ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

একেই বলে ভাগ্য! রাতারাতি মিলিয়নিয়ার যে কৃষক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০
  • / ৪৫০ টাইম ভিউ

একেই বলে ভাগ্য! ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক দরিদ্র কৃষক আনন্দিলাল কুশওয়াহা (৩৪) রাতারাতি এখন মিলিয়নিয়ার। কিভাবে জানেন! তিনি সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়েছিলেন এক টুকরো জমি। সেখানেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন ১০.৬৯ ক্যারেটের একটি ডায়মন্ড বা হীরা। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি মিলিয়নিয়ার। এ খবর দিয়েছে অনলাইন গালফ নিউজ। মধ্য প্রদেশের পান্না জেলায় তার বাড়ি। মঙ্গলবার তিনি এই হীরা পাওয়ার খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন আনন্দিলাল কুশওয়াহা। সবাই তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিচ্ছেন।

এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত ভাল খবর! অভিনন্দন আপনাকে। স্থানীয় খবরগুলোর সূত্র অনুযায়ী, আনন্দিলাল কুশওয়াহার বসবাস পান্না জেলার রানীপুর গ্রামে। পান্না এলাকাটি হীরাসমৃদ্ধ বলে পরিচিতি আছে। তিনি সরকারের কাছ থেকে ওই জমি লিজ নিয়ে তাতে এক বছর ধরে হীরা খোঁজার কাজ করছিলেন। আকস্মিকভাবে মঙ্গলবার সেখানে মাটির নিচ থেকে তার দিকে তাকিয়ে চিক চিক করে হেসে ওঠে বড় এক টুকরো হীরা। বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে যান আনন্দিলাল কুশওয়াহা। নিজেকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। সত্যি সত্যি এভাবে ভাগ্য বদলে যেতে পারে! এমন তো কল্পকাহিনীতে শোনা যায়। তাই এবার তার ভাগ্যে সত্যি হয়ে দেখা দিয়েছে! এ খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন লিখেছেন, আপনি ভাগ্যবান ভাই। আপনার এমন খবরে আমি খুশি।
ওদিকে হীরা পাওয়ার পর আনন্দিলাল কুশওয়াহার পিছন পিছন ঘুরছে টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা। তিনি তাদেরকে বলেছেন, সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে এই জমিতে গত একটি বছর আমরা খনন কাজ করে যাচ্ছি। এত ভাল মানের এবং এত বড় একটি হীরা পাওয়ায় আমি যেন আমার চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।
১০.৬৯ ক্যারেটের ওই হীরাটি তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমা দিয়েছেন পান্না জেলার খনিজ বিভাগে। তারা এই হীরা নিলামে তুলে যে দাম ওঠে সেখান থেকে রয়েলটি এবং ট্যাক্স বাদ দিয়ে বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট কৃষককে দিয়ে দেয়। আনন্দিলাল কুশওয়াহার হীরার দাম উঠতে পারে ৫০ লাখ রুপি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগেও আনন্দিলাল কুশওয়াহা তার জমিতে ০.৭ ক্যারেটের একটি হীরা পেয়েছিলেন।

এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত ভাল খবর! অভিনন্দন আপনাকে। স্থানীয় খবরগুলোর সূত্র অনুযায়ী, আনন্দিলাল কুশওয়াহার বসবাস পান্না জেলার রানীপুর গ্রামে। পান্না এলাকাটি হীরাসমৃদ্ধ বলে পরিচিতি আছে। তিনি সরকারের কাছ থেকে ওই জমি লিজ নিয়ে তাতে এক বছর ধরে হীরা খোঁজার কাজ করছিলেন। আকস্মিকভাবে মঙ্গলবার সেখানে মাটির নিচ থেকে তার দিকে তাকিয়ে চিক চিক করে হেসে ওঠে বড় এক টুকরো হীরা। বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে যান আনন্দিলাল কুশওয়াহা। নিজেকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। সত্যি সত্যি এভাবে ভাগ্য বদলে যেতে পারে! এমন তো কল্পকাহিনীতে শোনা যায়। তাই এবার তার ভাগ্যে সত্যি হয়ে দেখা দিয়েছে! এ খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন লিখেছেন, আপনি ভাগ্যবান ভাই। আপনার এমন খবরে আমি খুশি।
ওদিকে হীরা পাওয়ার পর আনন্দিলাল কুশওয়াহার পিছন পিছন ঘুরছে টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা। তিনি তাদেরকে বলেছেন, সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে এই জমিতে গত একটি বছর আমরা খনন কাজ করে যাচ্ছি। এত ভাল মানের এবং এত বড় একটি হীরা পাওয়ায় আমি যেন আমার চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।
১০.৬৯ ক্যারেটের ওই হীরাটি তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমা দিয়েছেন পান্না জেলার খনিজ বিভাগে। তারা এই হীরা নিলামে তুলে যে দাম ওঠে সেখান থেকে রয়েলটি এবং ট্যাক্স বাদ দিয়ে বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট কৃষককে দিয়ে দেয়। আনন্দিলাল কুশওয়াহার হীরার দাম উঠতে পারে ৫০ লাখ রুপি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগেও আনন্দিলাল কুশওয়াহা তার জমিতে ০.৭ ক্যারেটের একটি হীরা পেয়েছিলেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

একেই বলে ভাগ্য! রাতারাতি মিলিয়নিয়ার যে কৃষক

আপডেটের সময় : ১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

একেই বলে ভাগ্য! ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক দরিদ্র কৃষক আনন্দিলাল কুশওয়াহা (৩৪) রাতারাতি এখন মিলিয়নিয়ার। কিভাবে জানেন! তিনি সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়েছিলেন এক টুকরো জমি। সেখানেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন ১০.৬৯ ক্যারেটের একটি ডায়মন্ড বা হীরা। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি মিলিয়নিয়ার। এ খবর দিয়েছে অনলাইন গালফ নিউজ। মধ্য প্রদেশের পান্না জেলায় তার বাড়ি। মঙ্গলবার তিনি এই হীরা পাওয়ার খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন আনন্দিলাল কুশওয়াহা। সবাই তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিচ্ছেন।

এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত ভাল খবর! অভিনন্দন আপনাকে। স্থানীয় খবরগুলোর সূত্র অনুযায়ী, আনন্দিলাল কুশওয়াহার বসবাস পান্না জেলার রানীপুর গ্রামে। পান্না এলাকাটি হীরাসমৃদ্ধ বলে পরিচিতি আছে। তিনি সরকারের কাছ থেকে ওই জমি লিজ নিয়ে তাতে এক বছর ধরে হীরা খোঁজার কাজ করছিলেন। আকস্মিকভাবে মঙ্গলবার সেখানে মাটির নিচ থেকে তার দিকে তাকিয়ে চিক চিক করে হেসে ওঠে বড় এক টুকরো হীরা। বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে যান আনন্দিলাল কুশওয়াহা। নিজেকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। সত্যি সত্যি এভাবে ভাগ্য বদলে যেতে পারে! এমন তো কল্পকাহিনীতে শোনা যায়। তাই এবার তার ভাগ্যে সত্যি হয়ে দেখা দিয়েছে! এ খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন লিখেছেন, আপনি ভাগ্যবান ভাই। আপনার এমন খবরে আমি খুশি।
ওদিকে হীরা পাওয়ার পর আনন্দিলাল কুশওয়াহার পিছন পিছন ঘুরছে টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা। তিনি তাদেরকে বলেছেন, সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে এই জমিতে গত একটি বছর আমরা খনন কাজ করে যাচ্ছি। এত ভাল মানের এবং এত বড় একটি হীরা পাওয়ায় আমি যেন আমার চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।
১০.৬৯ ক্যারেটের ওই হীরাটি তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমা দিয়েছেন পান্না জেলার খনিজ বিভাগে। তারা এই হীরা নিলামে তুলে যে দাম ওঠে সেখান থেকে রয়েলটি এবং ট্যাক্স বাদ দিয়ে বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট কৃষককে দিয়ে দেয়। আনন্দিলাল কুশওয়াহার হীরার দাম উঠতে পারে ৫০ লাখ রুপি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগেও আনন্দিলাল কুশওয়াহা তার জমিতে ০.৭ ক্যারেটের একটি হীরা পেয়েছিলেন।

এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত ভাল খবর! অভিনন্দন আপনাকে। স্থানীয় খবরগুলোর সূত্র অনুযায়ী, আনন্দিলাল কুশওয়াহার বসবাস পান্না জেলার রানীপুর গ্রামে। পান্না এলাকাটি হীরাসমৃদ্ধ বলে পরিচিতি আছে। তিনি সরকারের কাছ থেকে ওই জমি লিজ নিয়ে তাতে এক বছর ধরে হীরা খোঁজার কাজ করছিলেন। আকস্মিকভাবে মঙ্গলবার সেখানে মাটির নিচ থেকে তার দিকে তাকিয়ে চিক চিক করে হেসে ওঠে বড় এক টুকরো হীরা। বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে যান আনন্দিলাল কুশওয়াহা। নিজেকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। সত্যি সত্যি এভাবে ভাগ্য বদলে যেতে পারে! এমন তো কল্পকাহিনীতে শোনা যায়। তাই এবার তার ভাগ্যে সত্যি হয়ে দেখা দিয়েছে! এ খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন লিখেছেন, আপনি ভাগ্যবান ভাই। আপনার এমন খবরে আমি খুশি।
ওদিকে হীরা পাওয়ার পর আনন্দিলাল কুশওয়াহার পিছন পিছন ঘুরছে টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা। তিনি তাদেরকে বলেছেন, সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে এই জমিতে গত একটি বছর আমরা খনন কাজ করে যাচ্ছি। এত ভাল মানের এবং এত বড় একটি হীরা পাওয়ায় আমি যেন আমার চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।
১০.৬৯ ক্যারেটের ওই হীরাটি তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমা দিয়েছেন পান্না জেলার খনিজ বিভাগে। তারা এই হীরা নিলামে তুলে যে দাম ওঠে সেখান থেকে রয়েলটি এবং ট্যাক্স বাদ দিয়ে বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট কৃষককে দিয়ে দেয়। আনন্দিলাল কুশওয়াহার হীরার দাম উঠতে পারে ৫০ লাখ রুপি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগেও আনন্দিলাল কুশওয়াহা তার জমিতে ০.৭ ক্যারেটের একটি হীরা পেয়েছিলেন।