ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

কোরবানির মাংস ২৫০ টাকা কেজি!

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০১৯
  • / ৪২১ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ গরু কেনা থেকে শুরু করে হাসিল পরিশোধ এবং কসাইয়ের মজুরি দেয়ার পর কোরবানির মাংসের মূল্য দাঁড়ায় কেজি প্রতি প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। অথচ সেই মাংসই এখন হাত ঘুরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা দরে।

কোরবানি শেষে বিকেলের দিকে রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে চোখে পড়ছে মাংসের হাট। শহরের অলিতে-গলিতে অস্থায়ী এ বাজারে খুব কম দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর সূত্রাপুর, ধোলাই খাল, খিলগাঁও, রামপুরা, লিংক রোড, মিরপুরের মূল সড়ক ও অলিগলিতে এ দৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। মূলত সকাল থেকে ভিক্ষুক এবং গরিব-অসহায় মানুষেরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে যে মাংস সংগ্রহ করেছেন সেটাই তারা এসব স্থানে বিক্রি করছেন। বিক্রিও হচ্ছে ভালো। এখান থেকে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের এ মাংস ক্রয় করতে দেখা গেছে।

কিন্তু এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছেন কিছু অসাধু মৌসুমী ব্যবসায়ীও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুলিস্থান এলাকার এক ভ্রাম্যমাণ হালিম ব্যবসায়ী বলেন, দোকান থেকে মাংস কিনতে গেলে কেজি প্রতি প্রায় ৫৭০ টাকা লাগে। তাই এ সময় কমদামে কিছু মাংস সংগ্রহ করে রাখছি।

ঠিক একই কথা বললেন ধোলাইখালের এক ভ্রাম্যমাণ কাবাব ব্যবসায়ী। তিনি কাবাবের মাংস হিসেবে এগুলো সংগ্রহ করে রাখছেন।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব মাংসের দাম উঠানামা করছে। অর্থাৎ হাড়ের পরিমাণের ওপর নির্ভর করছে এসব মাংসের মূল্য। তাই কোথাও দুইশ’ টাকা আবার কোথাও আড়াইশ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এসব মাংস। শিশুদেরও কোরবানির মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

পুরান ঢাকার সূত্রাপুর লোহারপুলের সামনে এরকম এক মাংস বিক্রেতা বলেন, এসব মাংস রান্না করে খাওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। তার চেয়ে বরং ২/৩ কেজি মাংস বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যায় সেটা দিয়ে ৪ দিন সংসার চালানো যায়।

এদিকে, এসব মাংস মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছে চলে যাওয়ায় মাংসের মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে বিভিন্ন রকমের মাংস একত্রিত করে বিক্রি করা হচ্ছে কেজি দরে। অথচ ঠিকমতো সংরক্ষণ করা হয়নি এসব মাংস।

খুব সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে এসব মাংস বিভিন্ন বাসা থেকে সংগ্রহ করে একত্র করেন তারা। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও এগুলো সংরক্ষণে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই এসব মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। পুষ্টিবিদদের বক্তব্য, এসব মাংসে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে। তাই এটা এড়িয়ে চলা উচিত।

পোস্ট শেয়ার করুন

কোরবানির মাংস ২৫০ টাকা কেজি!

আপডেটের সময় : ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ গরু কেনা থেকে শুরু করে হাসিল পরিশোধ এবং কসাইয়ের মজুরি দেয়ার পর কোরবানির মাংসের মূল্য দাঁড়ায় কেজি প্রতি প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। অথচ সেই মাংসই এখন হাত ঘুরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা দরে।

কোরবানি শেষে বিকেলের দিকে রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে চোখে পড়ছে মাংসের হাট। শহরের অলিতে-গলিতে অস্থায়ী এ বাজারে খুব কম দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর সূত্রাপুর, ধোলাই খাল, খিলগাঁও, রামপুরা, লিংক রোড, মিরপুরের মূল সড়ক ও অলিগলিতে এ দৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। মূলত সকাল থেকে ভিক্ষুক এবং গরিব-অসহায় মানুষেরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে যে মাংস সংগ্রহ করেছেন সেটাই তারা এসব স্থানে বিক্রি করছেন। বিক্রিও হচ্ছে ভালো। এখান থেকে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের এ মাংস ক্রয় করতে দেখা গেছে।

কিন্তু এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছেন কিছু অসাধু মৌসুমী ব্যবসায়ীও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুলিস্থান এলাকার এক ভ্রাম্যমাণ হালিম ব্যবসায়ী বলেন, দোকান থেকে মাংস কিনতে গেলে কেজি প্রতি প্রায় ৫৭০ টাকা লাগে। তাই এ সময় কমদামে কিছু মাংস সংগ্রহ করে রাখছি।

ঠিক একই কথা বললেন ধোলাইখালের এক ভ্রাম্যমাণ কাবাব ব্যবসায়ী। তিনি কাবাবের মাংস হিসেবে এগুলো সংগ্রহ করে রাখছেন।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব মাংসের দাম উঠানামা করছে। অর্থাৎ হাড়ের পরিমাণের ওপর নির্ভর করছে এসব মাংসের মূল্য। তাই কোথাও দুইশ’ টাকা আবার কোথাও আড়াইশ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এসব মাংস। শিশুদেরও কোরবানির মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

পুরান ঢাকার সূত্রাপুর লোহারপুলের সামনে এরকম এক মাংস বিক্রেতা বলেন, এসব মাংস রান্না করে খাওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। তার চেয়ে বরং ২/৩ কেজি মাংস বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যায় সেটা দিয়ে ৪ দিন সংসার চালানো যায়।

এদিকে, এসব মাংস মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছে চলে যাওয়ায় মাংসের মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে বিভিন্ন রকমের মাংস একত্রিত করে বিক্রি করা হচ্ছে কেজি দরে। অথচ ঠিকমতো সংরক্ষণ করা হয়নি এসব মাংস।

খুব সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে এসব মাংস বিভিন্ন বাসা থেকে সংগ্রহ করে একত্র করেন তারা। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও এগুলো সংরক্ষণে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই এসব মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। পুষ্টিবিদদের বক্তব্য, এসব মাংসে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে। তাই এটা এড়িয়ে চলা উচিত।