ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭
  • / ১১৪৭ টাইম ভিউ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দু’দেশের পারস্পরিক কল্যাণে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
সফররত রাজকীয় থাই সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস জেনারেল সুরাপং সুয়ানা এডিথ আজ বিকেলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দু’দেশ পর্যটন বিকাশে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে। তিনি থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
জেনারেল সুরাপং সুয়ানা এডিথ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানেরও প্রশংসা করেন।
থাই প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের প্রশংসা করেন।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলের মানুষকে রক্ষায় বঙ্গবন্ধুই প্রথম এ ধরনের বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করেছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

আপডেটের সময় : ১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দু’দেশের পারস্পরিক কল্যাণে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
সফররত রাজকীয় থাই সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস জেনারেল সুরাপং সুয়ানা এডিথ আজ বিকেলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দু’দেশ পর্যটন বিকাশে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে। তিনি থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
জেনারেল সুরাপং সুয়ানা এডিথ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানেরও প্রশংসা করেন।
থাই প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের প্রশংসা করেন।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলের মানুষকে রক্ষায় বঙ্গবন্ধুই প্রথম এ ধরনের বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করেছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।