ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে… এই অভ্যাসগুলোর চর্চা নিয়মিত করা উচিৎ স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য থাকা জরুরি কেনো ? পুনাক এর উদ্যোগে দুস্হ ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে কুলাউড়ার টিলাগাঁও এ সরকারি গাছ বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক লটারি বাইক জিতলো মা’ সে কারণে কপাল পুড়লো মেয়ের ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দলের আক্রমনে প্রান গেলো ইজাজুলের সাবেক সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামিলীগের মতবিনিময় সভা

কুলাউড়ায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নদী তীরে চারা গাছ রোপন

কুলাউড়া প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০
  • / ৩৯৩ টাইম ভিউ

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেছেন, সারাদেশের নদ-নদী ও খালের পাশে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় দশ লক্ষ চারা গাছ রোপন করার উদ্যোগ নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ফানাই নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপন করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগষ্ট) দুপুরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে কুলাউড়ায় খননকৃত ফানাই নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপন অনুষ্ঠানে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল নদ-নদী রক্ষায় ডেল্টা প্লান ঘোষণা করেছেন। এই ডেল্টা প্লানে হাওর অধ্যুষিত ৬টি জেলাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভৌগলিক এবং পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই হাওর অঞ্চলকে আলাদাভাবে ভাগ করা হয়েছে। সেখানে বেশ বড় বড় কয়েকটি প্রকল্প পাশ হয়েছে। আরো কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

তিনি আরো বলেন, মৌলভীবাজার বাসীর দুঃখ হিসেবে অভিহিত মনু নদীর দুঃখ অচিরেই ঘুচবে। মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলায় মনু নদী রক্ষায় ৯৯৬ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হয়েছে। আগামী শুষ্ক মৌসুমে মনু নদীর রক্ষায় প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর আশা করছি মনু নদীকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সকল সমস্যা কমে যাবে, যখন-তখন বন্যা কমে যাবে। মনু নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে খনন কাজ চলমান। প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ছোট-বড় খালবিল খনন করে পাড়ে গাছ লাগানোর মধ্যে দিয়ে তীরের মাটি রক্ষার জন্য ন্যাচার বেইজ পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় নদ-নদীর ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে বলে মনে করছি।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী এস এম শহীদুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মৌলভীবাজার সার্কেল) প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজরাতুন নাঈম, কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শফি আলম ইউনুছ, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী খালিদ বিন অলীদ, মো. খোরশেদ আলম, মো. মোখলেছুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরওয়ার আলম চৌধুরী, মো. আব্দুল বাতেন, ব্রাহ্মণবাজার ইউপির চেয়ারম্যান মো. মমদুদ হোসেনসহ স্থানীয় এলাকার জনপ্রতিনিধি, গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যকর্মীরা।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, কুলাউড়ার ভূকশিমইল থেকে কর্মধা ইউনিয়নের মহিষমাড়া পর্যন্ত ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৯.৫০ কিমি ফানাই নদীর খনন কাজের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খনন কাজের পর নদীর পাড়ের ভারসাম্য রক্ষায় প্রায় ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাড়ে ১২ হাজার ফলজ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করা হবে। যারফলে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে।#

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নদী তীরে চারা গাছ রোপন

আপডেটের সময় : ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেছেন, সারাদেশের নদ-নদী ও খালের পাশে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় দশ লক্ষ চারা গাছ রোপন করার উদ্যোগ নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ফানাই নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপন করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগষ্ট) দুপুরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে কুলাউড়ায় খননকৃত ফানাই নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপন অনুষ্ঠানে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল নদ-নদী রক্ষায় ডেল্টা প্লান ঘোষণা করেছেন। এই ডেল্টা প্লানে হাওর অধ্যুষিত ৬টি জেলাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভৌগলিক এবং পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই হাওর অঞ্চলকে আলাদাভাবে ভাগ করা হয়েছে। সেখানে বেশ বড় বড় কয়েকটি প্রকল্প পাশ হয়েছে। আরো কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

তিনি আরো বলেন, মৌলভীবাজার বাসীর দুঃখ হিসেবে অভিহিত মনু নদীর দুঃখ অচিরেই ঘুচবে। মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলায় মনু নদী রক্ষায় ৯৯৬ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হয়েছে। আগামী শুষ্ক মৌসুমে মনু নদীর রক্ষায় প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর আশা করছি মনু নদীকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সকল সমস্যা কমে যাবে, যখন-তখন বন্যা কমে যাবে। মনু নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে খনন কাজ চলমান। প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ছোট-বড় খালবিল খনন করে পাড়ে গাছ লাগানোর মধ্যে দিয়ে তীরের মাটি রক্ষার জন্য ন্যাচার বেইজ পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় নদ-নদীর ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে বলে মনে করছি।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী এস এম শহীদুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মৌলভীবাজার সার্কেল) প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজরাতুন নাঈম, কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শফি আলম ইউনুছ, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী খালিদ বিন অলীদ, মো. খোরশেদ আলম, মো. মোখলেছুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরওয়ার আলম চৌধুরী, মো. আব্দুল বাতেন, ব্রাহ্মণবাজার ইউপির চেয়ারম্যান মো. মমদুদ হোসেনসহ স্থানীয় এলাকার জনপ্রতিনিধি, গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যকর্মীরা।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, কুলাউড়ার ভূকশিমইল থেকে কর্মধা ইউনিয়নের মহিষমাড়া পর্যন্ত ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৯.৫০ কিমি ফানাই নদীর খনন কাজের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খনন কাজের পর নদীর পাড়ের ভারসাম্য রক্ষায় প্রায় ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাড়ে ১২ হাজার ফলজ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করা হবে। যারফলে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে।#