ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি ইতালির ভিসেন্সায় সিলেট ডায়নামিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে মিলান কনস্যুলেট

ইতালি প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২
  • / ১৭৩ টাইম ভিউ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে মিলান কনস্যুলেট
ইতালি প্রতিনিধি
ইতালির মিলানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস পালিত হয়।

মিলানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কর্তৃক প্রত্যূষে কনস্যুলেট চত্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় শোক দিবসের সূচনা হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হতে পাঠ, শহিদদের স্মৃতিতে স্মরণ সভা, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে দিনটি যথাযথভাবে পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কনসাল জেনারেল এম জে এইচ জাবেদ, অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রবাসী নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।

এরপর উপস্থিত সকলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট-এর সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। দিনটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী,পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। অতঃপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “শেখ মুজিব আমার পিতা” গ্রন্থের আলোকে বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শহিদদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তাগণ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিটি পর্বে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের মহান আত্মত্যাগকে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বক্তাগণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের ঘৃণ্য, বর্বর ও কাপুরুষোচিত হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

সমাপনী বক্তব্যে কনসাল জেনারেল এম জে এইচ জাবেদ উল্লেখ করেন যে, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত বাংলাদেশকে পূর্ণ অবয়ব দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিশন-২০৪১ কে সামনে নিয়ে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী তাদের জীবনমান উন্নতকরণের জন্য নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশ গঠনে প্রবাসীদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ইতালিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রজন্ম প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে মিশন বদ্ধ পরিকর। তিনি প্রবাসীদেরকে বঙ্গবন্ধু কর্ণার এ নিয়মিত আসার আমন্ত্রণ জানান। তিনি অবহিত করেন যে, উত্তর ইতালিতে একটি প্রসিদ্ধ রাস্তা বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণের জন্য মিশন সচেষ্ট রয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রবাসীদের সহায়তা কামনা করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনার্থে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী, কনস্যুলেটের সকল সদস্য এবং স্হানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, দারিদ্র্যমুক্ত, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত সোনার বাংলাদেশ বির্নিমাণের জন্য দোয়া করা হয়।

পোস্ট শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে মিলান কনস্যুলেট

আপডেটের সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে মিলান কনস্যুলেট
ইতালি প্রতিনিধি
ইতালির মিলানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস পালিত হয়।

মিলানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কর্তৃক প্রত্যূষে কনস্যুলেট চত্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় শোক দিবসের সূচনা হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হতে পাঠ, শহিদদের স্মৃতিতে স্মরণ সভা, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে দিনটি যথাযথভাবে পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কনসাল জেনারেল এম জে এইচ জাবেদ, অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রবাসী নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।

এরপর উপস্থিত সকলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট-এর সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। দিনটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী,পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। অতঃপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “শেখ মুজিব আমার পিতা” গ্রন্থের আলোকে বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শহিদদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তাগণ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিটি পর্বে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের মহান আত্মত্যাগকে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বক্তাগণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের ঘৃণ্য, বর্বর ও কাপুরুষোচিত হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

সমাপনী বক্তব্যে কনসাল জেনারেল এম জে এইচ জাবেদ উল্লেখ করেন যে, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত বাংলাদেশকে পূর্ণ অবয়ব দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিশন-২০৪১ কে সামনে নিয়ে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী তাদের জীবনমান উন্নতকরণের জন্য নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশ গঠনে প্রবাসীদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ইতালিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রজন্ম প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে মিশন বদ্ধ পরিকর। তিনি প্রবাসীদেরকে বঙ্গবন্ধু কর্ণার এ নিয়মিত আসার আমন্ত্রণ জানান। তিনি অবহিত করেন যে, উত্তর ইতালিতে একটি প্রসিদ্ধ রাস্তা বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণের জন্য মিশন সচেষ্ট রয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রবাসীদের সহায়তা কামনা করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনার্থে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী, কনস্যুলেটের সকল সদস্য এবং স্হানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, দারিদ্র্যমুক্ত, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত সোনার বাংলাদেশ বির্নিমাণের জন্য দোয়া করা হয়।