ঢাকা , রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭
  • / ১২৮৭ টাইম ভিউ

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হেমায়েত উদ্দিন সরকারের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে নিজ বাসার বেইজমেন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।স্ত্রী ও ৪ বছরের ছেলেসহ নিউইয়র্কের কুইন্স ভিলেজে বসবাস করতেন পুলিশ কর্মকর্তা হেমায়েত সরকার। কয়েক মাস আগে তিনি এই বাড়িটি কিনেছিলেন। ২০০৫ সালে ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এনওয়াইপিডির অফিসার পদে যোগদান করেন। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তা হেমায়েত উদ্দিন সরকার আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেন তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের জন্যে মরদেহ সিটি মেডিক্যাল এক্সামিনারের অফিসে নেয়া হয়েছে।নিজ বাড়ির বেইজমেন্টে যখন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো তখন তার স্ত্রী-সন্তান, বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। হেমায়েত সরকারের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলায়। ২০০২ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। তিনি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের রুকলিনের হাউজিং-২ শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পুলিশ বাসাটি ঘিরে রেখেছে।এদিকে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার মাগরিবের নামাজের পর জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে হেমায়েত সরকারের নামাজের জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন তার মরদেহ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কবরস্থানে দাফন করা হবে।তিনি বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফার্মাসিস্ট সৈয়দ টিপু সুলতানের ভাগ্নি জামাই এবং বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কার্যকরি সদস্য খোরশেদ আলমের শ্যালক।

পোস্ট শেয়ার করুন

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আপডেটের সময় : ০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হেমায়েত উদ্দিন সরকারের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে নিজ বাসার বেইজমেন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।স্ত্রী ও ৪ বছরের ছেলেসহ নিউইয়র্কের কুইন্স ভিলেজে বসবাস করতেন পুলিশ কর্মকর্তা হেমায়েত সরকার। কয়েক মাস আগে তিনি এই বাড়িটি কিনেছিলেন। ২০০৫ সালে ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এনওয়াইপিডির অফিসার পদে যোগদান করেন। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তা হেমায়েত উদ্দিন সরকার আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেন তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের জন্যে মরদেহ সিটি মেডিক্যাল এক্সামিনারের অফিসে নেয়া হয়েছে।নিজ বাড়ির বেইজমেন্টে যখন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো তখন তার স্ত্রী-সন্তান, বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। হেমায়েত সরকারের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলায়। ২০০২ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। তিনি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের রুকলিনের হাউজিং-২ শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পুলিশ বাসাটি ঘিরে রেখেছে।এদিকে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার মাগরিবের নামাজের পর জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে হেমায়েত সরকারের নামাজের জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন তার মরদেহ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কবরস্থানে দাফন করা হবে।তিনি বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফার্মাসিস্ট সৈয়দ টিপু সুলতানের ভাগ্নি জামাই এবং বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কার্যকরি সদস্য খোরশেদ আলমের শ্যালক।