ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুরআন অনুবাদ করতে গিয়ে মুসলমান হলেন মার্কিন যাজক

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০১৯
  • / ৬৬৭ টাইম ভিউ

মার্কিন এক যাজক মুসলমান হওয়ার পর বলেছেন, সৌদি আরবে যাওয়ার পর বন্ধুত্বপূর্ণ আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার সৌদি গণমাধ্যম সাবাককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক মার্কিন যাজক স্যামুয়েল আর্ল শ্রপশায়ার এ কথা বলেছেন।

৭০ বছর বয়সী স্যামুয়েল জানান, মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে মুসলমানদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে প্রথমবার সৌদিতে যান পবিত্র কুরআনকে নতুনভাবে অনুবাদের জন্য।

তবে সৌদি আরবে গিয়ে একেবারেই ভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি লক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমি সেখানে অনেক ভালো মানুষ দেখতে পাই। আমি মুসলিম কিংবা অমুসলিম, সেটা বিবেচনা না করে কেবল মানুষ হিসেবে আমার সঙ্গে তারা ভালো আচরণ করে।

জেদ্দায় থেকে কুরআনের অনুবাদের কাজ করার সময় যে আতিথেয়তা পেয়েছেন তিনি, সেটাই তাকে ইসলামের প্রতি ভালোলাগা তৈরি করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদিবাসীদের শুধু এক আল্লাহর উপাসনা করে এবং তাদের ভালো নৈতিকতা রয়েছে।

বর্তমানে তিনি সৌদি আরবেই আছেন। শান্তি ও সংহতির জন্য মুসলমানদের কণ্ঠস্বর নামে অলাভজনক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি।

পোস্ট শেয়ার করুন

কুরআন অনুবাদ করতে গিয়ে মুসলমান হলেন মার্কিন যাজক

আপডেটের সময় : ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০১৯

মার্কিন এক যাজক মুসলমান হওয়ার পর বলেছেন, সৌদি আরবে যাওয়ার পর বন্ধুত্বপূর্ণ আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার সৌদি গণমাধ্যম সাবাককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক মার্কিন যাজক স্যামুয়েল আর্ল শ্রপশায়ার এ কথা বলেছেন।

৭০ বছর বয়সী স্যামুয়েল জানান, মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে মুসলমানদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে প্রথমবার সৌদিতে যান পবিত্র কুরআনকে নতুনভাবে অনুবাদের জন্য।

তবে সৌদি আরবে গিয়ে একেবারেই ভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি লক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমি সেখানে অনেক ভালো মানুষ দেখতে পাই। আমি মুসলিম কিংবা অমুসলিম, সেটা বিবেচনা না করে কেবল মানুষ হিসেবে আমার সঙ্গে তারা ভালো আচরণ করে।

জেদ্দায় থেকে কুরআনের অনুবাদের কাজ করার সময় যে আতিথেয়তা পেয়েছেন তিনি, সেটাই তাকে ইসলামের প্রতি ভালোলাগা তৈরি করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদিবাসীদের শুধু এক আল্লাহর উপাসনা করে এবং তাদের ভালো নৈতিকতা রয়েছে।

বর্তমানে তিনি সৌদি আরবেই আছেন। শান্তি ও সংহতির জন্য মুসলমানদের কণ্ঠস্বর নামে অলাভজনক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি।