ঢাকা , সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি

পুলিশের মারধরে জ্ঞান হারাল এসএসসি পরীক্ষার্থী

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / ৭৫৩ টাইম ভিউ

মাদারীপুরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে পুলিশ ও আরেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা নির্যাতন করেছে। আহত শিক্ষার্থীকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডাসার থানাধীন সরকারি শেখ হাসিনা উইমেন্স একাডেমি পরীক্ষা কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী জাহিদ খানের সঙ্গে মিতু আক্তার নামে এক ছাত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। পরীক্ষা শেষে জাহিদ কেন্দ্রের বাইরে যাওয়া মাত্র ওই শিক্ষার্থীর বাবা-ভাই মিলে তাকে মারধর শুরু করে। এ সময় তাদের সঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এক পর্যায়ে জাহিদ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে সহপাঠীরা।

তবে জাহিদের ভাই জহির খান ও তার সহপাঠীরা বলেন, পুলিশ জাহিদকে কলেজের একটি রুমে নিয়ে গিয়ে বেধরকভাবে পিটিয়ে আহত করে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

পোস্ট শেয়ার করুন

পুলিশের মারধরে জ্ঞান হারাল এসএসসি পরীক্ষার্থী

আপডেটের সময় : ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

মাদারীপুরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে পুলিশ ও আরেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা নির্যাতন করেছে। আহত শিক্ষার্থীকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডাসার থানাধীন সরকারি শেখ হাসিনা উইমেন্স একাডেমি পরীক্ষা কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী জাহিদ খানের সঙ্গে মিতু আক্তার নামে এক ছাত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। পরীক্ষা শেষে জাহিদ কেন্দ্রের বাইরে যাওয়া মাত্র ওই শিক্ষার্থীর বাবা-ভাই মিলে তাকে মারধর শুরু করে। এ সময় তাদের সঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এক পর্যায়ে জাহিদ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে সহপাঠীরা।

তবে জাহিদের ভাই জহির খান ও তার সহপাঠীরা বলেন, পুলিশ জাহিদকে কলেজের একটি রুমে নিয়ে গিয়ে বেধরকভাবে পিটিয়ে আহত করে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।