ঢাকা , সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি

বালিশকাণ্ডের’ প্রকৌশলীর ছবি-ফোন নম্বর ভাইরাল

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯
  • / ৫০৫ টাইম ভিউ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আবাসিক কর্মকর্তাদের জন্য মালামাল ক্রয় ও তা ফ্ল্যাটে উত্তোলনের জন্য অস্বাভাবিক দরের বিষয়টি সবার জানা। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে খবর প্রকাশের পর তা রীতিমত বোমা ফাটিয়েছে। এরপর দেশ বিদেশে এমন সমুদ্র চুরির বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ায় এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটিও করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

প্রশ্ন উঠছে এর পেছনে যারা রয়েছেন তাদের নিয়ে। কারা এই ‘বালিশ কাণ্ডের’ অনুমোদনকারী? কাদের স্বাক্ষরে বিল প্রস্তুত হয় কিংবা কাদের সহায়তায় ঠিকাদাররা এমন অদ্ভুত বিল জমা দিয়ে টাকা তোলার অনুমতি পান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দাবি করা হচ্ছে- ‘ছবির ব্যক্তির নাম মাসুদুল আলম। তিনি ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী। সেখানে ০১৭১৫-০০৪২৩৮ এই নম্বরটি উল্লেখ করে বলা হয় এখন থেকে দুর্নীতিবাজদের ছবি ভাইরাল করুন। যাতে অন্যরা সাবধান হয়ে যায়। এটা তার মোবাইল নম্বর, সবাই চোর লিখে মেসেজ দিন’।

তবে উল্লেখিত নম্বরটিতে একাধিকবার কল দিয়েও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিবারই নম্বরটি ব্যস্ত পাওয়া গেছে।

 

পোস্ট শেয়ার করুন

বালিশকাণ্ডের’ প্রকৌশলীর ছবি-ফোন নম্বর ভাইরাল

আপডেটের সময় : ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আবাসিক কর্মকর্তাদের জন্য মালামাল ক্রয় ও তা ফ্ল্যাটে উত্তোলনের জন্য অস্বাভাবিক দরের বিষয়টি সবার জানা। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে খবর প্রকাশের পর তা রীতিমত বোমা ফাটিয়েছে। এরপর দেশ বিদেশে এমন সমুদ্র চুরির বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ায় এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটিও করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

প্রশ্ন উঠছে এর পেছনে যারা রয়েছেন তাদের নিয়ে। কারা এই ‘বালিশ কাণ্ডের’ অনুমোদনকারী? কাদের স্বাক্ষরে বিল প্রস্তুত হয় কিংবা কাদের সহায়তায় ঠিকাদাররা এমন অদ্ভুত বিল জমা দিয়ে টাকা তোলার অনুমতি পান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দাবি করা হচ্ছে- ‘ছবির ব্যক্তির নাম মাসুদুল আলম। তিনি ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী। সেখানে ০১৭১৫-০০৪২৩৮ এই নম্বরটি উল্লেখ করে বলা হয় এখন থেকে দুর্নীতিবাজদের ছবি ভাইরাল করুন। যাতে অন্যরা সাবধান হয়ে যায়। এটা তার মোবাইল নম্বর, সবাই চোর লিখে মেসেজ দিন’।

তবে উল্লেখিত নম্বরটিতে একাধিকবার কল দিয়েও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিবারই নম্বরটি ব্যস্ত পাওয়া গেছে।