানা মির্জা প্রমুখ নেতাকর্মী অংশ নেন।