ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রশ্নপত্রে সেফুদা, সেই শিক্ষক বরখাস্ত

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
  • / ৪৪৫ টাইম ভিউ

বিতর্কিত সিফাত উল্লাহ মজুমদার ওরফে সেফুদাকে নিয়ে দশম শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন করায় রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের একজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। কলেজের ভাইস প্রিন্সিপালকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তে আজ বুধবার শিক্ষক জাহিনুল হাসানকে বরখাস্ত করা হয়।

জানা গেছে, গত সোমবার রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ মজুমদারকে সেফুদা উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি করা হয়।
সৃজনশীল প্রশ্নটির উদ্দীপক হিসেবে লেখা হয়, ‘অদ্ভূত ধরণের এক মানুষ, সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে- ‘মদ খাবি, মানুষ হবি, আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম’। তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, তার মধ্যে যদি ইমানের সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান বিষয়ের প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে ওঠতো একজন আত্মসচেতন এবং আত্মমর্যাদাবান ব্যক্তি’।

প্রশ্নপত্রটিতে উদ্দীপকের আলোকে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতামূলক ৪টি প্রশ্ন করা হয়।

প্রশ্নগুলো হলো- ‘আকাইদ কী?, ‘ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন?’, ‘বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা করো’। এবং তরুণদের উদ্দেশে দেয়া সেফুদার বক্তব্যটি কীসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ করো’।

এ নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক চলতে থাকে। এরপর তদন্ত কমিটি গঠন করে ঐ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

পোস্ট শেয়ার করুন

প্রশ্নপত্রে সেফুদা, সেই শিক্ষক বরখাস্ত

আপডেটের সময় : ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

বিতর্কিত সিফাত উল্লাহ মজুমদার ওরফে সেফুদাকে নিয়ে দশম শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন করায় রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের একজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। কলেজের ভাইস প্রিন্সিপালকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তে আজ বুধবার শিক্ষক জাহিনুল হাসানকে বরখাস্ত করা হয়।

জানা গেছে, গত সোমবার রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ মজুমদারকে সেফুদা উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি করা হয়।
সৃজনশীল প্রশ্নটির উদ্দীপক হিসেবে লেখা হয়, ‘অদ্ভূত ধরণের এক মানুষ, সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে- ‘মদ খাবি, মানুষ হবি, আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম’। তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, তার মধ্যে যদি ইমানের সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান বিষয়ের প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে ওঠতো একজন আত্মসচেতন এবং আত্মমর্যাদাবান ব্যক্তি’।

প্রশ্নপত্রটিতে উদ্দীপকের আলোকে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতামূলক ৪টি প্রশ্ন করা হয়।

প্রশ্নগুলো হলো- ‘আকাইদ কী?, ‘ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন?’, ‘বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা করো’। এবং তরুণদের উদ্দেশে দেয়া সেফুদার বক্তব্যটি কীসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ করো’।

এ নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক চলতে থাকে। এরপর তদন্ত কমিটি গঠন করে ঐ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।