ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে… এই অভ্যাসগুলোর চর্চা নিয়মিত করা উচিৎ স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য থাকা জরুরি কেনো ? পুনাক এর উদ্যোগে দুস্হ ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে কুলাউড়ার টিলাগাঁও এ সরকারি গাছ বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক লটারি বাইক জিতলো মা’ সে কারণে কপাল পুড়লো মেয়ের ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দলের আক্রমনে প্রান গেলো ইজাজুলের সাবেক সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামিলীগের মতবিনিময় সভা

গ্রাহকের জন্য বাড়তি যন্ত্রণা বিদ্যুতের বিলের সাথে মিটার ভাড়া

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০
  • / ৯৮৯ টাইম ভিউ

 

করোনাকালে গ্রাহকের জন্য বাড়তি যন্ত্রণা হয়ে এসেছে বিদ্যুতের বিল সাথে মিটার ভাড়া । কারো কারো বেলায় ১০ থেকে ১৬ গুণ বাড়তি টাকা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ভুতুড়ে বিল,তার উপর আবার মিটারের বিল এই যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।
মিটারের কাছে না এসেই আন্দাজের ওপর অনেক গ্রাহকের বিলে অতিরিক্ত রিডিং যোগ করা হয়েছে। এমনটা করা বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
প্রায় সারাদেশেই গ্রাহকরা এই ভুতুড়ে বিলের শিকার বলে সোস্যাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যমে নিয়মিত খবর আসছে।
আরইবির ৮০টি সমিতি, ডিপিডিসি, ডেসকোসহ দেশের ছয়টি বিতরণ কোম্পানিরই গ্রাহকদের একাংশ ১০ থেকে ১২ গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল পেয়েছেন।
একজন গ্রাহক স্বাভাবিকের চেয়ে ১৬ গুণ বেশি বিলও পেয়েছেন,তার মধ্যে মিটারের ভাড়া দিতে হয়, সত্যিই সেলুকাজ,বিদ্যুৎ বিলে বিলম্ব মাসুলসহ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ১৪ জুন ২০২০ উল্লেখ করা হলেও বিলের অপর অংশে নোটিস করা হয়েছে বিল পরিশোধিত না হইলে, কোনোরূপ পূর্ব নোটিস ব্যতিরেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
এমনিতেই গ্রাহকরা ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া, সার্ভিস চার্জ প্রতি মাসে বিলের সঙ্গে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ,এ যেনো অন্যায় ও অনিয়মের সংস্কৃতি চালু করেছে বিদুৎ বিভাগ ।

এই সংকট থেকে মুক্তির পথ খুঁজে বের করতে হবে , মিটার বিল যোগ করলে বিল বাড়তি হচ্ছে,তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় দাঁড়াবে? এসব অনিয়ম দেখবে কে ?
আমাদের দেশে অতীতে বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম, হয়রানি ও ভোগান্তির বিরুদ্ধে গণআন্দোলনেরও নজির রয়েছে।
অনেক সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার মতো মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া সদরেও কয়েকবার অফিস ভাংচুরও নজির রয়েছে .এমন কিছু হোক আমরা চাই না।
বাড়তি বিলে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে যে অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে সেদিকে কেউ কর্নপাত করছে না,তা সমাধানের পথ বের করতে হবে সরকারকে ।
না হয় এ খাত নিয়ে চরম নৈরাজ্য দেখা দিতে পারে,বিদ্যুৎ আজ আধুনিক জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। বিদ্যুৎ উন্নয়নেরও চালিকাশক্তি,সুতরাং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির পর এ খাতে কোনো প্রকার জনভোগান্তি একেবারেই অপ্রত্যাশিত। সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যুৎ খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারকে কঠোর হতেই হবে। গত ১০ বছরে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু সরবরাহ ব্যবস্থা রয়ে গেছে মান্ধাতার আমলেই ।
দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা বিদ্যুতের বিল নিয়ে তেলেসমাতি কাণ্ডের অবসান ঘটানো উচিত যে তার গ্যারান্টি আজ পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি ।
মানুষের ফসলাদি নষ্ট করে বিনামূল্য জমির উপর খুঁটির বসিয়ে ব্যাবসা করে যাচ্ছে বিদুৎ বিভাগ, জমির মালিকদের জায়গার ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না, আবার খরিদকৃত মিটার,তারই ঘরে বসানো তার উপর অতিরিক্ত ভাড়া পৃথিবীর আর কোথাও নেই ।তাই যদি নিতে হয় তাহলে কুঠি বসানোর জায়গায় ভাড়া দেওয়া হবে না কেনো ? এমন প্রশ্নই উপস্হাপন করেছেন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ১০ নং হাজীপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আলিপুর মোল্লা বাড়ির তুহেল চৌধুরী ।

তিনি খোভে একটি স্টেটাস দিয়েছেন । তা দেশদিগন্ত এর পাঠকদের জন্য হুবহু পোষ্টটি নিচে তুলে ধরা হলো—–

হয় মিটার ভাড়া মওকুফ করুন
নয়তো আমাদের জমির ভাড়া দিন

নগদ টাকায় মিটার কিনে নিজের ঘরের ওয়ালে লাগিয়ে যদি ভাড়া দিতে হয়, তাহলে আমার জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি ফ্রি থাকবে কেন?

গ্রাহক নিজের টাকায় বিদ্যুতের মিটার ক্রয় করার পরও যদি প্রতি মাসে মাসে মিটার ভাড়া দিতে হয়!
তাহলে বিদ্যুৎ সংস্থা আমাদের জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি পুতে লাইন টানিয়ে ফসলি জমি গুলো নষ্ট করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করার পরও আমাদের জমির ভাড়া দিবে না কেনো?

ষ্ট্যাটাস দেওয়ার পর পোষ্টটি সাথে সাথে ভাইরাল হয়ে যায়,অনেকে শেয়ার করেন,পোষ্টের নিচে অনেকে অনেক মন্তব্য করতে দেখা যা।এছাড়া ফেসবুকের বাইরেও অনেক সচেতন গ্রাহক এই পোষ্টের সাথে একমত পোষন করে এই রকম পোষ্টকে সাধুবাদ জানান,বিষয়টি তুহেল চৌধুরী সংশ্লিস্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

গ্রাহকের জন্য বাড়তি যন্ত্রণা বিদ্যুতের বিলের সাথে মিটার ভাড়া

আপডেটের সময় : ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

 

করোনাকালে গ্রাহকের জন্য বাড়তি যন্ত্রণা হয়ে এসেছে বিদ্যুতের বিল সাথে মিটার ভাড়া । কারো কারো বেলায় ১০ থেকে ১৬ গুণ বাড়তি টাকা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ভুতুড়ে বিল,তার উপর আবার মিটারের বিল এই যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।
মিটারের কাছে না এসেই আন্দাজের ওপর অনেক গ্রাহকের বিলে অতিরিক্ত রিডিং যোগ করা হয়েছে। এমনটা করা বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
প্রায় সারাদেশেই গ্রাহকরা এই ভুতুড়ে বিলের শিকার বলে সোস্যাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যমে নিয়মিত খবর আসছে।
আরইবির ৮০টি সমিতি, ডিপিডিসি, ডেসকোসহ দেশের ছয়টি বিতরণ কোম্পানিরই গ্রাহকদের একাংশ ১০ থেকে ১২ গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল পেয়েছেন।
একজন গ্রাহক স্বাভাবিকের চেয়ে ১৬ গুণ বেশি বিলও পেয়েছেন,তার মধ্যে মিটারের ভাড়া দিতে হয়, সত্যিই সেলুকাজ,বিদ্যুৎ বিলে বিলম্ব মাসুলসহ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ১৪ জুন ২০২০ উল্লেখ করা হলেও বিলের অপর অংশে নোটিস করা হয়েছে বিল পরিশোধিত না হইলে, কোনোরূপ পূর্ব নোটিস ব্যতিরেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
এমনিতেই গ্রাহকরা ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া, সার্ভিস চার্জ প্রতি মাসে বিলের সঙ্গে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ,এ যেনো অন্যায় ও অনিয়মের সংস্কৃতি চালু করেছে বিদুৎ বিভাগ ।

এই সংকট থেকে মুক্তির পথ খুঁজে বের করতে হবে , মিটার বিল যোগ করলে বিল বাড়তি হচ্ছে,তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় দাঁড়াবে? এসব অনিয়ম দেখবে কে ?
আমাদের দেশে অতীতে বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম, হয়রানি ও ভোগান্তির বিরুদ্ধে গণআন্দোলনেরও নজির রয়েছে।
অনেক সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার মতো মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া সদরেও কয়েকবার অফিস ভাংচুরও নজির রয়েছে .এমন কিছু হোক আমরা চাই না।
বাড়তি বিলে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে যে অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে সেদিকে কেউ কর্নপাত করছে না,তা সমাধানের পথ বের করতে হবে সরকারকে ।
না হয় এ খাত নিয়ে চরম নৈরাজ্য দেখা দিতে পারে,বিদ্যুৎ আজ আধুনিক জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। বিদ্যুৎ উন্নয়নেরও চালিকাশক্তি,সুতরাং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির পর এ খাতে কোনো প্রকার জনভোগান্তি একেবারেই অপ্রত্যাশিত। সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যুৎ খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারকে কঠোর হতেই হবে। গত ১০ বছরে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু সরবরাহ ব্যবস্থা রয়ে গেছে মান্ধাতার আমলেই ।
দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা বিদ্যুতের বিল নিয়ে তেলেসমাতি কাণ্ডের অবসান ঘটানো উচিত যে তার গ্যারান্টি আজ পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি ।
মানুষের ফসলাদি নষ্ট করে বিনামূল্য জমির উপর খুঁটির বসিয়ে ব্যাবসা করে যাচ্ছে বিদুৎ বিভাগ, জমির মালিকদের জায়গার ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না, আবার খরিদকৃত মিটার,তারই ঘরে বসানো তার উপর অতিরিক্ত ভাড়া পৃথিবীর আর কোথাও নেই ।তাই যদি নিতে হয় তাহলে কুঠি বসানোর জায়গায় ভাড়া দেওয়া হবে না কেনো ? এমন প্রশ্নই উপস্হাপন করেছেন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ১০ নং হাজীপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আলিপুর মোল্লা বাড়ির তুহেল চৌধুরী ।

তিনি খোভে একটি স্টেটাস দিয়েছেন । তা দেশদিগন্ত এর পাঠকদের জন্য হুবহু পোষ্টটি নিচে তুলে ধরা হলো—–

হয় মিটার ভাড়া মওকুফ করুন
নয়তো আমাদের জমির ভাড়া দিন

নগদ টাকায় মিটার কিনে নিজের ঘরের ওয়ালে লাগিয়ে যদি ভাড়া দিতে হয়, তাহলে আমার জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি ফ্রি থাকবে কেন?

গ্রাহক নিজের টাকায় বিদ্যুতের মিটার ক্রয় করার পরও যদি প্রতি মাসে মাসে মিটার ভাড়া দিতে হয়!
তাহলে বিদ্যুৎ সংস্থা আমাদের জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি পুতে লাইন টানিয়ে ফসলি জমি গুলো নষ্ট করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করার পরও আমাদের জমির ভাড়া দিবে না কেনো?

ষ্ট্যাটাস দেওয়ার পর পোষ্টটি সাথে সাথে ভাইরাল হয়ে যায়,অনেকে শেয়ার করেন,পোষ্টের নিচে অনেকে অনেক মন্তব্য করতে দেখা যা।এছাড়া ফেসবুকের বাইরেও অনেক সচেতন গ্রাহক এই পোষ্টের সাথে একমত পোষন করে এই রকম পোষ্টকে সাধুবাদ জানান,বিষয়টি তুহেল চৌধুরী সংশ্লিস্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।