ঢাকা , রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
পর্তুগাল এ ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি উন্মোচন লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে মুজিব পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২
  • / ২২৮ টাইম ভিউ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য।’ প্রধানমন্ত্রী ১৪ মে শনিবার বিকেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে,মুজিব পাঠাগার‘র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে বার বার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে ১৯৭৫ সালের পর জাতি বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আর পারবে না কারণ নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে অনেক সচেতন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের লাইব্রেরি নতুন প্রজন্মকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা ১৯৭৫ সালের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে খুনিদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছি

বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকও উপস্থিত ছিলেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে মুজিব পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন

আপডেটের সময় : ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য।’ প্রধানমন্ত্রী ১৪ মে শনিবার বিকেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে,মুজিব পাঠাগার‘র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে বার বার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে ১৯৭৫ সালের পর জাতি বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আর পারবে না কারণ নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে অনেক সচেতন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের লাইব্রেরি নতুন প্রজন্মকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা ১৯৭৫ সালের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে খুনিদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছি

বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যৌথভাবে পাঠাগারের নামফলক উন্মোচন করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকও উপস্থিত ছিলেন।