ঢাকা , রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে… এই অভ্যাসগুলোর চর্চা নিয়মিত করা উচিৎ স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য থাকা জরুরি কেনো ? পুনাক এর উদ্যোগে দুস্হ ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে কুলাউড়ার টিলাগাঁও এ সরকারি গাছ বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক লটারি বাইক জিতলো মা’ সে কারণে কপাল পুড়লো মেয়ের ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দলের আক্রমনে প্রান গেলো ইজাজুলের সাবেক সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামিলীগের মতবিনিময় সভা

পরিত্যক্ত ভবনেই চলে বন বিভাগের কার্যক্রম

দেশদিগন্ত
  • আপডেটের সময় : ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
  • / ৩২২ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত :হবিগঞ্জের  শায়েস্তাগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনেই চলছে বন বিভাগের অফিসের কার্যক্রম। আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ভবনে বসবাস করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

১৯৬৫ সালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব লেঞ্জাপাড়া গ্রামে এক একর জমির উপর নির্মাণ করা হয় বন বিভাগের এ অফিস। দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের অফিসটির কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে।

অফিসের সামনে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। অফিসটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে তেমন কোনো সংস্কার না হওয়ায় এ ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তিনটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, তবুও নতুন ভবন নির্মাণ হচ্ছে না। এদিকে বাকি ভবনগুলোর অবস্থাও সংকটাপন্ন। অফিস ভেঙে মাথায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন অফিসে কর্মরতরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসে কর্মরত একজন বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। ভবনগুলোর অবস্থা করুন থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের টনক না নড়লে কী আর করার আছে।

এলাকার জনগণ বলেন সরকারি একটি অফিস ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে কেন। বহুদিন ধরেই ভাঙাচোরা অফিসেই কাজ করছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এলাকাবসীরা বলেন  কী কারণে রেঞ্জ অফিসটি অবহেলিত আমরা বুঝে উঠতে পারছি না। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে সীমানা প্রাচীরসহ একটি সুন্দর রেঞ্জ অফিস করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

শায়েস্তাগঞ্জ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার আব্দুল খালেক বলেন, আমাদের এ অফিসের সবগুলো ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ এবং সবগুলো ভবনই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও পরিত্যক্ত ভবনেই অফিসের কার্যক্রম চলছে। আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা।

হবিগঞ্জ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মারুফ হোসেন জানান, এই রেঞ্জ অফিসটি পুনর্নির্মাণের আওতাধীন আছে। আগামী বছরের প্রথম দিকে হয়ত কাজ শুরু হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এসএম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নতুন করে ভবন নির্মাণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছি। আশা করছি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করা হবে।

পোস্ট শেয়ার করুন

পরিত্যক্ত ভবনেই চলে বন বিভাগের কার্যক্রম

আপডেটের সময় : ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

দেশদিগন্ত :হবিগঞ্জের  শায়েস্তাগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনেই চলছে বন বিভাগের অফিসের কার্যক্রম। আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ভবনে বসবাস করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

১৯৬৫ সালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব লেঞ্জাপাড়া গ্রামে এক একর জমির উপর নির্মাণ করা হয় বন বিভাগের এ অফিস। দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের অফিসটির কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে।

অফিসের সামনে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। অফিসটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে তেমন কোনো সংস্কার না হওয়ায় এ ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তিনটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, তবুও নতুন ভবন নির্মাণ হচ্ছে না। এদিকে বাকি ভবনগুলোর অবস্থাও সংকটাপন্ন। অফিস ভেঙে মাথায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন অফিসে কর্মরতরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসে কর্মরত একজন বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। ভবনগুলোর অবস্থা করুন থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের টনক না নড়লে কী আর করার আছে।

এলাকার জনগণ বলেন সরকারি একটি অফিস ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে কেন। বহুদিন ধরেই ভাঙাচোরা অফিসেই কাজ করছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এলাকাবসীরা বলেন  কী কারণে রেঞ্জ অফিসটি অবহেলিত আমরা বুঝে উঠতে পারছি না। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে সীমানা প্রাচীরসহ একটি সুন্দর রেঞ্জ অফিস করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

শায়েস্তাগঞ্জ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার আব্দুল খালেক বলেন, আমাদের এ অফিসের সবগুলো ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ এবং সবগুলো ভবনই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও পরিত্যক্ত ভবনেই অফিসের কার্যক্রম চলছে। আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা।

হবিগঞ্জ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মারুফ হোসেন জানান, এই রেঞ্জ অফিসটি পুনর্নির্মাণের আওতাধীন আছে। আগামী বছরের প্রথম দিকে হয়ত কাজ শুরু হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এসএম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নতুন করে ভবন নির্মাণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছি। আশা করছি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করা হবে।