কানাডায় বাঙালি ললনাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব

মঙ্গলবার, ০২ এপ্রিল ২০১৯ | ৩:৪৪ অপরাহ্ণ | 174 বার

কানাডায় বাঙালি ললনাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব

কানাডা থেকে : কানাডার ম্যানিটোবা প্রভিন্সের রাজধানী উইনিপেগে রবিবার (৩১ মার্চ) পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এপিঠা উৎসবে অংশগ্রহন করেন।

স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান দুপুর ১২ টায় শুরু হয়ে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চলে। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ ) ম্যানিটোবা। পিঠা উৎসবের পাশাপাশি চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি শিল্পীরা।
দুপুর ১২ টার আগে থেকে কমিউনিটি সেন্টারের ১১ জন সৌখিন পিঠা বিক্রেতা তাদের পিঠার পসরা নিয়ে বসেন। সব মিলিয়ে প্রায় ২৫/৩০ ধরণের পিঠা নিয়ে বসেছিলেন তারা। এর মাধ্যে উল্লেখযোগ্য পিঠা ছিল, ভাঁপা, চিতাই, পাটি সাপটা, ছাচ, পুলি, দুধ রাজ, মোয়া, দুধ রাজ, কালাই পুরি, রস গজাসহ বেশ কয়েক ধরনের পিঠা। পিঠার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বাহারি মিষ্টি, রসমালাই দই, বিরানি, চিকেন ইত্যাদি বিক্রি হয়। পিঠার দাম ছিল ১ ডলার থেকে শুরু করে ৪ ডলার।
পিতামাতার হাতধরে অনেক শিশুকিশোর এ পিঠা উৎসবে আসেন। মাহমুদুন নবী সোহলে জানান, তিনি এসেছেন সন্তানদের বাংলাদেশের পিঠাকে পরিচিত করতে। এদেশে জন্ম হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সন্তানরা যেন তাদের ঐতিহ্যকে ভুলে না যায় সে কারণে তার আসা।
একজন সৌখিন পিঠা বিক্রেতা জানান, তিনি প্রতিবছর বাংলাদেশের নাটোর থেকে খেজুরের গুড় আনান এ পিঠা উৎসবে পিঠা বিক্রির জন্য।
উৎসবের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবার প্রেসিডেন্ট নাসরিন মাসুদ। তিনি কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিবিএর সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল শিবলী।
নির্মাণ অনুষ্ঠান শেষ হয় র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে। এটি স্পনসর করেন রেজা কাদির। র‌্যাফেল ড্রয়ের সংগৃহীত ডলার উইনিপেগের নির্মানাধীণ প্রক্রিয়াতে থাকা স্থায়ী শহীদ মিনার প্রকল্পে দান করা হয়।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

১৬টি বছর খুব সুন্দর ছিলো’ চিরকুটে আত্মহননকারী কলেজ ছাত্রী

deshdiganto.com © 2019 কপিরাইট এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

design and development by : TAP.Com