ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

টানা বর্ষনে মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি : ৫০ হাজার মানুষ পানি বন্ধি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯
  • / ৬৬৯ টাইম ভিউ

কয়েক দিনের টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মনু, কুশিয়ারা এবং ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঝুকিতে রয়েছে মনু প্রতিরক্ষা বাঁধের অন্তত ৫ থেকে ৬টি স্থান। বন্যায় জেলায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানি বন্ধি হয়ে আছেন। 

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার হামরকোনার কুশিয়ারা নদীর বাঁধে নতুন করে আরো একটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এর আগে শনিবার ওই এলাকায় আরো ৩টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেয়।

অপর দিকে কমলগঞ্জে ধলাই নদীর পূরনো ৩টি ভাঙ্গন দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ  করে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত করেছে। বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই উঁচুস্থান ও আশ্রয় কেন্দ্রে উটেছেন। বন্যা দুর্গতরা বলছেন, বন্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর তারা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্ত্তী জানান, মঙ্গলবার ১৬ জুলাই সকাল ১১ টায় মনুনদী-শহরের চাঁদনী ঘাটে ১০০ সে: মি: ও মনু রেলওয়ে ব্রীজের কাছে ৩৫ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদী শেরপুরের কাছে ৫৪ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ধলাই নদী কমলগঞ্জে ২৬ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

টানা বর্ষনে মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি : ৫০ হাজার মানুষ পানি বন্ধি

আপডেটের সময় : ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯

কয়েক দিনের টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মনু, কুশিয়ারা এবং ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঝুকিতে রয়েছে মনু প্রতিরক্ষা বাঁধের অন্তত ৫ থেকে ৬টি স্থান। বন্যায় জেলায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানি বন্ধি হয়ে আছেন। 

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার হামরকোনার কুশিয়ারা নদীর বাঁধে নতুন করে আরো একটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এর আগে শনিবার ওই এলাকায় আরো ৩টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেয়।

অপর দিকে কমলগঞ্জে ধলাই নদীর পূরনো ৩টি ভাঙ্গন দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ  করে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত করেছে। বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই উঁচুস্থান ও আশ্রয় কেন্দ্রে উটেছেন। বন্যা দুর্গতরা বলছেন, বন্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর তারা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্ত্তী জানান, মঙ্গলবার ১৬ জুলাই সকাল ১১ টায় মনুনদী-শহরের চাঁদনী ঘাটে ১০০ সে: মি: ও মনু রেলওয়ে ব্রীজের কাছে ৩৫ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদী শেরপুরের কাছে ৫৪ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ধলাই নদী কমলগঞ্জে ২৬ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।