ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর উপজেলায় টিলা কাটা চলছেই মাইকিং করেই দায় সেরেছে প্রশাসন

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / ৯০১ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখার সর্বত্র পাহাড়-টিলা কাটা চলছেই। অন্যান্য বছর উপজেলা প্রশাসন অবৈধ টিলার মাটি বহনকারী পরিবহন আটকিয়ে চালকদের সতর্ক ও ১-২টি অভিযান চালিয়ে জারিমানা আদায় করলেও এবার পরিবেশ রক্ষায় চোঁখে পড়েনি প্রশাসনের কোন অভিযান। পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে মাইকিং করেই যেন দায় সেরেছে প্রশাসন। অথচ গত ১৬ জানুয়ারী বড়লেখায় গণসংবর্ধনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপি টিলা কাটা ও বনাঞ্চল উজাড়ের প্রভাবে প্রতি বছর বন্যা, ভুমিকম্প, ভুমিধস, ঘূর্নিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার মুল দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদফতরও টিলা কাটা বন্ধের ব্যাপারে যেন নির্বাক। ফলে টিলা খেকোরা অনেকটা বেপরোয়াভাবেই পাহাড় টিলা ধংস করছে। সরেজমিনে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউপির করমপুর, কুমারশাইল, বড়াইল, সায়পুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউপির মোহাম্মদ নগর, ছোটলেখা, ঘোলষা, চন্ডিনগর, বোবারথল, তারাদরম, সদর ইউপির ডিমাই, বিওসি কেছরিগুল, জফরপুর, মূছেগুল, হিনাইনগর, দক্ষিণভাগ দ. ইউপির হাকাইতি, কাশেমনগর, জামকান্দি, পুর্বহাতলিয়া, পশ্চিম হাতলিয়া, দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউপির মাঠগোদাম, বিওসি কেছরিগুল, গৌড়নগর, হরিপুর, মাধবকুন্ডসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় অবাধে পাহাড় টিলা কাটার মহোৎসব চলতে দেখা গেছে। উপজেলা ভূমি উন্নয়ন ও পরিবেশ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ জানান, পাহাড়-টিলা কাটার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত ৬ ফেব্রুয়ারী পাহাড় টিলা না কাটার জন্য উপজেলার সর্বত্র মাইকিং করা হয়েছে। এরপরও সাবধান না হলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর উপজেলায় টিলা কাটা চলছেই মাইকিং করেই দায় সেরেছে প্রশাসন

আপডেটের সময় : ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখার সর্বত্র পাহাড়-টিলা কাটা চলছেই। অন্যান্য বছর উপজেলা প্রশাসন অবৈধ টিলার মাটি বহনকারী পরিবহন আটকিয়ে চালকদের সতর্ক ও ১-২টি অভিযান চালিয়ে জারিমানা আদায় করলেও এবার পরিবেশ রক্ষায় চোঁখে পড়েনি প্রশাসনের কোন অভিযান। পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে মাইকিং করেই যেন দায় সেরেছে প্রশাসন। অথচ গত ১৬ জানুয়ারী বড়লেখায় গণসংবর্ধনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপি টিলা কাটা ও বনাঞ্চল উজাড়ের প্রভাবে প্রতি বছর বন্যা, ভুমিকম্প, ভুমিধস, ঘূর্নিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার মুল দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদফতরও টিলা কাটা বন্ধের ব্যাপারে যেন নির্বাক। ফলে টিলা খেকোরা অনেকটা বেপরোয়াভাবেই পাহাড় টিলা ধংস করছে। সরেজমিনে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউপির করমপুর, কুমারশাইল, বড়াইল, সায়পুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউপির মোহাম্মদ নগর, ছোটলেখা, ঘোলষা, চন্ডিনগর, বোবারথল, তারাদরম, সদর ইউপির ডিমাই, বিওসি কেছরিগুল, জফরপুর, মূছেগুল, হিনাইনগর, দক্ষিণভাগ দ. ইউপির হাকাইতি, কাশেমনগর, জামকান্দি, পুর্বহাতলিয়া, পশ্চিম হাতলিয়া, দক্ষিণভাগ উত্তর (কাঠালতলী) ইউপির মাঠগোদাম, বিওসি কেছরিগুল, গৌড়নগর, হরিপুর, মাধবকুন্ডসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় অবাধে পাহাড় টিলা কাটার মহোৎসব চলতে দেখা গেছে। উপজেলা ভূমি উন্নয়ন ও পরিবেশ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ জানান, পাহাড়-টিলা কাটার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত ৬ ফেব্রুয়ারী পাহাড় টিলা না কাটার জন্য উপজেলার সর্বত্র মাইকিং করা হয়েছে। এরপরও সাবধান না হলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবেন।