ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ার মনু নদীর ভাঙনে এক এক করে বিলীন হচ্ছে প্রাচীনতম কাউকাপন বাজার

ছয়ফুল আলম সাইফুলঃ
  • আপডেটের সময় : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯
  • / ৯৯৩ টাইম ভিউ

ছয়ফুল আলম সাইফুলঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে গত কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি, ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে গতকাল রাত ১১ টার পর রাস্তার পাশ্বে ৫টি দোকান ভিটাসহ ৬০ ফুট নদীগর্ভে ধসে পড়েছে।

আজ ঘটনাস্থল মনু নদীর বাঁধ, হাশিমপুর ও কাউকাপন বাজার পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোহাম্মদ আবু লাইছ,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোহাম্মদ শিমুল আলী, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল বাসিত বাচ্চু, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ চৌধুরী, ইউপি সদস্য জনাব ফরিদ উদ্দিন। জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাগন স্থানীয়  উনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বাধের কাজের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

জানা গেছে, গত এক সাপ্তাহে ১৩টি দোকানসহ প্রায় ৭০০ ফুট নদে বিলীন হয়েছে। বিগত বছর নদের ভাঙনে এই বাজারের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ক্রমাগত ভাঙনের কারণে কাউকাপন বাজারে প্রতিরক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়া শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের কুণিমোড়া-তারাপাশা হয়ে রাজনগর যাওয়ার পাকা সড়কটি হুমকির মুখে পড়েছে। সড়কটি রক্ষা নিয়ে এলাকাবাসী শঙ্কায় পড়েছে। সড়কটি ভেঙে গেলে নদের পানি ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার, মুন্সীবাজার এবং রাজনগর উপজেলার তারাপাশা, কামারচাক ইউনিয়নসহ মৌলভীবাজার শহর তলিয়ে যেতে পারে।

গত দুই বছরে বাজারটির অন্তত ৪৩টি দোকান নদে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড মনে করছে, বর্তমানে কাউকাপন বাজারের প্রতিরক্ষা বাঁধটি দোকানপাটের কারণে ভেঙে যাচ্ছে। কারণ বাঁধের ওপর দোকানপাটগুলো পড়েছে। প্রতিরক্ষা বাঁধ ঘেঁষে দোকানপাট স্থাপন করা একেবারেই ঠিক হয়নি। বাঁধে অতিরিক্ত চাপ পড়ায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাঁধের পাশ থেকে দোকানপাট দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে।

হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু জানান বিগত কয়েক বছর থেকে ক্রমাগত ভাঙনের কারণে কাউকাপন বাজারে প্রতিরক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়া শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের কুণিমোড়া-তারাপাশা হয়ে রাজনগর যাওয়ার পাকা সড়কটি বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। সড়কটি ভেঙে গেলে নদের পানি ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার, মুন্সীবাজার এবং রাজনগর উপজেলার তারাপাশা, কামারচাক ইউনিয়নসহ মৌলভীবাজার শহর তলিয়ে যেতে পারে।জরুরী ভিত্তিতে মাননীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ার মনু নদীর ভাঙনে এক এক করে বিলীন হচ্ছে প্রাচীনতম কাউকাপন বাজার

আপডেটের সময় : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯

ছয়ফুল আলম সাইফুলঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে গত কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি, ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে গতকাল রাত ১১ টার পর রাস্তার পাশ্বে ৫টি দোকান ভিটাসহ ৬০ ফুট নদীগর্ভে ধসে পড়েছে।

আজ ঘটনাস্থল মনু নদীর বাঁধ, হাশিমপুর ও কাউকাপন বাজার পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোহাম্মদ আবু লাইছ,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোহাম্মদ শিমুল আলী, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল বাসিত বাচ্চু, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ চৌধুরী, ইউপি সদস্য জনাব ফরিদ উদ্দিন। জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাগন স্থানীয়  উনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বাধের কাজের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

জানা গেছে, গত এক সাপ্তাহে ১৩টি দোকানসহ প্রায় ৭০০ ফুট নদে বিলীন হয়েছে। বিগত বছর নদের ভাঙনে এই বাজারের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ক্রমাগত ভাঙনের কারণে কাউকাপন বাজারে প্রতিরক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়া শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের কুণিমোড়া-তারাপাশা হয়ে রাজনগর যাওয়ার পাকা সড়কটি হুমকির মুখে পড়েছে। সড়কটি রক্ষা নিয়ে এলাকাবাসী শঙ্কায় পড়েছে। সড়কটি ভেঙে গেলে নদের পানি ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার, মুন্সীবাজার এবং রাজনগর উপজেলার তারাপাশা, কামারচাক ইউনিয়নসহ মৌলভীবাজার শহর তলিয়ে যেতে পারে।

গত দুই বছরে বাজারটির অন্তত ৪৩টি দোকান নদে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড মনে করছে, বর্তমানে কাউকাপন বাজারের প্রতিরক্ষা বাঁধটি দোকানপাটের কারণে ভেঙে যাচ্ছে। কারণ বাঁধের ওপর দোকানপাটগুলো পড়েছে। প্রতিরক্ষা বাঁধ ঘেঁষে দোকানপাট স্থাপন করা একেবারেই ঠিক হয়নি। বাঁধে অতিরিক্ত চাপ পড়ায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাঁধের পাশ থেকে দোকানপাট দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে।

হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু জানান বিগত কয়েক বছর থেকে ক্রমাগত ভাঙনের কারণে কাউকাপন বাজারে প্রতিরক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়া শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের কুণিমোড়া-তারাপাশা হয়ে রাজনগর যাওয়ার পাকা সড়কটি বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। সড়কটি ভেঙে গেলে নদের পানি ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার, মুন্সীবাজার এবং রাজনগর উপজেলার তারাপাশা, কামারচাক ইউনিয়নসহ মৌলভীবাজার শহর তলিয়ে যেতে পারে।জরুরী ভিত্তিতে মাননীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।