ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে শুক্রবারের মধ্যেই বর্ষা ঢুকছে রাজ্যে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০
  • / ৩৮২ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত ডেস্ক : শুক্রবারের মধ্যেই রাজ্যে বর্ষা। সাধারণত উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে প্রথমে ঢুকে বর্ষা। তারপর মৌসুমী বায়ু ঢোকে দক্ষিণবঙ্গে অর্থাৎ কলকাতায়। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের টানে আবার সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। এবার হয়তো একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে বর্ষা ঢুকে পড়তে পারে বৃহস্পতি বা শুক্রবারে। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর ৷

গ্রীষ্মের বৃষ্টির মধ্যেই মৌসম ভবন আশ্বাস দিয়েছে, বর্ষার অগ্রগতি ফের একটু গতি পেয়েছে। এ দিন তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশ হয়ে মৌসুমি বায়ু চলে এসেছে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। তার পরে সাগর থেকে জোলো হাওয়া গাঙ্গেয় বঙ্গে ঢুকছে।
আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের স্বাভাবিক দিন ১১ জুন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার। আবহাওয়াবিদদের অনুমান খুব বেশি হলে শুক্রবারের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার ঢুকে যাবে। অর্থাৎ স্বাভাবিক দিন এই বর্ষার আগমন বঙ্গে।দক্ষিণবঙ্গে ঢোকার একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গে নাকি সামান্য আগে উত্তরবঙ্গে প্রবেশ হতে পারে বর্ষার। সাধারণত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর একটি অংশ মায়ানমার হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি দিয়ে ঢুকে পড়ে কোচবিহার জলপাইগুড়িতে।তার দু-একদিনের মধ্যেই বর্ষা ঢুকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে এবং ধীরে ধীরে দক্ষিণবঙ্গেও। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি তে বর্ষা ঢোকার দিনক্ষণ ৭ জুন। আর শিলিগুড়িতে ৯ জুন। কমবেশি ৩-৪ দিনের মধ্যে বর্ষা ঢুকলে সেটা স্বাভাবিক নিয়মের মধ্যেই ধরা হয়। তাই আবহাওয়াবিদদের মতে রাজ্যে বর্ষা নির্ধারিত সূচি মেনেই চলছে।

গত দু’দিনে আবারো সক্রিয় দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। কেরলের পর কর্ণাটক, তামিলনাডু, পুদুচেরির অধিকাংশ এলাকায় ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু। দু-এক দিনে অন্ধ্রপ্রদেশেও ঢুকে পড়বে মৌসুমী বায়ু। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু্র অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অধিকাংশ এলাকা এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এর বেশ কিছু এলাকায় ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু। আগামী দু’দিনে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর অতিক্রম করে উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ঢুকে পড়বে বর্ষা। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির পড়েই এ রাজ্যের উত্তরবঙ্গে প্রথম বর্ষা ঢোকে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে নিম্নচাপ। বর্তমানে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এই ঘূর্ণাবর্ত রূপ নেবে নিম্নচাপের। নিম্নচাপটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে। এর প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ওড়িশায়।বুধবার বৃষ্টি বাড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গেও ৷ সে ক্ষেত্রে ওড়িশা সংলগ্ন জেলা ও উপকূলের জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

বুধবারে ভারী বৃষ্টির পর বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যেই দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রাজ্যে ঢুকে পড়বে। অর্থাৎ নিম্নচাপের হাত ধরেই বর্ষা ঢুকবে বঙ্গে। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, স্বাভাবিক সূচি মেনেই বর্ষা ঢুকছে বঙ্গে।

পোস্ট শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে শুক্রবারের মধ্যেই বর্ষা ঢুকছে রাজ্যে

আপডেটের সময় : ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

দেশদিগন্ত ডেস্ক : শুক্রবারের মধ্যেই রাজ্যে বর্ষা। সাধারণত উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে প্রথমে ঢুকে বর্ষা। তারপর মৌসুমী বায়ু ঢোকে দক্ষিণবঙ্গে অর্থাৎ কলকাতায়। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের টানে আবার সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। এবার হয়তো একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে বর্ষা ঢুকে পড়তে পারে বৃহস্পতি বা শুক্রবারে। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর ৷

গ্রীষ্মের বৃষ্টির মধ্যেই মৌসম ভবন আশ্বাস দিয়েছে, বর্ষার অগ্রগতি ফের একটু গতি পেয়েছে। এ দিন তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশ হয়ে মৌসুমি বায়ু চলে এসেছে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। তার পরে সাগর থেকে জোলো হাওয়া গাঙ্গেয় বঙ্গে ঢুকছে।
আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের স্বাভাবিক দিন ১১ জুন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার। আবহাওয়াবিদদের অনুমান খুব বেশি হলে শুক্রবারের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার ঢুকে যাবে। অর্থাৎ স্বাভাবিক দিন এই বর্ষার আগমন বঙ্গে।দক্ষিণবঙ্গে ঢোকার একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গে নাকি সামান্য আগে উত্তরবঙ্গে প্রবেশ হতে পারে বর্ষার। সাধারণত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর একটি অংশ মায়ানমার হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি দিয়ে ঢুকে পড়ে কোচবিহার জলপাইগুড়িতে।তার দু-একদিনের মধ্যেই বর্ষা ঢুকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে এবং ধীরে ধীরে দক্ষিণবঙ্গেও। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি তে বর্ষা ঢোকার দিনক্ষণ ৭ জুন। আর শিলিগুড়িতে ৯ জুন। কমবেশি ৩-৪ দিনের মধ্যে বর্ষা ঢুকলে সেটা স্বাভাবিক নিয়মের মধ্যেই ধরা হয়। তাই আবহাওয়াবিদদের মতে রাজ্যে বর্ষা নির্ধারিত সূচি মেনেই চলছে।

গত দু’দিনে আবারো সক্রিয় দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। কেরলের পর কর্ণাটক, তামিলনাডু, পুদুচেরির অধিকাংশ এলাকায় ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু। দু-এক দিনে অন্ধ্রপ্রদেশেও ঢুকে পড়বে মৌসুমী বায়ু। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু্র অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অধিকাংশ এলাকা এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এর বেশ কিছু এলাকায় ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু। আগামী দু’দিনে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর অতিক্রম করে উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ঢুকে পড়বে বর্ষা। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির পড়েই এ রাজ্যের উত্তরবঙ্গে প্রথম বর্ষা ঢোকে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে নিম্নচাপ। বর্তমানে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এই ঘূর্ণাবর্ত রূপ নেবে নিম্নচাপের। নিম্নচাপটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে। এর প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ওড়িশায়।বুধবার বৃষ্টি বাড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গেও ৷ সে ক্ষেত্রে ওড়িশা সংলগ্ন জেলা ও উপকূলের জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

বুধবারে ভারী বৃষ্টির পর বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যেই দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রাজ্যে ঢুকে পড়বে। অর্থাৎ নিম্নচাপের হাত ধরেই বর্ষা ঢুকবে বঙ্গে। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, স্বাভাবিক সূচি মেনেই বর্ষা ঢুকছে বঙ্গে।