ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি ইতালির ভিসেন্সায় সিলেট ডায়নামিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের খোলা চিঠি

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮
  • / ১১৩৮ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:  শিলং, ২৭ ডিসেম্বর- কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ভারতের শিলং থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন। খোলা চিঠিটির শিরোনাম দেয়া হয়েছে, ‘শিলং থেকে আমি সালাহউদ্দিন আহমদ বলছি’।

আগামী ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি এ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ের কথা তুলে ধরেছেন। পাঠকদের জন্য সালাহউদ্দিন আহমদের সেই চিঠিটি তুলে ধরা হলো-

‘শিলং থেকে আমি সালাহউদ্দিন আহমদ বলছি

প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।

প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইল। অনেক দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে নির্বাসিত জীবনের বেদনা নিয়ে লিখতে বসেছি। বড় সাধ জাগে মনে, একবার আপনাদের মাঝে আসি; দেশের মাটি স্পর্শ করি; আলিঙ্গন করি আমার দেশবাসীর সাথে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, আজো প্রতীক্ষার সমাপ্তি হলো না।

বাংলাদেশের গণমানুষের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্জন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্টে বন্দী। স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সংগ্রামী পুরুষ, বাংলার গণমানুষের ভবিষ্যৎ কান্ডারী জননেতা জনাব তারেক রহমান আজো নির্বাসনে। এ সবই একই সূত্রে গাঁথা, বর্তমান অবৈধ অনির্বাচিত আওয়ামী বাকশালী স্বৈরশাসক প্রযোজিত ও পরিচালিত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রেরই অংশ।

সারাবাংলায় বাতাসে আজ লাশের গন্ধ ভেসে বেড়ায়। মাঠে-ঘাটে-প্রান্তরে লাশের ছড়াছড়ি। নদীতে মাছের বদলে লাশ ভেসে ওঠে। গুম, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ যেন দৈনন্দিনের নিয়মিত কর্মে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন নামে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষদের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড মহামারি আকার ধারণ করেছে। নাগরিকদের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতকে দেউলিয়া করে দিয়েছে সরকার দলীয় লোকেরা। শেয়ার বাজার লুট করে লাখ লাখ বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করেছে এ আওয়ামী লুটেরা বাহিনী। মোটকথা দেশে লুণ্ঠনের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন চালু করেছে আওয়ামী লীগ।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে আইনের শাসনকে নির্বাসিত করা হয়েছে। যে দেশে প্রধান বিচারপতিকে বন্দুকের নলের মুখে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয় সে দেশে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়া অলীক স্বপ্ন মাত্র।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে বাক, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। নাগরিকের প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে মানুষের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার, সাংবিধানিক কোনো অধিকার সুরক্ষিত নেই। এভাবেই বর্তমান অনির্বাচিত অবৈধ আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। মানুষের ভোটের অধিকারকে হরণ করেছে। সমগ্র দেশটাই যেন আজ কারাগারে পরিণত হয়েছে। সংক্ষিপ্ত পরিসরে আওয়ামী দুঃশাসন-নির্যাতন-নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগের ইতিহাস গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস।

এমনি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন বিলুপ্তপ্রায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন, স্বৈরাচারী আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীকে পরাজিত করে জনগণের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকারসহ সকল সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। কথা বলার অধিকার, প্রতিবাদের অধিকার আদায় ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে সুসংহত করার সর্বশেষ সুযোগ এই নির্বাচন।

সুতরাং, আসুন, দেশরক্ষার স্বার্থে, গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে, আইনের শাসন ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক ধানের শীষকে জয়যুক্ত করি। অবৈধ আওয়ামী স্বৈরচারের গুম, খুন, অপহরণ-নির্যাতন-নিপীড়ন-হামলা-মামলার কবল থেকে দেশের জনগণকে রক্ষার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করি। আমাদের সন্তানদের জন্য সুন্দর নিরাপদ বসবাসযোগ্য গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এই ভোটযুদ্ধে ব্যালটের মাধ্যমে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা ছাড়া বিকল্প নেই। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, সন্তানহারা মায়ের অশ্রুজলে নৌকা এবার ডুবে যাবে ইনশাআল্লাহ।

প্রাণপ্রিয় চকরিয়া ও পেকুয়ার সম্মানিত জনগণ, আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনারা আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে বারবার ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে জয়যুক্ত করে জাতীয় সংসদে প্রেরণ করেছেন। আপনাদের কাছে আমরা চিরজীবন ভালোবাসার ঋণে আবদ্ধ আছি এবং থাকব। এলাকার মাটি ও মানুষের সেবায় সারাজীবন কাজ করেছি। এলাকার উন্নয়নের সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের যা কিছু অসম্পূর্ণ আছে তার সবকিছুই ইনশাআল্লাহ ধানের শীষের সরকার গঠিত হলে বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আজকে দেশ ও জাতির এই চরম ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের কারণে আমি বিদেশের মাটিতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছি। আপনাদের দুয়ারে আমার প্রিয়তমা সহধর্মিণীকে প্রেরণ করেছি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে। ধানের শীষকে জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রার্থী মনে করে আশা করি আপনাদের পুত্রবধূ অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে জয়যুক্ত করবেন।

আল্লাহ্ হাফেজ, আল্লাহ্ আমাদের সহায় হোন।

বিনীত-
সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপি।’

পোস্ট শেয়ার করুন

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের খোলা চিঠি

আপডেটের সময় : ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:  শিলং, ২৭ ডিসেম্বর- কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ভারতের শিলং থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন। খোলা চিঠিটির শিরোনাম দেয়া হয়েছে, ‘শিলং থেকে আমি সালাহউদ্দিন আহমদ বলছি’।

আগামী ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি এ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ের কথা তুলে ধরেছেন। পাঠকদের জন্য সালাহউদ্দিন আহমদের সেই চিঠিটি তুলে ধরা হলো-

‘শিলং থেকে আমি সালাহউদ্দিন আহমদ বলছি

প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।

প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইল। অনেক দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে নির্বাসিত জীবনের বেদনা নিয়ে লিখতে বসেছি। বড় সাধ জাগে মনে, একবার আপনাদের মাঝে আসি; দেশের মাটি স্পর্শ করি; আলিঙ্গন করি আমার দেশবাসীর সাথে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, আজো প্রতীক্ষার সমাপ্তি হলো না।

বাংলাদেশের গণমানুষের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্জন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্টে বন্দী। স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সংগ্রামী পুরুষ, বাংলার গণমানুষের ভবিষ্যৎ কান্ডারী জননেতা জনাব তারেক রহমান আজো নির্বাসনে। এ সবই একই সূত্রে গাঁথা, বর্তমান অবৈধ অনির্বাচিত আওয়ামী বাকশালী স্বৈরশাসক প্রযোজিত ও পরিচালিত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রেরই অংশ।

সারাবাংলায় বাতাসে আজ লাশের গন্ধ ভেসে বেড়ায়। মাঠে-ঘাটে-প্রান্তরে লাশের ছড়াছড়ি। নদীতে মাছের বদলে লাশ ভেসে ওঠে। গুম, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ যেন দৈনন্দিনের নিয়মিত কর্মে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন নামে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষদের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড মহামারি আকার ধারণ করেছে। নাগরিকদের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতকে দেউলিয়া করে দিয়েছে সরকার দলীয় লোকেরা। শেয়ার বাজার লুট করে লাখ লাখ বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করেছে এ আওয়ামী লুটেরা বাহিনী। মোটকথা দেশে লুণ্ঠনের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন চালু করেছে আওয়ামী লীগ।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে আইনের শাসনকে নির্বাসিত করা হয়েছে। যে দেশে প্রধান বিচারপতিকে বন্দুকের নলের মুখে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয় সে দেশে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়া অলীক স্বপ্ন মাত্র।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে বাক, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। নাগরিকের প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে মানুষের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার, সাংবিধানিক কোনো অধিকার সুরক্ষিত নেই। এভাবেই বর্তমান অনির্বাচিত অবৈধ আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। মানুষের ভোটের অধিকারকে হরণ করেছে। সমগ্র দেশটাই যেন আজ কারাগারে পরিণত হয়েছে। সংক্ষিপ্ত পরিসরে আওয়ামী দুঃশাসন-নির্যাতন-নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগের ইতিহাস গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস।

এমনি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন বিলুপ্তপ্রায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন, স্বৈরাচারী আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীকে পরাজিত করে জনগণের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকারসহ সকল সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। কথা বলার অধিকার, প্রতিবাদের অধিকার আদায় ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে সুসংহত করার সর্বশেষ সুযোগ এই নির্বাচন।

সুতরাং, আসুন, দেশরক্ষার স্বার্থে, গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে, আইনের শাসন ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক ধানের শীষকে জয়যুক্ত করি। অবৈধ আওয়ামী স্বৈরচারের গুম, খুন, অপহরণ-নির্যাতন-নিপীড়ন-হামলা-মামলার কবল থেকে দেশের জনগণকে রক্ষার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করি। আমাদের সন্তানদের জন্য সুন্দর নিরাপদ বসবাসযোগ্য গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এই ভোটযুদ্ধে ব্যালটের মাধ্যমে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা ছাড়া বিকল্প নেই। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, সন্তানহারা মায়ের অশ্রুজলে নৌকা এবার ডুবে যাবে ইনশাআল্লাহ।

প্রাণপ্রিয় চকরিয়া ও পেকুয়ার সম্মানিত জনগণ, আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনারা আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে বারবার ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে জয়যুক্ত করে জাতীয় সংসদে প্রেরণ করেছেন। আপনাদের কাছে আমরা চিরজীবন ভালোবাসার ঋণে আবদ্ধ আছি এবং থাকব। এলাকার মাটি ও মানুষের সেবায় সারাজীবন কাজ করেছি। এলাকার উন্নয়নের সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের যা কিছু অসম্পূর্ণ আছে তার সবকিছুই ইনশাআল্লাহ ধানের শীষের সরকার গঠিত হলে বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আজকে দেশ ও জাতির এই চরম ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের কারণে আমি বিদেশের মাটিতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছি। আপনাদের দুয়ারে আমার প্রিয়তমা সহধর্মিণীকে প্রেরণ করেছি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে। ধানের শীষকে জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রার্থী মনে করে আশা করি আপনাদের পুত্রবধূ অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে জয়যুক্ত করবেন।

আল্লাহ্ হাফেজ, আল্লাহ্ আমাদের সহায় হোন।

বিনীত-
সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপি।’