ঢাকা , শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০
  • / ২৪৭ টাইম ভিউ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কলেজছাত্রী। উপজেলার কাগুজিআটা গ্রামে এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই  গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রশিদের ছেলে এনামুল, মুনছুর আলীর ছেলে জালাল, আব্দুল খালেক, শুক্কুর আলীর ছেলে আলতাব হোসেন গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর  ধর্ষণ করে  মঙ্গলবার ভোরে মোহনপুর ঘাটে এসে ফেলে রেখে যায়।

ধর্ষণের শিকার ওই কলেজছাত্রী জানায়, উপজেলার কাগুজিআটা গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও এনামুল রাস্তায় যাওয়া আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। সোমবার সন্ধ্যায় সে স্থানীয় মোহনপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা শফিকুল, এনামুল, জালাল, খালেক, আলতাব হোসেন তার মুখ বেঁধে নৌকায় তুলে শফিকুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে আটকে রেখে তারা পাঁচজন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে। পরে ভোরে নৌকায় করে মোহনপুর ঘাটে এসে ফেলে রেখে যায় তাকে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে মেয়েটি টাঙ্গাইল মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোশারফ হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে কেউ এখনও অভিযোগ করেননি।

পোস্ট শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণ

আপডেটের সময় : ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কলেজছাত্রী। উপজেলার কাগুজিআটা গ্রামে এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই  গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রশিদের ছেলে এনামুল, মুনছুর আলীর ছেলে জালাল, আব্দুল খালেক, শুক্কুর আলীর ছেলে আলতাব হোসেন গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর  ধর্ষণ করে  মঙ্গলবার ভোরে মোহনপুর ঘাটে এসে ফেলে রেখে যায়।

ধর্ষণের শিকার ওই কলেজছাত্রী জানায়, উপজেলার কাগুজিআটা গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও এনামুল রাস্তায় যাওয়া আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। সোমবার সন্ধ্যায় সে স্থানীয় মোহনপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা শফিকুল, এনামুল, জালাল, খালেক, আলতাব হোসেন তার মুখ বেঁধে নৌকায় তুলে শফিকুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে আটকে রেখে তারা পাঁচজন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে। পরে ভোরে নৌকায় করে মোহনপুর ঘাটে এসে ফেলে রেখে যায় তাকে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে মেয়েটি টাঙ্গাইল মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোশারফ হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে কেউ এখনও অভিযোগ করেননি।