ঢাকা , রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দারুলের সনদে এমপিওভুক্তির দাবি

শাহ আলমঃ
  • আপডেটের সময় : ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯
  • / ১১০৪ টাইম ভিউ

শাহ আলমঃ সার্টিফিকেট বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ গ্রহণ করে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদধারীরা। মঙ্গলবার (১১ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে এমপিও বঞ্চিত ফোরাম’ এর ব্যানারে মানববন্ধন করে এ দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মানববন্ধনে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারীরা জানান, ‘২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল মাসে দেয়া উচ্চ আদালতের এক রায়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। সনদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে। আমরা বেসরকারি স্কুল কলেজে নিয়োগ পেয়েছি। আমাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ গভর্নিংবডি বা ম্যানেজিং কমিটি। তারা আমাদের সনদ গ্রহণ করে আমাদের নিয়োগ দিয়েছেন। আদালতের রায় ঘোষণার আগে ও পরে উভয় ক্ষেত্রেই নিয়োগ হয়েছে। এনটিআরসিএ নিয়োগের সুপারিশ করেছে। কিন্তু এমপিওভুক্ত হতে পারছি না আমরা।’

সনদধারীরা দাবি করেন, ‘আমরা যারা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছি, প্রত্যেকের নিয়োগ যথাযথভাবে হয়েছে। নিয়োগে ডিজির প্রতিনিধি ছিলেন। আর অনেককে এনটিআরসিএ সুপারিশ করেছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি যোগদান করিয়েছে। আদালতের রায় ছিল- কর্তৃপক্ষ সনদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করবে। আমাদের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের কমিটি। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সনদ গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলেই নিয়োগ দিয়েছেন, তাহলে আমরা এমপিও পাবো না কেন?’

তারা আরও দাবি করেন, ‘এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারীদের ক্ষেত্রে দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। দারুলের সনদে বেশিরভাগ শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও না পেলেও তদবির করে অনেকে এমপিওভুক্ত হয়েছেন।’ এ সময় ১৫ জন শিক্ষক দারুলের সনদে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদধারীরা।

সনদধারীরা আরও জানান, ‘গত ২৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে এমপিওভুক্তির আদেশ জারি হলেও তার পর দিনই তা স্থগিত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আমাদের জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত ছাড়া আদেশ জারি হয়েছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয় মতামত দেয়ার পরেও সে বিষয়টি স্থগিত আছে।’

মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী এমপিও বঞ্চিত ফোরামের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ছিয়ামুল ইসলাম, ও সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহ আলম সহ বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সকলেই দাবী করেন জরুরী ভিত্তিতে হাইকোটের রায়ের আলোকে এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ২৮ শে আগষ্টের আদেশ কপিটি দ্রুত বাস্তবায়নে জন্য শিক্ষা মন্ত্রী ও প্রধান মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

দারুলের সনদে এমপিওভুক্তির দাবি

আপডেটের সময় : ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

শাহ আলমঃ সার্টিফিকেট বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ গ্রহণ করে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদধারীরা। মঙ্গলবার (১১ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে এমপিও বঞ্চিত ফোরাম’ এর ব্যানারে মানববন্ধন করে এ দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মানববন্ধনে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারীরা জানান, ‘২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল মাসে দেয়া উচ্চ আদালতের এক রায়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। সনদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে। আমরা বেসরকারি স্কুল কলেজে নিয়োগ পেয়েছি। আমাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ গভর্নিংবডি বা ম্যানেজিং কমিটি। তারা আমাদের সনদ গ্রহণ করে আমাদের নিয়োগ দিয়েছেন। আদালতের রায় ঘোষণার আগে ও পরে উভয় ক্ষেত্রেই নিয়োগ হয়েছে। এনটিআরসিএ নিয়োগের সুপারিশ করেছে। কিন্তু এমপিওভুক্ত হতে পারছি না আমরা।’

সনদধারীরা দাবি করেন, ‘আমরা যারা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছি, প্রত্যেকের নিয়োগ যথাযথভাবে হয়েছে। নিয়োগে ডিজির প্রতিনিধি ছিলেন। আর অনেককে এনটিআরসিএ সুপারিশ করেছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি যোগদান করিয়েছে। আদালতের রায় ছিল- কর্তৃপক্ষ সনদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করবে। আমাদের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের কমিটি। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সনদ গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলেই নিয়োগ দিয়েছেন, তাহলে আমরা এমপিও পাবো না কেন?’

তারা আরও দাবি করেন, ‘এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারীদের ক্ষেত্রে দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। দারুলের সনদে বেশিরভাগ শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও না পেলেও তদবির করে অনেকে এমপিওভুক্ত হয়েছেন।’ এ সময় ১৫ জন শিক্ষক দারুলের সনদে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদধারীরা।

সনদধারীরা আরও জানান, ‘গত ২৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে এমপিওভুক্তির আদেশ জারি হলেও তার পর দিনই তা স্থগিত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আমাদের জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত ছাড়া আদেশ জারি হয়েছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয় মতামত দেয়ার পরেও সে বিষয়টি স্থগিত আছে।’

মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী এমপিও বঞ্চিত ফোরামের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ছিয়ামুল ইসলাম, ও সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহ আলম সহ বিশ্ববিদ্যালয়টির সনদে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সকলেই দাবী করেন জরুরী ভিত্তিতে হাইকোটের রায়ের আলোকে এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ২৮ শে আগষ্টের আদেশ কপিটি দ্রুত বাস্তবায়নে জন্য শিক্ষা মন্ত্রী ও প্রধান মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।