ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এশিয়ার প্রথম সমকামী বিয়ে!

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯
  • / ৬২৭ টাইম ভিউ

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সমকামীদের বিয়ের স্বীকৃতি দিয়েছে তাইওয়ান। আইন কার্যকরের প্রথম দিনে বিয়ে করেই ঐতিহাসিক এ দিনটি উদযাপন করেছেন কয়েকশ সমকামী যুগল।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, রাজধানী তাইপের একটি বিবাহ নিবন্ধন কেন্দ্রে কয়েকশ’ সমকামী যুগল প্রথম দিন অর্থাৎ শুক্রবারই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

প্রায় তিন দশকের লড়াইয়ের পর, গত সপ্তাহে বিয়ের আইনি স্বীকৃতি পায় তাইওয়ানের সমকামীরা। ফলে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সমকামীদের বিয়ের স্বীকৃতি দিল দেশটি।

আদালতের স্বীকৃতি পাওয়ার পরই দেশটির বিববাহ নিবন্ধন কার্যালয়ে ভিড় করতে থাকে সমকামী যুগলরা।

সাংবিধানিক আদালত এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক আইন প্রণয়নের জন্য সরকারকে দুই বছর সময় দিয়েছিল। আদালতের রায়ের পর বিভিন্ন গোষ্ঠির চাপের মুখে গণভোটের আয়োজন করেছিল সরকার। এ সময় অনেককেই সমকামীদের বিয়ের ব্যাপারে বিরোধিতা করতে দেখা গেছে।

এক জরিপে দেখা গেছে, তাইওয়ানের জনগোষ্ঠির একটি বড় অংশ সমকামী বিয়েকে সমর্থন করছেন। তবে সমকামীদের বিয়ের বিষয়টি তাইওয়ানের সমাজে এক ধরনের বিভক্তি তৈরি করেছিল। গ্রামাঞ্চলের লোকজন ও বয়স্করা এ বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখেননি।

বিয়ের অনুমতি দেয়া হলেও সমকামীদের সব ধরনের সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে না আইনটি। অধিকার কর্মীরা বলছেন, আপাতাত আংশিক সুবিধা নিয়েই যাত্রা শুরু করতে চান তারা। অন্যান্য সুবিধাগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়তো দেয়া হবে এই প্রত্যাশা তাদের।-ডয়চে ভেলে

পোস্ট শেয়ার করুন

এশিয়ার প্রথম সমকামী বিয়ে!

আপডেটের সময় : ০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সমকামীদের বিয়ের স্বীকৃতি দিয়েছে তাইওয়ান। আইন কার্যকরের প্রথম দিনে বিয়ে করেই ঐতিহাসিক এ দিনটি উদযাপন করেছেন কয়েকশ সমকামী যুগল।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, রাজধানী তাইপের একটি বিবাহ নিবন্ধন কেন্দ্রে কয়েকশ’ সমকামী যুগল প্রথম দিন অর্থাৎ শুক্রবারই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

প্রায় তিন দশকের লড়াইয়ের পর, গত সপ্তাহে বিয়ের আইনি স্বীকৃতি পায় তাইওয়ানের সমকামীরা। ফলে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সমকামীদের বিয়ের স্বীকৃতি দিল দেশটি।

আদালতের স্বীকৃতি পাওয়ার পরই দেশটির বিববাহ নিবন্ধন কার্যালয়ে ভিড় করতে থাকে সমকামী যুগলরা।

সাংবিধানিক আদালত এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক আইন প্রণয়নের জন্য সরকারকে দুই বছর সময় দিয়েছিল। আদালতের রায়ের পর বিভিন্ন গোষ্ঠির চাপের মুখে গণভোটের আয়োজন করেছিল সরকার। এ সময় অনেককেই সমকামীদের বিয়ের ব্যাপারে বিরোধিতা করতে দেখা গেছে।

এক জরিপে দেখা গেছে, তাইওয়ানের জনগোষ্ঠির একটি বড় অংশ সমকামী বিয়েকে সমর্থন করছেন। তবে সমকামীদের বিয়ের বিষয়টি তাইওয়ানের সমাজে এক ধরনের বিভক্তি তৈরি করেছিল। গ্রামাঞ্চলের লোকজন ও বয়স্করা এ বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখেননি।

বিয়ের অনুমতি দেয়া হলেও সমকামীদের সব ধরনের সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে না আইনটি। অধিকার কর্মীরা বলছেন, আপাতাত আংশিক সুবিধা নিয়েই যাত্রা শুরু করতে চান তারা। অন্যান্য সুবিধাগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়তো দেয়া হবে এই প্রত্যাশা তাদের।-ডয়চে ভেলে