ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে… এই অভ্যাসগুলোর চর্চা নিয়মিত করা উচিৎ স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য থাকা জরুরি কেনো ? পুনাক এর উদ্যোগে দুস্হ ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে কুলাউড়ার টিলাগাঁও এ সরকারি গাছ বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক লটারি বাইক জিতলো মা’ সে কারণে কপাল পুড়লো মেয়ের ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দলের আক্রমনে প্রান গেলো ইজাজুলের সাবেক সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামিলীগের মতবিনিময় সভা

ফেসবুকে আজহারীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০
  • / ৩৭০ টাইম ভিউ

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। তার সুমধুর কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে আছেন শ্রোতারা। বিশেষকরে ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ আর সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তার উপস্থাপিত বক্তব্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের হৃদয় কেড়েছে।

যদিও জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তুমুল সমালোচিত ও বির্তকিতও হয়েছেন এই বক্তা। বিভিন্ন মাহফিলে তার উচ্চারিত বেশ কিছু শব্দ ও প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে তাতে তরুণ সমাজে তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি তেমন। এবার সেই তরুণ সমাজের উদ্দেশে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মিজানুর রহমান আজহারী।

শুক্রবার রাতে দেয়া ড. মিজানুর রহমান আজহারীর সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

আজহারির ফেসবুক পোস্ট
‘এদেশের যুবকদের গায়ে আল কুরআনের বাতাস লেগেছে। ওদের হৃদয়ে লেগেছে কালামে পাকের হিমেল ছোয়া। তাইতো পঙ্গপালের মত ওরা ছুটে আসছে আল কুরআনের মাহফিল গুলোতে। আমরা কি পারব ওদেরকে ধরে রাখতে? বেঁধে রাখতে হেরার আলোর সুতো দিয়ে? নাকি আমাদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি আর নোংরামোতে ওরা মুখ ফিরিয়ে নেবে। আর গা ভাসাবে অপসংস্কৃতির গড্ডালিকা প্রবাহে?’

এরপর মহান আল্লাহর কাছে তিনি প্রার্থণা করেন, ‘হে আরশের মালিক, আমাদের দূর্বলতা ও ব্যর্থতার কারণে সম্ভাবনার এ দ্বার যেন রুদ্ধ না হয়। আমরা যেন হেরে না যাই। শেষ পর্যন্ত যেন লড়ে যেতে পারি তোমার কুরআনের জন্য।’

এ স্ট্যাটাসটি লেখার আগে ফরিদপুরের শ্যামসুন্দরপুর জামিয়া আরাবিয়া ফরিদিয়া কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ইসলামি মহাসম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আজহারী।

এদিন কনকনে শীত উপেক্ষা করে তার ওয়াজ শুনেছেন ফরিদপুরের লাখো জনতা।

শুক্রবার রাত ৯ টায় মঞ্চে ওঠেন আজহারী। ৯টা ৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা বক্তব্য তিনি।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবি হযরত ওমর ফারুকের জীবনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন আজহারী। ধর্মপ্রাণ লাখো মুসল্লি মুগ্ধ হয়ে তার ওয়াজ শোনেন।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হেলিকপ্টারে শ্যামসুন্দরপুরে পৌঁছান মিজানুর রহমান আজহারী।

পোস্ট শেয়ার করুন

ফেসবুকে আজহারীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

আপডেটের সময় : ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। তার সুমধুর কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে আছেন শ্রোতারা। বিশেষকরে ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ আর সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তার উপস্থাপিত বক্তব্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের হৃদয় কেড়েছে।

যদিও জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তুমুল সমালোচিত ও বির্তকিতও হয়েছেন এই বক্তা। বিভিন্ন মাহফিলে তার উচ্চারিত বেশ কিছু শব্দ ও প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে তাতে তরুণ সমাজে তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি তেমন। এবার সেই তরুণ সমাজের উদ্দেশে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মিজানুর রহমান আজহারী।

শুক্রবার রাতে দেয়া ড. মিজানুর রহমান আজহারীর সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

আজহারির ফেসবুক পোস্ট
‘এদেশের যুবকদের গায়ে আল কুরআনের বাতাস লেগেছে। ওদের হৃদয়ে লেগেছে কালামে পাকের হিমেল ছোয়া। তাইতো পঙ্গপালের মত ওরা ছুটে আসছে আল কুরআনের মাহফিল গুলোতে। আমরা কি পারব ওদেরকে ধরে রাখতে? বেঁধে রাখতে হেরার আলোর সুতো দিয়ে? নাকি আমাদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি আর নোংরামোতে ওরা মুখ ফিরিয়ে নেবে। আর গা ভাসাবে অপসংস্কৃতির গড্ডালিকা প্রবাহে?’

এরপর মহান আল্লাহর কাছে তিনি প্রার্থণা করেন, ‘হে আরশের মালিক, আমাদের দূর্বলতা ও ব্যর্থতার কারণে সম্ভাবনার এ দ্বার যেন রুদ্ধ না হয়। আমরা যেন হেরে না যাই। শেষ পর্যন্ত যেন লড়ে যেতে পারি তোমার কুরআনের জন্য।’

এ স্ট্যাটাসটি লেখার আগে ফরিদপুরের শ্যামসুন্দরপুর জামিয়া আরাবিয়া ফরিদিয়া কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ইসলামি মহাসম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আজহারী।

এদিন কনকনে শীত উপেক্ষা করে তার ওয়াজ শুনেছেন ফরিদপুরের লাখো জনতা।

শুক্রবার রাত ৯ টায় মঞ্চে ওঠেন আজহারী। ৯টা ৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা বক্তব্য তিনি।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবি হযরত ওমর ফারুকের জীবনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন আজহারী। ধর্মপ্রাণ লাখো মুসল্লি মুগ্ধ হয়ে তার ওয়াজ শোনেন।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হেলিকপ্টারে শ্যামসুন্দরপুরে পৌঁছান মিজানুর রহমান আজহারী।