ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদের পর আন্দোলন : খালেদা

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০১৭
  • / ১২১০ টাইম ভিউ

রোজা ও ঈদ শেষ হয়ে গেলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের জুলুম, অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবেন বলে জানালেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।শনিবার রাজধানীর মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণীতে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির-এনপিপি ইফতার মাহফিলে তিনি এ আহ্বান জানান।

খালেদা জিয়া বলেন, শুক্রবার দেখলাম যে আওয়ামী লীগের নারীরা বলেছেন, আমরা নির্বাচন চাই না হাসিনাকে ক্ষমতায় চাই। আমরাও হাসিনাকে চাই, তবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণ যাদের চাইবে তারাই আসবে।তিনি বলেন, হাসিনার অধীনে নির্বাচন কেউ মানবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। যে নির্বাচন একটি সহায়ক সরকারের অধীনে হবে।ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক ঠিক করায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের তো কোনো চিন্তা নাই। কেননা তাদের টাকা দেশে নাই। সব বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তাদের তো টাকা কাটা যাবে না।বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, প্রতিনিয়ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। মানুষ শান্তিতে নেই। এখনো খুন, গুম, নির্যাতন চলছে। মানুষ আজ অস্থির।তিনি বলেন, সব বাহিনীকে চিন্তা করতে হবে, এভাবেই কি দেশ চলবে? একটি শ্রেণি তাদের ব্যবহার করে লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে শেষ করে দিচ্ছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন এনপিপি সভাপতি ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুজ্জামান দুদু এবং ২০-দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে এলডিপি অলি আহমেদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া।

পোস্ট শেয়ার করুন

ঈদের পর আন্দোলন : খালেদা

আপডেটের সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০১৭

রোজা ও ঈদ শেষ হয়ে গেলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের জুলুম, অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবেন বলে জানালেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।শনিবার রাজধানীর মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণীতে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির-এনপিপি ইফতার মাহফিলে তিনি এ আহ্বান জানান।

খালেদা জিয়া বলেন, শুক্রবার দেখলাম যে আওয়ামী লীগের নারীরা বলেছেন, আমরা নির্বাচন চাই না হাসিনাকে ক্ষমতায় চাই। আমরাও হাসিনাকে চাই, তবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণ যাদের চাইবে তারাই আসবে।তিনি বলেন, হাসিনার অধীনে নির্বাচন কেউ মানবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। যে নির্বাচন একটি সহায়ক সরকারের অধীনে হবে।ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক ঠিক করায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের তো কোনো চিন্তা নাই। কেননা তাদের টাকা দেশে নাই। সব বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তাদের তো টাকা কাটা যাবে না।বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, প্রতিনিয়ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। মানুষ শান্তিতে নেই। এখনো খুন, গুম, নির্যাতন চলছে। মানুষ আজ অস্থির।তিনি বলেন, সব বাহিনীকে চিন্তা করতে হবে, এভাবেই কি দেশ চলবে? একটি শ্রেণি তাদের ব্যবহার করে লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে শেষ করে দিচ্ছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন এনপিপি সভাপতি ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুজ্জামান দুদু এবং ২০-দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে এলডিপি অলি আহমেদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া।