ঢাকা , রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

এলার্জি ও অ্যাজমার কারণ আবিষ্কার করে দুনিয়াজুড়ে হইচই ফেলে দিলেন বাংলাদেশী গবেষক

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০১৯
  • / ১০৭৭ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ  এলার্জি ও অ্যাজমার কারণ আবিষ্কার করে দুনিয়াজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশী গবেষক ড. হায়দার আলী। তার গবেষণার ফল ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া (ইউপেন)’র গবেষণা জার্নালে ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে।
এবার এই গবেষণার বিস্তারিত আগামী ২৫ থেকে ২৭ মে প্রাগে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইউরোপিয়ান মাস্ট সেল এ্যান্ড বাসফিল রিসার্চ নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল মিটিং’-এ উপস্থাপন করবেন তিনি।
ড. হায়দার জানান, তিনি ইমিউন সিস্টেমের একটি ক্ষুদ্রাংশ ‘মাস্ট সেল’ আবিস্কার করেছেন। এই মাস্ট সেলই এলার্জি ও এ্যাজমার কারণ। এই সেল আবিষ্কারের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জটিল এ রোগ নিয়ে যে শংকা মানুষের মধ্যে ছিল তার অবসান ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ড. হায়দার আলীর জন্ম সিলেটে। তবে শৈশবেই পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই লেখাপড়া শেষ করে পিএইচডি থিসিস এবং পোস্ট ডক্টরাল থিসিসও করেন লন্ডনে। তার থিসিসের বিষয় ছিল ‘মাস্ট সেল।’ ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি এই সেল নিয়ে গবেষণা করে আসছেন।চাকরি জীবনে ড. হায়দার আলী ইউপেনের প্যাথলজির প্রফেসর এবং ইউপেন স্কুল অব ডেন্টাল মেডিসিনের ফ্যাকাল্টি এডভান্সমেন্ট ও ডাইভার্সিটিরও পরিচালক।
মাস্ট সেল আবিষ্কারের পর নিজের মত জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, কোন জীবন্ত প্রাণীই মাস্ট সেল ছাড়া নেই। এজন্যেই এলার্জি কিংবা এ্যাজমা প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নিজে থেকে শরীরে তৈরী হতে পারে না। উদঘাটিত মাস্ট সেলের মাধ্যমেই এখন আমাদের শরীরকে ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যদিও এলার্জি এবং এ্যাজমার মত জটিল রোগের প্রধান কারণ আরো সুনিপুণভাবে উদঘাটনে আরো কাজ করতে হবে। তবেই এই জীবাণু চিরতরে বিনাশ করা যাবে।

পোস্ট শেয়ার করুন

এলার্জি ও অ্যাজমার কারণ আবিষ্কার করে দুনিয়াজুড়ে হইচই ফেলে দিলেন বাংলাদেশী গবেষক

আপডেটের সময় : ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ  এলার্জি ও অ্যাজমার কারণ আবিষ্কার করে দুনিয়াজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশী গবেষক ড. হায়দার আলী। তার গবেষণার ফল ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া (ইউপেন)’র গবেষণা জার্নালে ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে।
এবার এই গবেষণার বিস্তারিত আগামী ২৫ থেকে ২৭ মে প্রাগে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইউরোপিয়ান মাস্ট সেল এ্যান্ড বাসফিল রিসার্চ নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল মিটিং’-এ উপস্থাপন করবেন তিনি।
ড. হায়দার জানান, তিনি ইমিউন সিস্টেমের একটি ক্ষুদ্রাংশ ‘মাস্ট সেল’ আবিস্কার করেছেন। এই মাস্ট সেলই এলার্জি ও এ্যাজমার কারণ। এই সেল আবিষ্কারের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জটিল এ রোগ নিয়ে যে শংকা মানুষের মধ্যে ছিল তার অবসান ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ড. হায়দার আলীর জন্ম সিলেটে। তবে শৈশবেই পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই লেখাপড়া শেষ করে পিএইচডি থিসিস এবং পোস্ট ডক্টরাল থিসিসও করেন লন্ডনে। তার থিসিসের বিষয় ছিল ‘মাস্ট সেল।’ ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি এই সেল নিয়ে গবেষণা করে আসছেন।চাকরি জীবনে ড. হায়দার আলী ইউপেনের প্যাথলজির প্রফেসর এবং ইউপেন স্কুল অব ডেন্টাল মেডিসিনের ফ্যাকাল্টি এডভান্সমেন্ট ও ডাইভার্সিটিরও পরিচালক।
মাস্ট সেল আবিষ্কারের পর নিজের মত জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, কোন জীবন্ত প্রাণীই মাস্ট সেল ছাড়া নেই। এজন্যেই এলার্জি কিংবা এ্যাজমা প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নিজে থেকে শরীরে তৈরী হতে পারে না। উদঘাটিত মাস্ট সেলের মাধ্যমেই এখন আমাদের শরীরকে ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যদিও এলার্জি এবং এ্যাজমার মত জটিল রোগের প্রধান কারণ আরো সুনিপুণভাবে উদঘাটনে আরো কাজ করতে হবে। তবেই এই জীবাণু চিরতরে বিনাশ করা যাবে।