ঢাকা , শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ায় ইভটিজার কর্তৃক হামলার প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

বিডি জনপ্রত্যাশাঃ
  • আপডেটের সময় : ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • / ৪৪৫ টাইম ভিউ

কুলাউড়া প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বখাটে যুবক কর্তৃক স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংগঠক আকমল হোসেন রুমেল এবং তাঁর ভাতিজা কলেজশিক্ষার্থী রাহাত হোসেন রাজের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ, জড়ীতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের মিনারমহল গ্রামে শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় ও একিদত্তপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুল সংলগ্ন সড়কে মিনারমহল ঐক্যপরিষদের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শাহাজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজী মিরজান আলী ও সংগঠক জুবের হাসান জেবুলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন মনসুর, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু সুফিয়ান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সুরমান আহমদ, শাহাজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সৈয়দ তাহির আলী, সাবেক সদস্য মাহমুদুল ইসলাম দানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল, সমাজসেবক রেজাউল করিম, কুলাউড়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া আল জেবু, ছাত্রলীগ নেতা রিপন বখশ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, কুলাউড়া ব্যবসায় কল্যাণ সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল। লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ কুলাউড়া শাখার উপদেষ্টা শরীফ আহমদ, ব্যবসায়ী আব্দুল মুনিম চৌধুরী, কয়েছ আহমদ, রিমন আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, ইকাবাল হোসেন সুমন, কুলাউড়া মুক্ত স্কাউটের সভাপতি মোর্শেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. সামসু উদ্দিন বাবুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক নের্তৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বেলাল হোসেন রানা ও জয়নাল আবেদিন রনি প্রতিদিনই শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় ও একিদত্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়ে শিক্ষার্থীদের উত্যোক্ত করে আসছে। এতে বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা চরম আতংকে থাকেন। এর প্রতিবাদ করায় রানা ও রনি আকমল হোসেন রুমেলকে ব্রিজ থেকে মারধর করে ফেলে দেয়। এসময় তাঁ ভাতিজা রাহাত হোসেন রাজ এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে। পুলিশ একজনকে আটক করলেও ্আরেক বখাটেকে আটক করতে পারেনি। অবিলম্বে ওই বখাটেকে আটক এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। উপজেলার সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কুলাউড়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপ এবং লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ কুলাউড়া একাত্মতা পোষণ করে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ায় ইভটিজার কর্তৃক হামলার প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আপডেটের সময় : ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কুলাউড়া প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বখাটে যুবক কর্তৃক স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংগঠক আকমল হোসেন রুমেল এবং তাঁর ভাতিজা কলেজশিক্ষার্থী রাহাত হোসেন রাজের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ, জড়ীতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের মিনারমহল গ্রামে শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় ও একিদত্তপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুল সংলগ্ন সড়কে মিনারমহল ঐক্যপরিষদের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শাহাজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজী মিরজান আলী ও সংগঠক জুবের হাসান জেবুলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন মনসুর, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু সুফিয়ান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সুরমান আহমদ, শাহাজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সৈয়দ তাহির আলী, সাবেক সদস্য মাহমুদুল ইসলাম দানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল, সমাজসেবক রেজাউল করিম, কুলাউড়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া আল জেবু, ছাত্রলীগ নেতা রিপন বখশ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, কুলাউড়া ব্যবসায় কল্যাণ সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল। লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ কুলাউড়া শাখার উপদেষ্টা শরীফ আহমদ, ব্যবসায়ী আব্দুল মুনিম চৌধুরী, কয়েছ আহমদ, রিমন আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, ইকাবাল হোসেন সুমন, কুলাউড়া মুক্ত স্কাউটের সভাপতি মোর্শেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. সামসু উদ্দিন বাবুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক নের্তৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বেলাল হোসেন রানা ও জয়নাল আবেদিন রনি প্রতিদিনই শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় ও একিদত্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়ে শিক্ষার্থীদের উত্যোক্ত করে আসছে। এতে বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা চরম আতংকে থাকেন। এর প্রতিবাদ করায় রানা ও রনি আকমল হোসেন রুমেলকে ব্রিজ থেকে মারধর করে ফেলে দেয়। এসময় তাঁ ভাতিজা রাহাত হোসেন রাজ এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে। পুলিশ একজনকে আটক করলেও ্আরেক বখাটেকে আটক করতে পারেনি। অবিলম্বে ওই বখাটেকে আটক এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। উপজেলার সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কুলাউড়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপ এবং লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ কুলাউড়া একাত্মতা পোষণ করে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে