ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ার কাদিপুরে প্রভাবশালীদের জবরদখলে দু’টি গোপাট

কুলাউড়া প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২০
  • / ৩৫৫ টাইম ভিউ

কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের কিয়াতলা গ্রামে দু’টি সরকারি গোপাট জবর দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীমহল। গোপাট দু’টি জবরদখলের ফলে মানুষ, গবাদি পশু চলাচলে এবং পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। গোপাট দু’টি উদ্ধারে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন কিয়াতলা গ্রামবাসী।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, কাদিপুর ইউনিয়নের ছকাপন মৌজার ৪নং সীটের ৭৫৪৬ নং দাগের অন্তর্ভুক্ত মনিরুল ইসলাম মাস্টারের বাড়ী হতে চন্দন মাস্টারের বাড়ী পর্যন্ত এবং ৭৫৯৫ নং দাগের অন্তর্ভুক্ত পূর্বদিকে আব্দুল মতলিবের বাড়ী হতে মৌলানা নজরুল ইসলামের বাড়ী পর্যন্ত সরকারি দুটি গোপাট (গরু মহিষ ও মানুষ চলাচলের রাস্তা) জবর দখল করেছে প্রভাবশালীমহল। প্রায় ১৫ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট দুটি গোপাট দিয়ে কৃষি মৌসুমে গৃহপালিত গরু মহিষ নিয়া যাওয়া ও কৃষি ক্ষেতে লোকজন যাতায়াতসহ গ্রামের পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দু’টি গোপাট ভূমিখেকো চক্র জবরদখল করে স্থায়ীভাবে পাকা ঘর নির্মাণ করেছেন। যার ফলে মসজিদের অযুর পানিসহ গ্রামের বাড়ীঘরের পানি নিষ্কাষণের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

অভিযোগকারী মো. ফয়জুর রহমান, মো. ফখরুল ইসলাম, জমসেদ আহমদ, তুষার মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, মো. আব্দুল হক জানান, ১৯৫৬ সালে মৌজা নকশায় গোপাট দু’টি রয়েছে। গোপাট দু’টি উন্মুক্ত করা না হলে গ্রামবাসীর জনদুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হবে।

লিখিত অভিযোগের অনুলিপি দিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে।

এব্যাপারে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ার কাদিপুরে প্রভাবশালীদের জবরদখলে দু’টি গোপাট

আপডেটের সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২০

কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের কিয়াতলা গ্রামে দু’টি সরকারি গোপাট জবর দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীমহল। গোপাট দু’টি জবরদখলের ফলে মানুষ, গবাদি পশু চলাচলে এবং পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। গোপাট দু’টি উদ্ধারে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন কিয়াতলা গ্রামবাসী।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, কাদিপুর ইউনিয়নের ছকাপন মৌজার ৪নং সীটের ৭৫৪৬ নং দাগের অন্তর্ভুক্ত মনিরুল ইসলাম মাস্টারের বাড়ী হতে চন্দন মাস্টারের বাড়ী পর্যন্ত এবং ৭৫৯৫ নং দাগের অন্তর্ভুক্ত পূর্বদিকে আব্দুল মতলিবের বাড়ী হতে মৌলানা নজরুল ইসলামের বাড়ী পর্যন্ত সরকারি দুটি গোপাট (গরু মহিষ ও মানুষ চলাচলের রাস্তা) জবর দখল করেছে প্রভাবশালীমহল। প্রায় ১৫ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট দুটি গোপাট দিয়ে কৃষি মৌসুমে গৃহপালিত গরু মহিষ নিয়া যাওয়া ও কৃষি ক্ষেতে লোকজন যাতায়াতসহ গ্রামের পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দু’টি গোপাট ভূমিখেকো চক্র জবরদখল করে স্থায়ীভাবে পাকা ঘর নির্মাণ করেছেন। যার ফলে মসজিদের অযুর পানিসহ গ্রামের বাড়ীঘরের পানি নিষ্কাষণের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

অভিযোগকারী মো. ফয়জুর রহমান, মো. ফখরুল ইসলাম, জমসেদ আহমদ, তুষার মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, মো. আব্দুল হক জানান, ১৯৫৬ সালে মৌজা নকশায় গোপাট দু’টি রয়েছে। গোপাট দু’টি উন্মুক্ত করা না হলে গ্রামবাসীর জনদুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হবে।

লিখিত অভিযোগের অনুলিপি দিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে।

এব্যাপারে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#