ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

দক্ষিণ আফ্রিকার জয় দিয়ে সিরিজ শুরু

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১০৭৫ টাইম ভিউ

কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভাল। নিখান ব্যাটিং সহায়ক পিচ। এই পিচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। তবে ২৭৮ রানের পুঁজিও কম নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বোলারদের জন্য এই রান ডিপেন্ড করা কষ্টসাধ্যই হওয়ার কথা। কিন্তু ডিপেন্ড তো দূরের কথা; লড়াইয়ের ছিঁটেফোটাও উপহার দিতে পারেননি মাশরাফি-রুবেল-তাসকিন-সাকিবরা। বাংলাদেশের বোলারদের রীতিমতো তুলোধুনো করে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল প্রোটিয়ারা।

রোববার কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহীমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং টপ ও মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের ছোট অথচ কার্যকরী ইনিংসের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রানের সংগ্রহ গড়ে টাইগাররা। হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি ককের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৩ বল ও ১০ উইকেট হাতে রেখে হেসেখেলেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি করা ডি কক ১৪৫ বলে ১৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের ২৬তম সেঞ্চুরি করা আমলা ১১২ বলে ১১০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

আগামী ১৮ অক্টোবর সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২২ তারিখে মাঠে গড়াবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। ওয়ানডের পর ২৬ ও ২৯ তারিখে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগার ও প্রোটিয়ারা।

২৭৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আস্থার সঙ্গে খেলতে থাকেন ডি কক ও আমলা। রুবেল হোসেন, মাশরাফি ও সাকিক-তাসকিনদের হতাশ করে ধীরে ধীরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচের লাগাম এনে দেন এই দুজন। এই দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ।

এর আগে মুশফিকের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে লড়াকু সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা মুশফিক ১১৭ বলে ১১০ রানের দারুণ ইনিংস উপহার দেন। এছাড়া ইমরুল কায়েস ৩১, সাকিব আল হাসান ২৯, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৬, লিটন দাস ২১, সাব্বির রহমান ১৯, অভিষিক্ত মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ১৬ এবং নাসির হোসেন করেন ১১ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ক্যাগিসো রাবাদা চারটি ও ডোয়াইন প্রেটোরিয়াস নেন দুটি উইকেট। ইমরান তাহির নেন একটি উইকেট।

৬৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে বিপদমুক্ত করেন সাকিব ও মুশফিক। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন ৫৯ রানের জুটি গড়ে টাইগার শিবিরে স্বস্তি ফেরেন। সাকিবের বিদায়ের পর কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক। এই দুজনের মধ্যকার ৬৯ রানের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে সংগ্রহটা ৩০০ ছুঁই ছুঁই হয়নি বাংলাদেশের।

পোস্ট শেয়ার করুন

দক্ষিণ আফ্রিকার জয় দিয়ে সিরিজ শুরু

আপডেটের সময় : ০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভাল। নিখান ব্যাটিং সহায়ক পিচ। এই পিচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। তবে ২৭৮ রানের পুঁজিও কম নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বোলারদের জন্য এই রান ডিপেন্ড করা কষ্টসাধ্যই হওয়ার কথা। কিন্তু ডিপেন্ড তো দূরের কথা; লড়াইয়ের ছিঁটেফোটাও উপহার দিতে পারেননি মাশরাফি-রুবেল-তাসকিন-সাকিবরা। বাংলাদেশের বোলারদের রীতিমতো তুলোধুনো করে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল প্রোটিয়ারা।

রোববার কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহীমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং টপ ও মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের ছোট অথচ কার্যকরী ইনিংসের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রানের সংগ্রহ গড়ে টাইগাররা। হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি ককের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৩ বল ও ১০ উইকেট হাতে রেখে হেসেখেলেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি করা ডি কক ১৪৫ বলে ১৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের ২৬তম সেঞ্চুরি করা আমলা ১১২ বলে ১১০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

আগামী ১৮ অক্টোবর সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২২ তারিখে মাঠে গড়াবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। ওয়ানডের পর ২৬ ও ২৯ তারিখে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগার ও প্রোটিয়ারা।

২৭৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আস্থার সঙ্গে খেলতে থাকেন ডি কক ও আমলা। রুবেল হোসেন, মাশরাফি ও সাকিক-তাসকিনদের হতাশ করে ধীরে ধীরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচের লাগাম এনে দেন এই দুজন। এই দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ।

এর আগে মুশফিকের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে লড়াকু সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা মুশফিক ১১৭ বলে ১১০ রানের দারুণ ইনিংস উপহার দেন। এছাড়া ইমরুল কায়েস ৩১, সাকিব আল হাসান ২৯, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৬, লিটন দাস ২১, সাব্বির রহমান ১৯, অভিষিক্ত মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ১৬ এবং নাসির হোসেন করেন ১১ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ক্যাগিসো রাবাদা চারটি ও ডোয়াইন প্রেটোরিয়াস নেন দুটি উইকেট। ইমরান তাহির নেন একটি উইকেট।

৬৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে বিপদমুক্ত করেন সাকিব ও মুশফিক। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন ৫৯ রানের জুটি গড়ে টাইগার শিবিরে স্বস্তি ফেরেন। সাকিবের বিদায়ের পর কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক। এই দুজনের মধ্যকার ৬৯ রানের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে সংগ্রহটা ৩০০ ছুঁই ছুঁই হয়নি বাংলাদেশের।