ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রাষ্ট্র অথবা গণতন্ত্রহীনতার সুফল————-কাওছার আহমেদ বাপ্পু

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০১৯
  • / ৭৩০ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ   যতটা না রোদ, তারও বেশি গুজব। অধিকারের ওপর …জব করা একটা সময় কাটতেছে বেশ উত্তেজনায়, গোঙানিতে, শিহরণে, আনন্দে, ছন্দে। ছন্দ তো বটেই— একেকজন মন্ত্রী-মেয়র এখন কবিতার মতোই প্যারায় প্যারা মিলিয়ে ছন্দভাষণ দিতেছেন। কেউ বলেন— ডেঙ্গু এখনো মহামারী আকার ধারণ করেনি। কেউ বলেন— পায়জামা-পাঞ্জাবি পরেন, পারলে মোজা পড়েন। মশা কামড়াবে না। প্যারায় প্যারা মিলায়ে কী একটা ‘প্যারা’ময় অবস্থা! মশা কামড়াক আর না কামড়াক, এই মানুষরূপী ডেঙ্গুরা রোজই কামড়ে যাইতেছে আমাদের প্রতিটি শরীর। সবার হয়তো ডেঙ্গু হয় নাই, তবে রাষ্ট্রের ডেঙ্গু হইছে বহু আগেই। স্বস্তির বিষয়— আপনার ডেঙ্গু থেকে বাঁচার যেমন কোনো ওষুধ নাই, একইভাবে এই জ্বর থিকা বাঁচার কুনো ওষুধ কিংবা উপায় নাই রাষ্ট্রেরও। এর নির্লজ্জতার সীমা ডেঙ্গু আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীর প্লাটিলেট কাউন্ট ছাড়ায়েও নিচে নাইমা গেছে। আর লজ্জাসীমার প্লাটিলেট নেমে গেছে সাধারণ ও অসাধারণ মানুষদেরও। তেমনি কিছু অসাধারণ মানুষ, তথা গোটা বিশেক ফ্লপ তারকারা এফডিসিতে ঝাড়ু নিয়া নামছিলেন মশা তাড়াইতে। যেই এফডিসিরে আইজ তাদের মনে পড়ছে, সেই এফডিসিরে পরিষ্কার আর সংস্কারের নামে ঝাড়ু দিয়া ডাস্টবিনে কিন্তু সেই কবে ফালায়ে দিছিলেন তারাই। কবেকার কথা বাদ, আইজ তো স্বয়ং তারিন আপাই বলতেছেন, ‘’মানুষের কথায় তো আর নর্দমা পরিষ্কার করব না!’ কথা সত্য, তথ্য আছে। মানুষের কথায় কী আসে যায়! তেল মাথায় তেল, আর পরিষ্কার জায়গা সর্বদাই পরিষ্কার রাখতে হয়। আর এফডিসির হর্তা জায়েদ খান কী বললেন, সেইটা বিষয়ই না। জায়েদ খান আর কাদের সাহেবের মন্তব্য খুব হাই থটের হয়। যেমন হাই থটের আমাদের বিচার ব্যবস্থা, সরকারি জরিপ ও সরকারি অনুদানের হজ্ব। অবশ্য সাধারণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এই শয়তানেরা একসাথে হজ্বে গিয়াও কিছু করতে পারবে কি না জানি না। তবে পুলিশেরা একসাথে এখন অনেক কিছু করতে পারে। এই যেমন ধরেন ওসিসহ ৫ জন পুলিশ মিলে ধর্ষণ। কিছু একটার উন্নয়ন তো হচ্ছে, হোক তা ধর্ষোন্নয়ন কিংবা ক্রসফায়ারের নামে লাশোন্নয়ন। যখন উন্নয়নের বাহকেরা উন্নয়ন শুনলেও কালো চশমা পড়ে থাকে, বুঝে নেবেন দিনে-রাতে তখন তীব্র রোদ। সুশীলদের মতো সরকারও সব উন্নয়নের ক্রেডিট নিতে চায় না। কিছু ক্রেডিট পরে থাক রাস্তায়, ডাস্টবিনে, খালে। আপনার আমার কিংবা গণতন্ত্রের মতো।

পোস্ট শেয়ার করুন

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রাষ্ট্র অথবা গণতন্ত্রহীনতার সুফল————-কাওছার আহমেদ বাপ্পু

আপডেটের সময় : ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ   যতটা না রোদ, তারও বেশি গুজব। অধিকারের ওপর …জব করা একটা সময় কাটতেছে বেশ উত্তেজনায়, গোঙানিতে, শিহরণে, আনন্দে, ছন্দে। ছন্দ তো বটেই— একেকজন মন্ত্রী-মেয়র এখন কবিতার মতোই প্যারায় প্যারা মিলিয়ে ছন্দভাষণ দিতেছেন। কেউ বলেন— ডেঙ্গু এখনো মহামারী আকার ধারণ করেনি। কেউ বলেন— পায়জামা-পাঞ্জাবি পরেন, পারলে মোজা পড়েন। মশা কামড়াবে না। প্যারায় প্যারা মিলায়ে কী একটা ‘প্যারা’ময় অবস্থা! মশা কামড়াক আর না কামড়াক, এই মানুষরূপী ডেঙ্গুরা রোজই কামড়ে যাইতেছে আমাদের প্রতিটি শরীর। সবার হয়তো ডেঙ্গু হয় নাই, তবে রাষ্ট্রের ডেঙ্গু হইছে বহু আগেই। স্বস্তির বিষয়— আপনার ডেঙ্গু থেকে বাঁচার যেমন কোনো ওষুধ নাই, একইভাবে এই জ্বর থিকা বাঁচার কুনো ওষুধ কিংবা উপায় নাই রাষ্ট্রেরও। এর নির্লজ্জতার সীমা ডেঙ্গু আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীর প্লাটিলেট কাউন্ট ছাড়ায়েও নিচে নাইমা গেছে। আর লজ্জাসীমার প্লাটিলেট নেমে গেছে সাধারণ ও অসাধারণ মানুষদেরও। তেমনি কিছু অসাধারণ মানুষ, তথা গোটা বিশেক ফ্লপ তারকারা এফডিসিতে ঝাড়ু নিয়া নামছিলেন মশা তাড়াইতে। যেই এফডিসিরে আইজ তাদের মনে পড়ছে, সেই এফডিসিরে পরিষ্কার আর সংস্কারের নামে ঝাড়ু দিয়া ডাস্টবিনে কিন্তু সেই কবে ফালায়ে দিছিলেন তারাই। কবেকার কথা বাদ, আইজ তো স্বয়ং তারিন আপাই বলতেছেন, ‘’মানুষের কথায় তো আর নর্দমা পরিষ্কার করব না!’ কথা সত্য, তথ্য আছে। মানুষের কথায় কী আসে যায়! তেল মাথায় তেল, আর পরিষ্কার জায়গা সর্বদাই পরিষ্কার রাখতে হয়। আর এফডিসির হর্তা জায়েদ খান কী বললেন, সেইটা বিষয়ই না। জায়েদ খান আর কাদের সাহেবের মন্তব্য খুব হাই থটের হয়। যেমন হাই থটের আমাদের বিচার ব্যবস্থা, সরকারি জরিপ ও সরকারি অনুদানের হজ্ব। অবশ্য সাধারণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এই শয়তানেরা একসাথে হজ্বে গিয়াও কিছু করতে পারবে কি না জানি না। তবে পুলিশেরা একসাথে এখন অনেক কিছু করতে পারে। এই যেমন ধরেন ওসিসহ ৫ জন পুলিশ মিলে ধর্ষণ। কিছু একটার উন্নয়ন তো হচ্ছে, হোক তা ধর্ষোন্নয়ন কিংবা ক্রসফায়ারের নামে লাশোন্নয়ন। যখন উন্নয়নের বাহকেরা উন্নয়ন শুনলেও কালো চশমা পড়ে থাকে, বুঝে নেবেন দিনে-রাতে তখন তীব্র রোদ। সুশীলদের মতো সরকারও সব উন্নয়নের ক্রেডিট নিতে চায় না। কিছু ক্রেডিট পরে থাক রাস্তায়, ডাস্টবিনে, খালে। আপনার আমার কিংবা গণতন্ত্রের মতো।