ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছিল সিডনি

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১২৭২ টাইম ভিউ

প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনি নগরী। শনিবার বিকেলে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজির হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির পদচারণায় সিডনির ব্যাংকসটাউনের পল কেটিং পার্কই যেন হয়ে গেল এক টুকরো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার যে প্রয়াস, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা পরিপূর্ণতা পায়।
বাঙালিয়ানার আড্ডায় মুহূর্তেই সবাই হারিয়ে যান বাংলাদেশের স্মৃতিতে, কৈশোর ও যৌবনের সেই ভালোলাগার দিনগুলিতে। অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রী, এমপি, মেয়র থেকে শুরু করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে করেন আলোকিত। এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাশেদ শ্রাবণ অনুষ্ঠান শেষে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দর্শকদের এনটিভির প্রতি গভীর ভালোবাসাই এই উৱসবকে সার্থক করে তুলে ধরেছে। এনটিভি শুধু অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের কাছেই জনপ্রিয় নয়, সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছেই জনপ্রিয়, তা আবারও প্রমাণিত হলো। দর্শকদের অনুপ্রেরণা পেলে  প্রতি বছর এই আয়োজন করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের ইভেন্ট কোঅর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর হাবিব, এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেশন্স অফিসার সাইমুম সারোয়ার, আমরা বাংলাদেশির সংগঠক ও চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শিবলী আবদুল্লাহ, হেড অব এনটিভি অনলাইন ফকরউদ্দীন জুয়েল। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি আরিফুর রহমান ও স্থানীয় সংগীতশিল্পী তমা।বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাদের সেই ধারণকৃত বক্তব্য বড় পর্দায় প্রদর্শণ করা হয়। এরপর নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের এমপি ও সহকারি যোগাযোগমন্ত্রী মার্ক জোসেফ কোর বক্তব্য দেন।
এরপর স্থানীয়দের পরিবেশনায় মুগ্ধ হন দর্শকেরা। সংগীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পী রুমেন কর্মকার, নৃত্যনাট্য ও দেশী সংগীতের সুর ও তালে ওপর নাচ পরিবেশন করে দর্শক মাতিয়ে তোলে স্থানীয় শিশু শিল্পীরা। সুমাইয়া, নাবিলা একক সংগীতের মধ্যদিয়ে দর্শকদের মধ্যে কিছুটা উচ্ছাস ছড়ায়। ছিল প্রবাসী বাংলাদেশি ও অস্ট্রেলীয় মডেলদের ফ্যাশন শো।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী সাঈদ ও ক্লোজআপ তারকা রন্টি দাশ মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন। প্রাণের এই উৱসব মূলত পরিপূর্ণতা পায় এই দুই শিল্পীর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায়।

পোস্ট শেয়ার করুন

প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছিল সিডনি

আপডেটের সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনি নগরী। শনিবার বিকেলে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজির হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির পদচারণায় সিডনির ব্যাংকসটাউনের পল কেটিং পার্কই যেন হয়ে গেল এক টুকরো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার যে প্রয়াস, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা পরিপূর্ণতা পায়।
বাঙালিয়ানার আড্ডায় মুহূর্তেই সবাই হারিয়ে যান বাংলাদেশের স্মৃতিতে, কৈশোর ও যৌবনের সেই ভালোলাগার দিনগুলিতে। অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রী, এমপি, মেয়র থেকে শুরু করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে করেন আলোকিত। এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাশেদ শ্রাবণ অনুষ্ঠান শেষে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দর্শকদের এনটিভির প্রতি গভীর ভালোবাসাই এই উৱসবকে সার্থক করে তুলে ধরেছে। এনটিভি শুধু অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের কাছেই জনপ্রিয় নয়, সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছেই জনপ্রিয়, তা আবারও প্রমাণিত হলো। দর্শকদের অনুপ্রেরণা পেলে  প্রতি বছর এই আয়োজন করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের ইভেন্ট কোঅর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর হাবিব, এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেশন্স অফিসার সাইমুম সারোয়ার, আমরা বাংলাদেশির সংগঠক ও চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শিবলী আবদুল্লাহ, হেড অব এনটিভি অনলাইন ফকরউদ্দীন জুয়েল। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি আরিফুর রহমান ও স্থানীয় সংগীতশিল্পী তমা।বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাদের সেই ধারণকৃত বক্তব্য বড় পর্দায় প্রদর্শণ করা হয়। এরপর নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের এমপি ও সহকারি যোগাযোগমন্ত্রী মার্ক জোসেফ কোর বক্তব্য দেন।
এরপর স্থানীয়দের পরিবেশনায় মুগ্ধ হন দর্শকেরা। সংগীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পী রুমেন কর্মকার, নৃত্যনাট্য ও দেশী সংগীতের সুর ও তালে ওপর নাচ পরিবেশন করে দর্শক মাতিয়ে তোলে স্থানীয় শিশু শিল্পীরা। সুমাইয়া, নাবিলা একক সংগীতের মধ্যদিয়ে দর্শকদের মধ্যে কিছুটা উচ্ছাস ছড়ায়। ছিল প্রবাসী বাংলাদেশি ও অস্ট্রেলীয় মডেলদের ফ্যাশন শো।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী সাঈদ ও ক্লোজআপ তারকা রন্টি দাশ মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন। প্রাণের এই উৱসব মূলত পরিপূর্ণতা পায় এই দুই শিল্পীর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায়।