ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি ইতালির ভিসেন্সায় সিলেট ডায়নামিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

কাবুলে টিভি স্টেশনে বন্দুকধারীদের হামলা, হতাহতের আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭
  • / ৯৯৯ টাইম ভিউ

কাবুলে টেলিভিশন চ্যানেলে বন্দুকধারীদের হামলা, হতাহতের আশঙ্কা

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি প্রাইভেট টেলিভিশন স্টেশনে বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে। আফগান কর্মকর্তারা বলছেন, একটি বিস্ফোরণের পর ওই বন্দুকধারীরা ভবনটির ভেতর ঢুকে পড়ে। খবর রয়টার্সের।চ্যানেলটির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় কয়েকজন হতাহত হয়েছে। ওই টুইটে বলা হচ্ছে, ভবনটির ভেতর থাকা স্টাফরা জানিয়েছে যে, দুই থেকে পাঁচজন মারা গিয়েছে।

সামসাদ টেলিভিশন চ্যানেলের রিপোর্টার ফয়সাল জালান্দ বলেছেন, তিনি নিরাপত্তা ক্যামেরা দিয়ে তিনজনকে ভবনের ভেতর ঢুকতে দেখেছেন। তারা প্রথমে নিরাপত্তা রক্ষীকে গুলি করে পরে ভবনে ঢুকে পড়ে। এরপর তারা গ্রেনেড ছুড়ে বন্দুক হামলা চালাতে শুরু করে।এদিকে হাসমাত স্তানকজাই নামের আরেক রিপোর্টার বলেন, আমার কয়েকজন সহকর্মী মারা গেছেন এবং আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন। আমি পালাতে সক্ষম হয়েছি।কাবুল পুলিশের মুখপাত্র বাশির মুজাহিদ বলেছেন, এই ঘটনায় হতাহতের ব্যাপারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সেই সংখ্যাটা কত তা স্পষ্ট নয়।তিনি বলেছেন, টেলিভিশন স্টেশনের গেইটে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বন্দুকধারীরা ভবনটির ভেতর ঢুকে পড়ে। একজন হামলাকারীকে নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে। তবে বাকি বন্দুকধারীরা হাত বোমা দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। হামলার পর পশতু ভাষার সামসাদ টেলিভিশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সেখানে শুধু স্থিরচিত্র দেখানো হচ্ছে।ওই হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এদিকে তালেবানরা এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে।ভবনটির ভেতর একশো জনের বেশি কর্মী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।সাংবাদিকদের ওপর এর আগেও দেশটিতে এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। তখন দেশটিতে সবচেয়ে বড় প্রাইভেট টেলিভিশন স্টেশন টেলো টেলিভিশনে হামলায় সাত সাংবাদিক নিহত হয়।

পোস্ট শেয়ার করুন

কাবুলে টিভি স্টেশনে বন্দুকধারীদের হামলা, হতাহতের আশঙ্কা

আপডেটের সময় : ০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি প্রাইভেট টেলিভিশন স্টেশনে বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে। আফগান কর্মকর্তারা বলছেন, একটি বিস্ফোরণের পর ওই বন্দুকধারীরা ভবনটির ভেতর ঢুকে পড়ে। খবর রয়টার্সের।চ্যানেলটির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় কয়েকজন হতাহত হয়েছে। ওই টুইটে বলা হচ্ছে, ভবনটির ভেতর থাকা স্টাফরা জানিয়েছে যে, দুই থেকে পাঁচজন মারা গিয়েছে।

সামসাদ টেলিভিশন চ্যানেলের রিপোর্টার ফয়সাল জালান্দ বলেছেন, তিনি নিরাপত্তা ক্যামেরা দিয়ে তিনজনকে ভবনের ভেতর ঢুকতে দেখেছেন। তারা প্রথমে নিরাপত্তা রক্ষীকে গুলি করে পরে ভবনে ঢুকে পড়ে। এরপর তারা গ্রেনেড ছুড়ে বন্দুক হামলা চালাতে শুরু করে।এদিকে হাসমাত স্তানকজাই নামের আরেক রিপোর্টার বলেন, আমার কয়েকজন সহকর্মী মারা গেছেন এবং আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন। আমি পালাতে সক্ষম হয়েছি।কাবুল পুলিশের মুখপাত্র বাশির মুজাহিদ বলেছেন, এই ঘটনায় হতাহতের ব্যাপারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সেই সংখ্যাটা কত তা স্পষ্ট নয়।তিনি বলেছেন, টেলিভিশন স্টেশনের গেইটে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বন্দুকধারীরা ভবনটির ভেতর ঢুকে পড়ে। একজন হামলাকারীকে নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে। তবে বাকি বন্দুকধারীরা হাত বোমা দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। হামলার পর পশতু ভাষার সামসাদ টেলিভিশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সেখানে শুধু স্থিরচিত্র দেখানো হচ্ছে।ওই হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এদিকে তালেবানরা এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে।ভবনটির ভেতর একশো জনের বেশি কর্মী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।সাংবাদিকদের ওপর এর আগেও দেশটিতে এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। তখন দেশটিতে সবচেয়ে বড় প্রাইভেট টেলিভিশন স্টেশন টেলো টেলিভিশনে হামলায় সাত সাংবাদিক নিহত হয়।