ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বহিস্কার হতে পারেন সুলতান-মোকাব্বির

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / ৮১৩ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ  মার্চের প্রথম দিকে শপথ নিতে যাচ্ছেন একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরাম থেকে নির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও মোকাব্বির খান। যদিও ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্ত রয়েছে, একাদশ সংসদে নির্বাচনে জোট থেকে নির্বাচিত ৮ সংসদ সদস্য কেউ শপথ গ্রহণ করবেন না। জোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ গ্রহণ করলে তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করার চিন্তা রয়েছে গণফোরামের।

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সুলতান মনসুর বলেন, ‘আমি মার্চের ১৫ তারিখের মধ্যে শপথ গ্রহণ করবো। শত প্রতিকূলতার মধ্যে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তাদের ভোটের সেই মর্যাদা দিতে আমি শপথ গ্রহণ করবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে সুলতান মনসুর বলেন, ‘আমি জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছি। কিন্তু নির্বাচন করতে হলে নিবন্ধিত দলের সদস্য হতো হয়, তাই আমি গণফোরামের সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। এখন তারা যদি আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করে, সেটিকে আমি কেয়ার করি না। তাদের যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, নিতে পারে।’

অন্যদিকে মোকাব্বির খান বলেন, ‘আমি দলীয় (গণফোরামর) সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্চের প্রথম সপ্তাহে শপথ নেবো। আমি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে কথা বলেই শপথ নিতে যাচ্ছি। তিনি শপথের বিষয়ে ইতিবাচক।’

প্রসঙ্গত, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে— ‘কোনও নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনও ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনও নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’

সিলেট-২ আসন থেকে ‘উদীয়মান সূর্য’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোকাব্বির খান। আর সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই দুই সংসদ সদস্যের শপথ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘আমরা (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) এখন শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে বহাল আছি। এখন কেউ সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যদি বহিষ্কারের নিয়ম হয়, তাহলে তাদেরকে বহিষ্কার করা হবে।’

পোস্ট শেয়ার করুন

বহিস্কার হতে পারেন সুলতান-মোকাব্বির

আপডেটের সময় : ০৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ  মার্চের প্রথম দিকে শপথ নিতে যাচ্ছেন একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরাম থেকে নির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও মোকাব্বির খান। যদিও ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্ত রয়েছে, একাদশ সংসদে নির্বাচনে জোট থেকে নির্বাচিত ৮ সংসদ সদস্য কেউ শপথ গ্রহণ করবেন না। জোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ গ্রহণ করলে তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করার চিন্তা রয়েছে গণফোরামের।

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সুলতান মনসুর বলেন, ‘আমি মার্চের ১৫ তারিখের মধ্যে শপথ গ্রহণ করবো। শত প্রতিকূলতার মধ্যে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তাদের ভোটের সেই মর্যাদা দিতে আমি শপথ গ্রহণ করবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে সুলতান মনসুর বলেন, ‘আমি জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছি। কিন্তু নির্বাচন করতে হলে নিবন্ধিত দলের সদস্য হতো হয়, তাই আমি গণফোরামের সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। এখন তারা যদি আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করে, সেটিকে আমি কেয়ার করি না। তাদের যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, নিতে পারে।’

অন্যদিকে মোকাব্বির খান বলেন, ‘আমি দলীয় (গণফোরামর) সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্চের প্রথম সপ্তাহে শপথ নেবো। আমি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে কথা বলেই শপথ নিতে যাচ্ছি। তিনি শপথের বিষয়ে ইতিবাচক।’

প্রসঙ্গত, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে— ‘কোনও নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনও ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনও নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’

সিলেট-২ আসন থেকে ‘উদীয়মান সূর্য’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোকাব্বির খান। আর সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই দুই সংসদ সদস্যের শপথ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘আমরা (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) এখন শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে বহাল আছি। এখন কেউ সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যদি বহিষ্কারের নিয়ম হয়, তাহলে তাদেরকে বহিষ্কার করা হবে।’