ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ উপলক্ষে কুয়েতস্হ বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০১৯
  • / ১৬১৪ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিনিধি:  ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয় । দূতালয় প্রধান কাউন্সিলর(পোল)মো:আনিসুজামান এইচ.ও.সি এর সাবলিল উপস্হাপনায় ফরিদ উদ্দিনের কোরআন তেলাওয়াত এর মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় । বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয় ৬:০৫ ঘটিকার সময় ৬:১০ মিনিটের সময় বানী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্ধ । ৬:৩০ মিনিটের সময় দিবসের উপর আলোচনায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবন্দ এবং ৭ ঘটিকার সময় মান্যবর রাষ্টদৃ একে এম আবুলকালাম উনার বক্তব্য বলেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভীড় জমিয়েছিলে রমনার রেসকোর্স ময়দান, আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কবি নির্মলেন্দু গুণ মানুষের সেই সমাবেশ চিত্রিত করেছেন এভাবে, ‘কপালে কব্জিতে লালসালু বেঁধে এই মাঠে ছুটে এসেছিল/ কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক, লাঙল জোয়াল কাঁধে/ এসেছিল ঝাঁক বেঁধে কৃষক, পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে/ এসেছিল প্রদীপ্ত যুবক, হাতের মুঠোয় মৃত্যু, চোখে স্বপ্ন নিয়ে/ এসেছিল মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, করুণ কেরানী, নারী, বৃদ্ধ…।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ইতিহাসের অনন্য ভাষণটি দেন। মাত্র উনিশ মিনিটের ওই ভাষণে তিনি গোটা বাঙালির প্রাণের সমস্ত আকুতি ঢেলে দিলেন। তা ছিল, অধিকার-বঞ্চিত বাঙালির শত হাজার বছরের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নের উচ্চারণে সমৃদ্ধ।

তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৭ মার্চ এক অত্যুজ্জ্বল মাইলফলক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদিন তাঁর সর্বশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করবেন এটা ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত করার পরই সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন। যার কারণে ৭ মার্চ রেসকোর্সের জনসভার জন্য সমগ্র পাকিস্তানের সব মানুষ উৎকণ্ঠিত চিত্তে অপেক্ষা করছিলেন। যদিও ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগ আয়োজিত সভায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। রাস্ট্রদূত কুয়েতে অবস্হানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের বলেন স্হানীয় আইন মেনে চলাফেরা সহ কাজকর্ম করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করবেন ।

পোস্ট শেয়ার করুন

ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ উপলক্ষে কুয়েতস্হ বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা

আপডেটের সময় : ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি:  ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয় । দূতালয় প্রধান কাউন্সিলর(পোল)মো:আনিসুজামান এইচ.ও.সি এর সাবলিল উপস্হাপনায় ফরিদ উদ্দিনের কোরআন তেলাওয়াত এর মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় । বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয় ৬:০৫ ঘটিকার সময় ৬:১০ মিনিটের সময় বানী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্ধ । ৬:৩০ মিনিটের সময় দিবসের উপর আলোচনায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবন্দ এবং ৭ ঘটিকার সময় মান্যবর রাষ্টদৃ একে এম আবুলকালাম উনার বক্তব্য বলেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভীড় জমিয়েছিলে রমনার রেসকোর্স ময়দান, আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কবি নির্মলেন্দু গুণ মানুষের সেই সমাবেশ চিত্রিত করেছেন এভাবে, ‘কপালে কব্জিতে লালসালু বেঁধে এই মাঠে ছুটে এসেছিল/ কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক, লাঙল জোয়াল কাঁধে/ এসেছিল ঝাঁক বেঁধে কৃষক, পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে/ এসেছিল প্রদীপ্ত যুবক, হাতের মুঠোয় মৃত্যু, চোখে স্বপ্ন নিয়ে/ এসেছিল মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, করুণ কেরানী, নারী, বৃদ্ধ…।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ইতিহাসের অনন্য ভাষণটি দেন। মাত্র উনিশ মিনিটের ওই ভাষণে তিনি গোটা বাঙালির প্রাণের সমস্ত আকুতি ঢেলে দিলেন। তা ছিল, অধিকার-বঞ্চিত বাঙালির শত হাজার বছরের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নের উচ্চারণে সমৃদ্ধ।

তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৭ মার্চ এক অত্যুজ্জ্বল মাইলফলক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদিন তাঁর সর্বশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করবেন এটা ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত করার পরই সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন। যার কারণে ৭ মার্চ রেসকোর্সের জনসভার জন্য সমগ্র পাকিস্তানের সব মানুষ উৎকণ্ঠিত চিত্তে অপেক্ষা করছিলেন। যদিও ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগ আয়োজিত সভায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। রাস্ট্রদূত কুয়েতে অবস্হানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের বলেন স্হানীয় আইন মেনে চলাফেরা সহ কাজকর্ম করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করবেন ।