ঢাকা , সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে… এই অভ্যাসগুলোর চর্চা নিয়মিত করা উচিৎ স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য থাকা জরুরি কেনো ? পুনাক এর উদ্যোগে দুস্হ ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে কুলাউড়ার টিলাগাঁও এ সরকারি গাছ বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক লটারি বাইক জিতলো মা’ সে কারণে কপাল পুড়লো মেয়ের ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দলের আক্রমনে প্রান গেলো ইজাজুলের সাবেক সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামিলীগের মতবিনিময় সভা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে মুজিব পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২
  • / ২৩৩ টাইম ভিউ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য।’ প্রধানমন্ত্রী ১৪ মে শনিবার বিকেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে,মুজিব পাঠাগার‘র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে বার বার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে ১৯৭৫ সালের পর জাতি বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আর পারবে না কারণ নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে অনেক সচেতন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের লাইব্রেরি নতুন প্রজন্মকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা ১৯৭৫ সালের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে খুনিদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছি

বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকও উপস্থিত ছিলেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে মুজিব পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন

আপডেটের সময় : ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য।’ প্রধানমন্ত্রী ১৪ মে শনিবার বিকেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে,মুজিব পাঠাগার‘র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে বার বার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে ১৯৭৫ সালের পর জাতি বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আর পারবে না কারণ নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে অনেক সচেতন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের লাইব্রেরি নতুন প্রজন্মকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা ১৯৭৫ সালের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে খুনিদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছি

বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকও উপস্থিত ছিলেন।