ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মামলা, গ্রেফতার ৪

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : ১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
  • / ৩০৪ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: তাহিরপুরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ ৬৭ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়ছে। এ মামলায় বিএনপির চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার বড়দল (উত্তর) ইউনিয়নের কাশতাল গ্রামের রমজান আলীর ছেলে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, একই গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে একই ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এরশাদ মিয়া, দিঘলবাগ গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে ৩নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আলীনুর মিয়া, ব্রাম্মণগাঁও গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে ওয়ার্ড যুবদল নেতা জুয়েল মিয়া। বুধবার রাতে তাদের আটক করা হলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
ওই মামলায় উপজেলার বড়দল (উত্তর) ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কয়লা আমদানিককারক নজরুল শাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনাম উদ্দিন তালুকদার ও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইউপি সদস্য আবু তাহেরসহ বিএনপির ৩৭ নেতাকর্মীর নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্থানীয় জনতা বাজারে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অফিসে ডুকে বিএনপির ২০ থেকে ৩০ নেতাকর্মী ১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধা সাড়ে ৭টার দিকে মামলার বাদী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সেলিমকে কিল ঘুষি লাথি মারিতে থাকেন, চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। এমনকি আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপির ছবি লিফলেট ছিড়ে ফেলা হয়।

মামলার বাদী উপজেলার ব্রাম্মণগাও গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সেলিম হায়দার বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধারাতে জনতা বাজারে প্রথমে বিএনপির কর্মী আবদুর রহমান শ্রমিকলীগ কর্মী শাকিন, আওয়ামী লীগকর্মী নজরুলের সাথে কথাকাটাকাটি হলে প্রতিবাদ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে আমার ওপর হামলা করে অফিসে ঢুকে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর ও দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী পোষ্টার লিফলেট ছিড়ে ফেলে দেয়। তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঐক্যফ্রন্টের উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব জুনাব আলী বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধায় জনতা বাজারে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ’র দু’কর্মীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় লোকজন নিজেরাই তাদের অফিসে ভাঙচুর করে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রার্থী সাবেক এমপি নজির হোসেনের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা থেকে নেতাকর্মীদের দুরে রাখতে হয়রানী করতে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলা দায়ের করেছে। তাহিরপুর থানার মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর করত: ক্ষতিসাধন, নাশকতা ও অন্তর্ঘাত মুলক কার্য সম্পাদনের চেষ্টা ও সহায়তা করার অপরাধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মামলা, গ্রেফতার ৪

আপডেটের সময় : ১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: তাহিরপুরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ ৬৭ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়ছে। এ মামলায় বিএনপির চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার বড়দল (উত্তর) ইউনিয়নের কাশতাল গ্রামের রমজান আলীর ছেলে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, একই গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে একই ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এরশাদ মিয়া, দিঘলবাগ গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে ৩নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আলীনুর মিয়া, ব্রাম্মণগাঁও গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে ওয়ার্ড যুবদল নেতা জুয়েল মিয়া। বুধবার রাতে তাদের আটক করা হলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
ওই মামলায় উপজেলার বড়দল (উত্তর) ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কয়লা আমদানিককারক নজরুল শাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনাম উদ্দিন তালুকদার ও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইউপি সদস্য আবু তাহেরসহ বিএনপির ৩৭ নেতাকর্মীর নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্থানীয় জনতা বাজারে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অফিসে ডুকে বিএনপির ২০ থেকে ৩০ নেতাকর্মী ১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধা সাড়ে ৭টার দিকে মামলার বাদী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সেলিমকে কিল ঘুষি লাথি মারিতে থাকেন, চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। এমনকি আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপির ছবি লিফলেট ছিড়ে ফেলা হয়।

মামলার বাদী উপজেলার ব্রাম্মণগাও গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সেলিম হায়দার বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধারাতে জনতা বাজারে প্রথমে বিএনপির কর্মী আবদুর রহমান শ্রমিকলীগ কর্মী শাকিন, আওয়ামী লীগকর্মী নজরুলের সাথে কথাকাটাকাটি হলে প্রতিবাদ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে আমার ওপর হামলা করে অফিসে ঢুকে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর ও দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী পোষ্টার লিফলেট ছিড়ে ফেলে দেয়। তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঐক্যফ্রন্টের উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব জুনাব আলী বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধায় জনতা বাজারে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ’র দু’কর্মীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় লোকজন নিজেরাই তাদের অফিসে ভাঙচুর করে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রার্থী সাবেক এমপি নজির হোসেনের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা থেকে নেতাকর্মীদের দুরে রাখতে হয়রানী করতে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলা দায়ের করেছে। তাহিরপুর থানার মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর করত: ক্ষতিসাধন, নাশকতা ও অন্তর্ঘাত মুলক কার্য সম্পাদনের চেষ্টা ও সহায়তা করার অপরাধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।