ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবার আশুরায় খোলা স্থানে নয় তাজিয়া মিছিল

দেশ দিগন্ত ডেক্স:
  • আপডেটের সময় : ১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০
  • / ৪০০ টাইম ভিউ

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে ৩০ আগস্ট পবিত্র আশুরা উপলক্ষে খোলা স্থানে তাজিয়া মিছিল ও সমাবেশ করা যাবে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ইনডোরে ধর্মীয় অন্যান্য অনুষ্ঠান পালন করা যাবে।

রোববার ডিএমপি সদর দফতরে আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আশুরা অনুষ্ঠান আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, করোনার বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। অনুষ্ঠান স্থলে মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেবেন না। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ইমামবাড়াগুলোতে সবাইকে একসঙ্গে না ঢুকিয়ে খণ্ড খণ্ড দলে বিভক্ত করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অবস্থানের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন তিনি।

ডিএমপি প্রধান বলেন, আমরা ধর্মীয়ভাবে উদার একটি সমাজ ও রাষ্ট্রে বসবাস করি। আশুরা উপলক্ষে কোনো বিরোধ থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে তা মীমাংসা করতে হবে। আশুরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, আশুরা কেন্দ্রিক ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসপজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হবে। ইমামবাড়াসহ তার আশাপাশে সিসি ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করে আর্চওয়ের মধ্যদিয়ে সবাইকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে হবে এবং আয়োজক কমিটি পরিচয়পত্রসহ পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবে।

প্রতিটি ইমামবাড়ার প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ আলাদা করতে হবে জানিয়ে ডিএমপি প্রধান বলেন, ইমামবাড়ায় প্রবেশমুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেসিন, পানির ট্যাংক, সাবান ও পৃথকভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা ও জীবাণুনাশক চেম্বার স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে। ইমামবাড়ার প্রবেশমুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে।

কোনোভাবেই মাস্ক ছাড়া ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। ইমামবাড়ায় সামাজিক দূরত্ব কমপক্ষে তিন ফুট কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে। করোনা সন্দেহজনক উপসর্গ (যেমন- জ্বর, সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা ইত্যাদি) নিয়ে কোনো ব্যক্তিকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না।

করোনার এই বিশেষ পরিস্থিতিতে শিশু ও ষাটোর্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ইমামবাড়ায় প্রবেশে নিরুৎসাহিত করতে হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।#

পোস্ট শেয়ার করুন

এবার আশুরায় খোলা স্থানে নয় তাজিয়া মিছিল

আপডেটের সময় : ১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে ৩০ আগস্ট পবিত্র আশুরা উপলক্ষে খোলা স্থানে তাজিয়া মিছিল ও সমাবেশ করা যাবে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ইনডোরে ধর্মীয় অন্যান্য অনুষ্ঠান পালন করা যাবে।

রোববার ডিএমপি সদর দফতরে আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আশুরা অনুষ্ঠান আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, করোনার বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। অনুষ্ঠান স্থলে মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেবেন না। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ইমামবাড়াগুলোতে সবাইকে একসঙ্গে না ঢুকিয়ে খণ্ড খণ্ড দলে বিভক্ত করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অবস্থানের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন তিনি।

ডিএমপি প্রধান বলেন, আমরা ধর্মীয়ভাবে উদার একটি সমাজ ও রাষ্ট্রে বসবাস করি। আশুরা উপলক্ষে কোনো বিরোধ থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে তা মীমাংসা করতে হবে। আশুরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, আশুরা কেন্দ্রিক ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসপজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হবে। ইমামবাড়াসহ তার আশাপাশে সিসি ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করে আর্চওয়ের মধ্যদিয়ে সবাইকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে হবে এবং আয়োজক কমিটি পরিচয়পত্রসহ পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবে।

প্রতিটি ইমামবাড়ার প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ আলাদা করতে হবে জানিয়ে ডিএমপি প্রধান বলেন, ইমামবাড়ায় প্রবেশমুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেসিন, পানির ট্যাংক, সাবান ও পৃথকভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা ও জীবাণুনাশক চেম্বার স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে। ইমামবাড়ার প্রবেশমুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে।

কোনোভাবেই মাস্ক ছাড়া ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। ইমামবাড়ায় সামাজিক দূরত্ব কমপক্ষে তিন ফুট কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে। করোনা সন্দেহজনক উপসর্গ (যেমন- জ্বর, সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা ইত্যাদি) নিয়ে কোনো ব্যক্তিকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না।

করোনার এই বিশেষ পরিস্থিতিতে শিশু ও ষাটোর্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ইমামবাড়ায় প্রবেশে নিরুৎসাহিত করতে হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।#