ঢাকা , শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ায় ধর্ষণ মামলার আসামী বাবলু আটক

কুলাউড়া প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : ১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ৫৬২ টাইম ভিউ

কুলাউড়ার চিহ্নিত সস্ত্রাসী ধর্ষণসহ ৬ মামলার পলাতক আসামী মো. বাবলু (৩০)-কে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। তার আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে। ০৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে বলে পুলিশ জানায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুকশিইল ইউনিয়নের সাদিপুর গ্রামের ইন্তাজ আলীর পুত্র মো. বাবুল একজন সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ৫টি মারামারির মামলা ও একটি ধর্ষণসহ মোট ৬টি মামলা চলমান রয়েছে।

গত ০১ জুলাই রাতে বাবলু ও তার অপর সহযোগি মিলে পাশ্ববর্তী গ্রামের ১৫ বছরের এক কিশোরিকে অপহরণ করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই কিশোরিকে রাতে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভোরের আলো ফোটার আগেই কিশোরির মুখ বেঁধে বাড়ির পাশে ফেলে যায় বাবুল ও তার সহযোগি। ঘটনার পর ০৩ জুলাই ওই কিশোরি নিজে বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে মো. বাবলু ও তার সহযোগি পলাতক ছিলো।

ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পরিমল জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে বাবলু পলাতক ছিলো। ০৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার একটি মারামারি মামলায় আদালতে জামিন চাইতে গেলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ধর্ষণ মামলার নোটও দ্রুত আদালতে পাঠাবেন বলে জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।#

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ায় ধর্ষণ মামলার আসামী বাবলু আটক

আপডেটের সময় : ১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

কুলাউড়ার চিহ্নিত সস্ত্রাসী ধর্ষণসহ ৬ মামলার পলাতক আসামী মো. বাবলু (৩০)-কে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। তার আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে। ০৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে বলে পুলিশ জানায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুকশিইল ইউনিয়নের সাদিপুর গ্রামের ইন্তাজ আলীর পুত্র মো. বাবুল একজন সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ৫টি মারামারির মামলা ও একটি ধর্ষণসহ মোট ৬টি মামলা চলমান রয়েছে।

গত ০১ জুলাই রাতে বাবলু ও তার অপর সহযোগি মিলে পাশ্ববর্তী গ্রামের ১৫ বছরের এক কিশোরিকে অপহরণ করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই কিশোরিকে রাতে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভোরের আলো ফোটার আগেই কিশোরির মুখ বেঁধে বাড়ির পাশে ফেলে যায় বাবুল ও তার সহযোগি। ঘটনার পর ০৩ জুলাই ওই কিশোরি নিজে বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে মো. বাবলু ও তার সহযোগি পলাতক ছিলো।

ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পরিমল জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে বাবলু পলাতক ছিলো। ০৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার একটি মারামারি মামলায় আদালতে জামিন চাইতে গেলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ধর্ষণ মামলার নোটও দ্রুত আদালতে পাঠাবেন বলে জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।#