ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ১.৬ শতাংশে নামতে পারে: বিশ্বব্যাংক

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০
  • / ৪৩৬ টাইম ভিউ

নিউজ ডেস্ক:
বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। এমন পরিস্থিতিতে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। সোমবার রাতে বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস-২০২০ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি হয়েছিল রেকর্ড ৮.১৩ শতাংশ। দেশে করোনা সংকট সেই অবস্থা থেকে এবার নামিয়ে দিতে পারে মাত্র ১.৬ শতাংশে। কোভিড-১৯ বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালানো কারণে দেশের শিল্পপণ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে রপ্তানির পরিমাণও কমে গেছে। এছাড়া করোনাকালীন প্রবাসী আয়ও অনেক নিম্নমুখী।
বিশ্বব্যাংক জানায়, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পণ্য ভোগ ও উৎপাদন অত্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। এসব অঞ্চলের পর্যটন ও অন্যান্য শিল্পখাত চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস-২০২০ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ধারাবাহিকভাবে লকডাউনের কারণে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ব্যক্তি পর্যায়ের ভোগ খুব কম হয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত পোশাকশিল্পে উৎপাদন, বিক্রি ও রপ্তানি তলানিতে নেমেছে। মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে নিকট ভবিষ্যতেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দারিদ্র্যের কষাঘাত নেমে আসবে বলেও প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২৬শে মার্চ থেকে দুই মাসের বেশি সময় চলা লকডাউনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ৩.৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পেতে পারে বলে আভাস দিয়েছিলো আইএমএফ।

পোস্ট শেয়ার করুন

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ১.৬ শতাংশে নামতে পারে: বিশ্বব্যাংক

আপডেটের সময় : ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

নিউজ ডেস্ক:
বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। এমন পরিস্থিতিতে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। সোমবার রাতে বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস-২০২০ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি হয়েছিল রেকর্ড ৮.১৩ শতাংশ। দেশে করোনা সংকট সেই অবস্থা থেকে এবার নামিয়ে দিতে পারে মাত্র ১.৬ শতাংশে। কোভিড-১৯ বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালানো কারণে দেশের শিল্পপণ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে রপ্তানির পরিমাণও কমে গেছে। এছাড়া করোনাকালীন প্রবাসী আয়ও অনেক নিম্নমুখী।
বিশ্বব্যাংক জানায়, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পণ্য ভোগ ও উৎপাদন অত্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। এসব অঞ্চলের পর্যটন ও অন্যান্য শিল্পখাত চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস-২০২০ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ধারাবাহিকভাবে লকডাউনের কারণে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ব্যক্তি পর্যায়ের ভোগ খুব কম হয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত পোশাকশিল্পে উৎপাদন, বিক্রি ও রপ্তানি তলানিতে নেমেছে। মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে নিকট ভবিষ্যতেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দারিদ্র্যের কষাঘাত নেমে আসবে বলেও প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২৬শে মার্চ থেকে দুই মাসের বেশি সময় চলা লকডাউনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ৩.৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পেতে পারে বলে আভাস দিয়েছিলো আইএমএফ।