ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল উত্তাল

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯
  • / ৪২৪ টাইম ভিউ

ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত অমুসলিমদের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল-২০১৯ (সিএবি) পাসের প্রতিবাদে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ধর্মঘট পালন করছে বিভিন্ন সংগঠন।

আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম সহ উত্তর-পূর্বের একাধিক ছাত্র সংগঠনের ডাকে মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে এই ধর্মঘট। অন্যান্য সংগঠন ও রাজনৈতিক দল সমর্থিত নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (নেসো) বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ধর্মঘট পালন করবে।

এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে আজ বিলটি রাজ্য সভায় উত্থাপনের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে বুধবার করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

ধর্মঘটকে ঘিরে কোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এই ধর্মঘটে সমর্থন দিয়েছে কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন।

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) শাসনের আওতাধীন করার কথা বলার পরেই এই আন্দোলন থেকে সরে এসেছে মণিপুর।

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব (সংশোধন) বিল প্রথম তৈরি হয়েছিল ২০১২ সালে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতেই তৈরি করা হয়েছিল এই বিল। বর্তমানে ১১ বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর ভারতের বাসিন্দা হলেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন তারা। একই সঙ্গে, নয়া সংশোধনী বিল নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছেন উত্তর-পূর্ব রাজ্যের ভূমিপু্ত্ররা। তাদের ভয়, সংশোধনী বিলের সাহায্যে নাগরিকত্ব লাভের পর নতুন বাসিন্দারা হয়ত উচ্ছেদ করবেন তাদের। হয়ত টান পড়বে তাদের রুজি-রোজগারে।

পোস্ট শেয়ার করুন

নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল উত্তাল

আপডেটের সময় : ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত অমুসলিমদের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল-২০১৯ (সিএবি) পাসের প্রতিবাদে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ধর্মঘট পালন করছে বিভিন্ন সংগঠন।

আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম সহ উত্তর-পূর্বের একাধিক ছাত্র সংগঠনের ডাকে মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে এই ধর্মঘট। অন্যান্য সংগঠন ও রাজনৈতিক দল সমর্থিত নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (নেসো) বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ধর্মঘট পালন করবে।

এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে আজ বিলটি রাজ্য সভায় উত্থাপনের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে বুধবার করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

ধর্মঘটকে ঘিরে কোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এই ধর্মঘটে সমর্থন দিয়েছে কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন।

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) শাসনের আওতাধীন করার কথা বলার পরেই এই আন্দোলন থেকে সরে এসেছে মণিপুর।

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব (সংশোধন) বিল প্রথম তৈরি হয়েছিল ২০১২ সালে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতেই তৈরি করা হয়েছিল এই বিল। বর্তমানে ১১ বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর ভারতের বাসিন্দা হলেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন তারা। একই সঙ্গে, নয়া সংশোধনী বিল নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছেন উত্তর-পূর্ব রাজ্যের ভূমিপু্ত্ররা। তাদের ভয়, সংশোধনী বিলের সাহায্যে নাগরিকত্ব লাভের পর নতুন বাসিন্দারা হয়ত উচ্ছেদ করবেন তাদের। হয়ত টান পড়বে তাদের রুজি-রোজগারে।