ঢাকা , শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বাংলাদেশের একটি কলঙ্কময় দিন আজ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : ০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৯
  • / ৮৯৬ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ায় আজকের (৩০ জানুয়ারি, বুধবার) দিনটিকে বাংলাদেশের একটি ‘কলঙ্কময়’ দিন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। তিনি বলেন, এই দিনে (৩০ জানুয়ারি) এমন একটি সংসদ বসতে যাচ্ছে, যে সংসদের সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি নয়, তারা বিনা ভোটের প্রতিনিধি।

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভুয়া ভোটের’ সংসদের প্রতিবাদে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু করার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপি।

মঈন খান বলেন, আমরা এটা বলবো না ৩০ তারিখে (৩০ ডিসেম্বর) নির্বাচন হয়েছে। এটা বলবো, ২৯ তারিখ রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আজকে এই সংসদ গঠন করা হয়েছে। এটা আমার কথা নয়, এটা বিশ্বের বড় বড় মিডিয়ার কথা। তারা বলেছে, বাংলাদেশে এটা কোনো নির্বাচন হয়নি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোট ডাকাতি হয়েছে মন্তব্য করে মঈন খান বলেন, একাদশ সংসদ কোনো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তারা ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ১১ ডিসেম্বর (২০১৮) প্রথম প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে এই সংসদ গঠন করা হয়েছে। যারা ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য হয়েছে তারা জনগণের প্রতিনিধি নয়। তারা সন্ত্রাসের প্রতিনিধি। এই নির্বাচন দেশের ১৭ কোটি মানুষ মেনে নেয়নি, নেবেও না। এ সময় তিনি দাবি করে বলেন, আমরা দাবি করছি আগামীতে সত্যিকারের জনগণের ভোটের মাধ্যমে একটি সংসদ গঠিত হোক। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হয়ে তার নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদের যৌথ সঞ্চালনায় মানববন্ধনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

বাংলাদেশের একটি কলঙ্কময় দিন আজ

আপডেটের সময় : ০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ায় আজকের (৩০ জানুয়ারি, বুধবার) দিনটিকে বাংলাদেশের একটি ‘কলঙ্কময়’ দিন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। তিনি বলেন, এই দিনে (৩০ জানুয়ারি) এমন একটি সংসদ বসতে যাচ্ছে, যে সংসদের সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি নয়, তারা বিনা ভোটের প্রতিনিধি।

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভুয়া ভোটের’ সংসদের প্রতিবাদে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু করার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপি।

মঈন খান বলেন, আমরা এটা বলবো না ৩০ তারিখে (৩০ ডিসেম্বর) নির্বাচন হয়েছে। এটা বলবো, ২৯ তারিখ রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আজকে এই সংসদ গঠন করা হয়েছে। এটা আমার কথা নয়, এটা বিশ্বের বড় বড় মিডিয়ার কথা। তারা বলেছে, বাংলাদেশে এটা কোনো নির্বাচন হয়নি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোট ডাকাতি হয়েছে মন্তব্য করে মঈন খান বলেন, একাদশ সংসদ কোনো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তারা ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ১১ ডিসেম্বর (২০১৮) প্রথম প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে এই সংসদ গঠন করা হয়েছে। যারা ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য হয়েছে তারা জনগণের প্রতিনিধি নয়। তারা সন্ত্রাসের প্রতিনিধি। এই নির্বাচন দেশের ১৭ কোটি মানুষ মেনে নেয়নি, নেবেও না। এ সময় তিনি দাবি করে বলেন, আমরা দাবি করছি আগামীতে সত্যিকারের জনগণের ভোটের মাধ্যমে একটি সংসদ গঠিত হোক। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হয়ে তার নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদের যৌথ সঞ্চালনায় মানববন্ধনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।