ঢাকা , রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭
  • / ১৩৪৬ টাইম ভিউ

আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুর্দান্ত খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখলো ভারত। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে উঠলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শিরোপার লড়াইয়ে ১৮ জুন চির-প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।   বৃহস্পতিবার বার্মিংহামের এজবাস্টনে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতের আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে ৭ উইকেটে ২৬৪ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট ও ৫৯ বল হাতে রেখে ফাইনালের বন্দরে নোঙর করে বিরাট বাহিনী।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করেন ভারতের দু’উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ান। এ যেন তাদের টুর্নামেন্টে দারুণ খেলার প্রতিচ্ছবি। হুক, পুল ও ড্রাইভে বাংলাদেশি ফিল্ডারদের বেসামাল করে অবিচ্ছিন্ন প্রথম উইকেট জুটিতে তারা তোলেন ৮৭ রান। এতেই দলটির জয়ের পথ অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়।অবশ্য দলীয় ৮৭ রানেই বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার বলে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শিখর ধাওয়ান (৪৬)। এর সুবাদে তামিম ইকবালকে পেছনে ফেলে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী বনে যান তিনি। এবারের আসরে এখন পর্যন্ত তার রান ৩১৭। ২৯০ নিয়ে পরের স্থানে আছেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার।ধাওয়ানের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাকে নিয়ে ধীরে ধীরে জয়ের বন্দরে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন রোহিত শর্মা। শেষ পর্যন্ত ৫৯ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন তারা। গুরুত্বপূর্ণ  সময়ে দু’জনে মিলে গড়েন ১৭৮ রানের জুটি।ভারতকে ফাইনালে নোঙর করার পথে ১২৯ বলে ১৫ চার ও ১ ছক্কায় ১২৩ রানের নায়কোচিত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন রোহিত শর্মা। আর ৭৮ বলে ১৩ চারে ৯৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে আরেক প্রান্তে অপরাজিত থাকেন মাস্টার ব্লাস্টার বিরাট কোহলি।বাংলাদেশের হয়ে সোনার হরিণ নামক একমাত্র উইকেটটি পান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বরাবরের মতোই ব্যর্থ হন সৌম্য সরকার। প্রথম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ওয়ানডাউনে নেমে হাত খুলে খেলতে গিয়ে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি সাব্বির রহমানও। দলীয় ৩১ রানে ১৯ করে ভুবনেশ্বর কুমারের দ্বিতীয় শিকার বনেন এ হার্ডহিটার।তবে তৃতীয় উইকেটে ১২৩ রানের জুটিতে বিপর্যয় কাটিয়ে বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগান তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। ৩৮তম অর্ধশত তুলে ৭০ করে ফিরে যান তামিম। আর ২৬তম অর্ধশত তুলে ৬১ করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মুশফিক।এরপর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভালো জুটি গড়তে পারেননি সাকিব, মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেকরা। এতে বড় স্কোরের আশা ভেস্তে যায় টাইগারদের। শেষদিকে মাশরাফির ৩০ রানে আড়াই শ’ অতিক্রম করে বাংলাদেশ।ভারতের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বড় স্কোরের আশা ভেস্তে দেন ভুবনেশ্বর কুমার, জসপ্রিত বুমরাহ ও কেদার জাদব। ১ উইকেট নিয়ে এতে ভূমিকা রাখেন রবীন্দ্র জাদেজা।

পোস্ট শেয়ার করুন

বাংলাদেশকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

আপডেটের সময় : ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭

আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুর্দান্ত খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখলো ভারত। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে উঠলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শিরোপার লড়াইয়ে ১৮ জুন চির-প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।   বৃহস্পতিবার বার্মিংহামের এজবাস্টনে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতের আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে ৭ উইকেটে ২৬৪ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট ও ৫৯ বল হাতে রেখে ফাইনালের বন্দরে নোঙর করে বিরাট বাহিনী।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করেন ভারতের দু’উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ান। এ যেন তাদের টুর্নামেন্টে দারুণ খেলার প্রতিচ্ছবি। হুক, পুল ও ড্রাইভে বাংলাদেশি ফিল্ডারদের বেসামাল করে অবিচ্ছিন্ন প্রথম উইকেট জুটিতে তারা তোলেন ৮৭ রান। এতেই দলটির জয়ের পথ অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়।অবশ্য দলীয় ৮৭ রানেই বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার বলে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শিখর ধাওয়ান (৪৬)। এর সুবাদে তামিম ইকবালকে পেছনে ফেলে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী বনে যান তিনি। এবারের আসরে এখন পর্যন্ত তার রান ৩১৭। ২৯০ নিয়ে পরের স্থানে আছেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার।ধাওয়ানের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাকে নিয়ে ধীরে ধীরে জয়ের বন্দরে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন রোহিত শর্মা। শেষ পর্যন্ত ৫৯ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন তারা। গুরুত্বপূর্ণ  সময়ে দু’জনে মিলে গড়েন ১৭৮ রানের জুটি।ভারতকে ফাইনালে নোঙর করার পথে ১২৯ বলে ১৫ চার ও ১ ছক্কায় ১২৩ রানের নায়কোচিত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন রোহিত শর্মা। আর ৭৮ বলে ১৩ চারে ৯৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে আরেক প্রান্তে অপরাজিত থাকেন মাস্টার ব্লাস্টার বিরাট কোহলি।বাংলাদেশের হয়ে সোনার হরিণ নামক একমাত্র উইকেটটি পান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বরাবরের মতোই ব্যর্থ হন সৌম্য সরকার। প্রথম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ওয়ানডাউনে নেমে হাত খুলে খেলতে গিয়ে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি সাব্বির রহমানও। দলীয় ৩১ রানে ১৯ করে ভুবনেশ্বর কুমারের দ্বিতীয় শিকার বনেন এ হার্ডহিটার।তবে তৃতীয় উইকেটে ১২৩ রানের জুটিতে বিপর্যয় কাটিয়ে বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগান তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। ৩৮তম অর্ধশত তুলে ৭০ করে ফিরে যান তামিম। আর ২৬তম অর্ধশত তুলে ৬১ করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মুশফিক।এরপর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভালো জুটি গড়তে পারেননি সাকিব, মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেকরা। এতে বড় স্কোরের আশা ভেস্তে যায় টাইগারদের। শেষদিকে মাশরাফির ৩০ রানে আড়াই শ’ অতিক্রম করে বাংলাদেশ।ভারতের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বড় স্কোরের আশা ভেস্তে দেন ভুবনেশ্বর কুমার, জসপ্রিত বুমরাহ ও কেদার জাদব। ১ উইকেট নিয়ে এতে ভূমিকা রাখেন রবীন্দ্র জাদেজা।