ঢাকা , সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪
  • / ১৬৬ টাইম ভিউ

বিএনপির আহবায়ক কমিটি পর্তুগাল এর উদ্যোগে এক জরুরী সভা ভার্চ্যুয়াল জুম এ আয়োজন করা হয়।
গতকাল (রোববার ) রাত ১১:৩০ ঘটিকায় পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব ছায়েফ আহমেদ সুইট ও যুগ্ম সচিব আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরী পারভেজ এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত ভার্চ্যুয়াল সভায় বক্তব্য রাখেন
পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক কমিটির সম্মানিত সিনিয়র সদস্য জহুরুল ইসলাম মিলন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাজল আহমেদ, যুগ্ন আহবায়ক এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ খালেদ আহমেদ মিনহাজ, মন্জুরুল হোসেন জিন্নাহ, সাইফুল হক, আজমল আহমেদ, সামসুজ্জামান জামান, এম কে নাসির, দেলোয়ার আহমেদ রাফি।
যুগ্ম সচিব আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরি পারভেজ ও মোঃ মাহফুজুল আলম সোহাগ।

সম্মানীত সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
আব্দুল হাসিব, সাইদুল ইসলাম, রুবেল চৌধুরী, জায়েদ আহমেদ, জামিল মিয়া, লিটন মিয়া, আব্দুল লতিফ কয়েস, নুরুন নাহার, শেখ নিজামুর রহমান টিপু , সিরাজ মোল্লা, আল আমিন হোসেন, আজাদ হোসেন, শাহাব উদ্দিন।

পর্তুগাল বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কবির আহমেদ খান, মহিন উদ্দিন, তারেক আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সানভি, জাবের হোসেন, নোবেল কাউসার, সৈয়দ রাসেল।
পর্তুগাল সেচ্ছাসেবক দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
সদস্য সচিব সুজন মিয়া
যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ আমান, ও কাজী ইব্রাহীম।
আরও উপস্থিত ছিলেন মারুফ আহমেদ, সোহেল আহমেদ, বিলাল হাজারী, এপি রমজান, সুমন মিয়া, কবির আহমেদ সহ আরো অনেকে,
উক্ত সাধারণ সভায় পোর্তো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকীর নামে আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরন করে যে আনন্দ উৎসব সহ, অসাংগঠনিক কার্যক্রম করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়, এবং সাংগঠনিক ভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং পোর্তোতে বিএনপির নাম ধারী অদক্ষ কতিপয় লোকদের বাদ দিয়ে শীগ্রই নতুন কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
এবং আগামী ৩০ জুন পোর্তো বিএনপিকে সু সংগঠিত করতে কর্মী সমাবেশের তারিখ ধার্য্য করা হয়। মিলফন্তেস বিএনপির কর্মী সমাবেশের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে।
সভায় বক্তারা বলেন
স্বাধীনতা – সার্বভৌমত্ব ও বহু দলীয় গণতন্ত্রের মহানায়ক, স্বাধীনতা যুদ্ধের এক অবিনশ্বর নক্ষত্র, বীর মুক্তিযুদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানএর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের সংবাদ শোনামাত্র বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নেন। এবং ২৭ শে মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারে নিজ কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
সেই বজ্রকন্ঠের ঘোষনায় আমরা পেয়েছি একটি মানচিত্র পেয়েছি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব।

জিয়ার এই রূপান্তর বা উত্থান বিস্ময়কর হতে পারে, কিন্তু তা আকস্মিক ছিল না। বরং বাংলাদেশের মানুষের বঞ্চনা, স্বাধীনতার স্বপ্ন, সর্বোপরি এটি ছিল তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত (জিয়াউর রহমান, ‘একটি জাতির জন্ম’)।

তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের একজন ছিলেন।
কিন্তু তিনি সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবধারীদের মধ্যেও অনন্য ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে।

শহীদ জিয়াউর রহমান মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই আমরা রাজপথে দাড়িয়ে দুটি কথা বলতে পারছি। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই আজ আওয়ামী লীগ বাংলার মাটিতে দাড়িয়ে বড় বড় কথা বলতে পারে।

জিয়াউর রহমান দেশ স্বাধীন করেছিলেন বলেই, শেখ হাসিনা ওয়াজেদ প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন।
আজ থেকে ৪৩ বছর আগে ওই ভারতের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্র করে জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছে। তাকে হত্যা করলে কি হবে, তার সৈনিকেরা এখনো থেমে থাকেনি। আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক তারেক রহমানের নেতৃত্বে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো।

পোস্ট শেয়ার করুন

পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়

আপডেটের সময় : ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

বিএনপির আহবায়ক কমিটি পর্তুগাল এর উদ্যোগে এক জরুরী সভা ভার্চ্যুয়াল জুম এ আয়োজন করা হয়।
গতকাল (রোববার ) রাত ১১:৩০ ঘটিকায় পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব ছায়েফ আহমেদ সুইট ও যুগ্ম সচিব আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরী পারভেজ এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত ভার্চ্যুয়াল সভায় বক্তব্য রাখেন
পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক কমিটির সম্মানিত সিনিয়র সদস্য জহুরুল ইসলাম মিলন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাজল আহমেদ, যুগ্ন আহবায়ক এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ খালেদ আহমেদ মিনহাজ, মন্জুরুল হোসেন জিন্নাহ, সাইফুল হক, আজমল আহমেদ, সামসুজ্জামান জামান, এম কে নাসির, দেলোয়ার আহমেদ রাফি।
যুগ্ম সচিব আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরি পারভেজ ও মোঃ মাহফুজুল আলম সোহাগ।

সম্মানীত সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
আব্দুল হাসিব, সাইদুল ইসলাম, রুবেল চৌধুরী, জায়েদ আহমেদ, জামিল মিয়া, লিটন মিয়া, আব্দুল লতিফ কয়েস, নুরুন নাহার, শেখ নিজামুর রহমান টিপু , সিরাজ মোল্লা, আল আমিন হোসেন, আজাদ হোসেন, শাহাব উদ্দিন।

পর্তুগাল বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কবির আহমেদ খান, মহিন উদ্দিন, তারেক আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সানভি, জাবের হোসেন, নোবেল কাউসার, সৈয়দ রাসেল।
পর্তুগাল সেচ্ছাসেবক দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
সদস্য সচিব সুজন মিয়া
যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ আমান, ও কাজী ইব্রাহীম।
আরও উপস্থিত ছিলেন মারুফ আহমেদ, সোহেল আহমেদ, বিলাল হাজারী, এপি রমজান, সুমন মিয়া, কবির আহমেদ সহ আরো অনেকে,
উক্ত সাধারণ সভায় পোর্তো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকীর নামে আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরন করে যে আনন্দ উৎসব সহ, অসাংগঠনিক কার্যক্রম করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়, এবং সাংগঠনিক ভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং পোর্তোতে বিএনপির নাম ধারী অদক্ষ কতিপয় লোকদের বাদ দিয়ে শীগ্রই নতুন কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
এবং আগামী ৩০ জুন পোর্তো বিএনপিকে সু সংগঠিত করতে কর্মী সমাবেশের তারিখ ধার্য্য করা হয়। মিলফন্তেস বিএনপির কর্মী সমাবেশের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে।
সভায় বক্তারা বলেন
স্বাধীনতা – সার্বভৌমত্ব ও বহু দলীয় গণতন্ত্রের মহানায়ক, স্বাধীনতা যুদ্ধের এক অবিনশ্বর নক্ষত্র, বীর মুক্তিযুদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানএর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের সংবাদ শোনামাত্র বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নেন। এবং ২৭ শে মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারে নিজ কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
সেই বজ্রকন্ঠের ঘোষনায় আমরা পেয়েছি একটি মানচিত্র পেয়েছি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব।

জিয়ার এই রূপান্তর বা উত্থান বিস্ময়কর হতে পারে, কিন্তু তা আকস্মিক ছিল না। বরং বাংলাদেশের মানুষের বঞ্চনা, স্বাধীনতার স্বপ্ন, সর্বোপরি এটি ছিল তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত (জিয়াউর রহমান, ‘একটি জাতির জন্ম’)।

তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের একজন ছিলেন।
কিন্তু তিনি সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবধারীদের মধ্যেও অনন্য ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে।

শহীদ জিয়াউর রহমান মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই আমরা রাজপথে দাড়িয়ে দুটি কথা বলতে পারছি। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই আজ আওয়ামী লীগ বাংলার মাটিতে দাড়িয়ে বড় বড় কথা বলতে পারে।

জিয়াউর রহমান দেশ স্বাধীন করেছিলেন বলেই, শেখ হাসিনা ওয়াজেদ প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন।
আজ থেকে ৪৩ বছর আগে ওই ভারতের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্র করে জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছে। তাকে হত্যা করলে কি হবে, তার সৈনিকেরা এখনো থেমে থাকেনি। আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক তারেক রহমানের নেতৃত্বে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো।