ঢাকা , রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
পর্তুগাল এ ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি উন্মোচন লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা

ফেসবুক মার্কেট প্লেস থেকে গাড়ি কিনতে যেয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে আহত পুলিশ কর্মকর্তা ফায়েজ এর মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ১৫৪ টাইম ভিউ

ফেসবুক মার্কেট প্লেস থেকে গাড়ি কিনতে যেয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে আহত এনওয়াইপিডির পুলিশ কর্মকর্তা ফায়েজ অবশেষে মারা গেলেন।ঘাতক

ব্রুকলিনে বন্দুকধারীর গুলিতে গুরুতর আহত এনওয়াইপিডি’র পুলিশ কর্মকর্তা আদিদ ফায়েজ জীবনের সঙ্গে তিনদিন পাঞ্জা লড়ে অবশেষে আজ মঙ্গলবার ব্রুকলিনের ব্রুকডেইল হসপিটালে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন । এ ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারী ব্র্যান্ডি জোনসকে (৩৮) গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আটক করা হয়।
৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইস্ট নিউইয়র্কের লিন্ডেন বুলেভার্ডের কাছে রুবি স্ট্রিটে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
কর্মকর্তারা জানান, ফেসবুক মার্কেট প্লেসে গাড়ি কেনার জন্য ২৬ বছর বয়সী পুলিশ কর্মকর্তা আদিদ ফায়াজ সেখানে যান। কিন্তু বিক্রেতা একটি বন্দুক বের করে তার কাছ থেকে অর্থ ডাকাতির চেষ্টা করেন।তদন্তকারীরা বলেছেন, তারা বিশ্বাস করেন না যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি জানতেন যে ভুক্তভোগী এনওয়াইপিডির সদস্য ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।
সূত্র জানায়, তিনি লং আইল্যান্ডের ডিয়ার পার্কের বাসিন্দা।
দু’দিন ধরে চিরুনি তল্লাশি চালানোর পর পুলিশ গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ব্র্যান্ডি জোন্সকে নানুয়েটের ডেজ ইন থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭৫তম পুলিশ চত্বরে নিয়ে যায়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পোস্ট করা হোন্ডা পাইলট বিক্রির মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি অফ ডিউটি অফিসার আদিদ ফায়েজকে ইস্ট নিউইয়র্কে নিয়ে যান জোনস। অফিসার ফায়েজ এবং তার শ্যালক যখন উপস্থিত হন, তখন জোনস মজা করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, তাদের কাছে বন্দুক আছে কিনা। এ সময় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা দাবি করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ফায়েজ পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে সন্দেহভাজন ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি করে একটি কালো অটোতে দ্রুত গতিতে চলে যায়।
অফিসার ফায়েজের শ্যালকের গাড়ির ড্যাশ ক্যামের মাধ্যমে সন্দেহভাজনের গাড়িটি সনাক্ত করে। পুলিশ জোনসকে রকল্যান্ড কাউন্টিতে ট্র্যাক করে, যেখানে তিনি তার বান্ধবী এবং পাঁচ সন্তানের সাথে লুকিয়ে ছিলেন,সেখান থেকে গ্রেফতার করে।
সুত্র : ঠিকানা

পোস্ট শেয়ার করুন

ফেসবুক মার্কেট প্লেস থেকে গাড়ি কিনতে যেয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে আহত পুলিশ কর্মকর্তা ফায়েজ এর মৃত্যু

আপডেটের সময় : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ফেসবুক মার্কেট প্লেস থেকে গাড়ি কিনতে যেয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে আহত এনওয়াইপিডির পুলিশ কর্মকর্তা ফায়েজ অবশেষে মারা গেলেন।ঘাতক

ব্রুকলিনে বন্দুকধারীর গুলিতে গুরুতর আহত এনওয়াইপিডি’র পুলিশ কর্মকর্তা আদিদ ফায়েজ জীবনের সঙ্গে তিনদিন পাঞ্জা লড়ে অবশেষে আজ মঙ্গলবার ব্রুকলিনের ব্রুকডেইল হসপিটালে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন । এ ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারী ব্র্যান্ডি জোনসকে (৩৮) গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আটক করা হয়।
৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইস্ট নিউইয়র্কের লিন্ডেন বুলেভার্ডের কাছে রুবি স্ট্রিটে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
কর্মকর্তারা জানান, ফেসবুক মার্কেট প্লেসে গাড়ি কেনার জন্য ২৬ বছর বয়সী পুলিশ কর্মকর্তা আদিদ ফায়াজ সেখানে যান। কিন্তু বিক্রেতা একটি বন্দুক বের করে তার কাছ থেকে অর্থ ডাকাতির চেষ্টা করেন।তদন্তকারীরা বলেছেন, তারা বিশ্বাস করেন না যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি জানতেন যে ভুক্তভোগী এনওয়াইপিডির সদস্য ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।
সূত্র জানায়, তিনি লং আইল্যান্ডের ডিয়ার পার্কের বাসিন্দা।
দু’দিন ধরে চিরুনি তল্লাশি চালানোর পর পুলিশ গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ব্র্যান্ডি জোন্সকে নানুয়েটের ডেজ ইন থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭৫তম পুলিশ চত্বরে নিয়ে যায়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পোস্ট করা হোন্ডা পাইলট বিক্রির মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি অফ ডিউটি অফিসার আদিদ ফায়েজকে ইস্ট নিউইয়র্কে নিয়ে যান জোনস। অফিসার ফায়েজ এবং তার শ্যালক যখন উপস্থিত হন, তখন জোনস মজা করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, তাদের কাছে বন্দুক আছে কিনা। এ সময় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা দাবি করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ফায়েজ পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে সন্দেহভাজন ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি করে একটি কালো অটোতে দ্রুত গতিতে চলে যায়।
অফিসার ফায়েজের শ্যালকের গাড়ির ড্যাশ ক্যামের মাধ্যমে সন্দেহভাজনের গাড়িটি সনাক্ত করে। পুলিশ জোনসকে রকল্যান্ড কাউন্টিতে ট্র্যাক করে, যেখানে তিনি তার বান্ধবী এবং পাঁচ সন্তানের সাথে লুকিয়ে ছিলেন,সেখান থেকে গ্রেফতার করে।
সুত্র : ঠিকানা