ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ায় মনু নদীর ভাঙ্গণে বিধ্বস্ত কাউকাপন বাজরে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

ছয়ফুল আলম সাইফুলঃ
  • আপডেটের সময় : ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯
  • / ৭০৭ টাইম ভিউ

ছয়ফুল আলম সাইফুলঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কাউকাপন বাজারে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের  প্রায় ৩০০ ফুট সম্প্রতি ধসে গেছে। এ অবস্থায় বাজারটির মাঝামাঝি অবস্থিত বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়া উপজেলার কুনিমোড়া- তারাপাশা সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভাঙ্গণে বিধ্বস্ত কাউকাপন বাজরে দেখতে আসছেন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

বাঁধ ধসে যাওয়ায় স্থানীয় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বাঁধ ভেঙে গেলে নদীর পানি ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে বাঁধ ধসে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় মানুষের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে। এলাকার দুরবস্থা দেখতে আসেন উপজেলা বিএনপির নব নির্বাচিত সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদ, বিএনপি নেতা শামিম আহমদ চৌধুরী, কামাল হোসেন, কাওছার আহমদ, যুবনেতা মোস্তফা আহমদ সবাইকে স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু বিধ্বস্ত বাজারের বিষয় তুলে ধরেন এবং ঘুরে দেখান।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমদ পান্না, সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদ আলী, বিএনপি নেতা মোঃ ই্য়াকুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জুনেদ আলম, বিএনপি নেতা বিধান চন্দ্র দে, আকবর আলী, আব্দুল মুহিত, মুহিবুর রহমান, আব্দুল ওয়াহিদ, মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

বিএনপির নেতৃবৃন্দ জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বিকল্প সকড় নির্মানের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান।

ঐতিহ্যবাহী এই বাজার এলাকায় বাঁধের দুই পাশে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য দোকান রয়েছে। কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এই এলাকায় মনু নদীর ভাঙন চলছে। বাজারের বেশ কয়টি দোকান নদীতে তলিয়ে গেছে। সম্প্রতি বাজার এলাকায় প্রায় ১৮০ মিটারে ভাঙন চলছে। পরে মৌলভীবাজার পাউবো সেখানে মেরামতকাজ শুরু করে।

 

বাঁধ ধসে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কুনিমোড়া-তারাপাশা সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। সড়কের তিন ভাগের দুই ভাগ নদীতে ধসে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়েছে। আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। বাঁধ ভেঙে গেলে হাজীপুরসহ পাশের রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে। মানুষ খুব আতঙ্কে বসবাস করছেন।

 

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ায় মনু নদীর ভাঙ্গণে বিধ্বস্ত কাউকাপন বাজরে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

আপডেটের সময় : ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯

ছয়ফুল আলম সাইফুলঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কাউকাপন বাজারে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের  প্রায় ৩০০ ফুট সম্প্রতি ধসে গেছে। এ অবস্থায় বাজারটির মাঝামাঝি অবস্থিত বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়া উপজেলার কুনিমোড়া- তারাপাশা সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভাঙ্গণে বিধ্বস্ত কাউকাপন বাজরে দেখতে আসছেন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

বাঁধ ধসে যাওয়ায় স্থানীয় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বাঁধ ভেঙে গেলে নদীর পানি ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে বাঁধ ধসে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় মানুষের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে। এলাকার দুরবস্থা দেখতে আসেন উপজেলা বিএনপির নব নির্বাচিত সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদ, বিএনপি নেতা শামিম আহমদ চৌধুরী, কামাল হোসেন, কাওছার আহমদ, যুবনেতা মোস্তফা আহমদ সবাইকে স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু বিধ্বস্ত বাজারের বিষয় তুলে ধরেন এবং ঘুরে দেখান।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমদ পান্না, সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদ আলী, বিএনপি নেতা মোঃ ই্য়াকুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জুনেদ আলম, বিএনপি নেতা বিধান চন্দ্র দে, আকবর আলী, আব্দুল মুহিত, মুহিবুর রহমান, আব্দুল ওয়াহিদ, মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

বিএনপির নেতৃবৃন্দ জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বিকল্প সকড় নির্মানের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান।

ঐতিহ্যবাহী এই বাজার এলাকায় বাঁধের দুই পাশে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য দোকান রয়েছে। কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এই এলাকায় মনু নদীর ভাঙন চলছে। বাজারের বেশ কয়টি দোকান নদীতে তলিয়ে গেছে। সম্প্রতি বাজার এলাকায় প্রায় ১৮০ মিটারে ভাঙন চলছে। পরে মৌলভীবাজার পাউবো সেখানে মেরামতকাজ শুরু করে।

 

বাঁধ ধসে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কুনিমোড়া-তারাপাশা সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। সড়কের তিন ভাগের দুই ভাগ নদীতে ধসে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়েছে। আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। বাঁধ ভেঙে গেলে হাজীপুরসহ পাশের রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে। মানুষ খুব আতঙ্কে বসবাস করছেন।